ঢাকার খালে টয়লেটের লাইন, পাড়ে নাক চেপে বসবাস

মফিজুল সাদিক
মফিজুল সাদিক মফিজুল সাদিক , জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১০:০৩ এএম, ০২ মে ২০২৬
ঢাকা শহরের মধ্যেই খালে সরাসরি যুক্ত টয়লেটের লাইন/ছবি: জাগো নিউজ

মোহাম্মদপুর চাঁনমিয়া হাউজিং। পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া খালে সরাসরি টয়লেটের লাইন। পানি দেখলে মনে হয় আলকাতরা মেশানো। দিনদুপুরে ভাসে মলমূত্র। নাক চেপে বসবাস করতে হয় পাড়ের বাসিন্দাদের।

সরেজমিনে দেখা যায়, মোহাম্মদপুর সাতমসজিদ হাউজিংয়ের দুই নম্বর সড়কের সব বাসার টয়লেটের লাইন খালের সঙ্গে যুক্ত। দিনদুপুরে ভেসে যাচ্ছে মানববর্জ্য। পানির উৎকট গন্ধে খালপাড় দিয়ে হেঁটে যাওয়া দায়। তারপরও সেখানে অসহায় হয়ে বসবাস করছেন অনেকে।

চাঁনমিয়া খালপাড়ের বাসিন্দা মনির হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, ‘অধিকাংশ বাড়ির টয়লেটের লাইন খালের সঙ্গে যুক্ত। পানির গন্ধে টিকতে পারি না। মশা-মাছিতে জীবন অতিষ্ঠ। সকালে খালপাড়ে চোখ পড়লেই মলমূত্র ভাসতে দেখা যায়। পাশাপাশি অন্য বর্জ্য তো আছেই। টয়লেটের লাইন আগে বন্ধ হওয়া দরকার।’

ঢাকা শহরের মধ্যেই খালে সরাসরি যুক্ত টয়লেটের লাইন/ছবি: জাগো নিউজখালের পানি আলকাতারা মেশানো রঙের/ছবি: জাগো নিউজ

খালপাড়ের বাসিন্দা মোহাম্মদ মতি বলেন, ‘খালে পানির চেয়ে মানববর্জ্য বেশি। ১০ মিনিট কেউ দাঁড়িয়ে থাকলে দম বন্ধ হয়ে মারা যাবে। খালের মশা-মাছিতে বাস করতে পারি না। সামান্য পানি হলে খালের ময়লা পানি সড়কে আসে। কারণ মানুষের ময়লা-আবর্জনায় খাল ভরে গেছে।’

খালপাড়ের ফ্ল্যাট বা ভবনে কেউ বসবাস করতে চায় না। অনেকে আবার অল্প ভাড়া দিয়ে এসব এলাকায় বাধ্য হয়ে বসবাস করেন।

ঢাকা ওয়াসার স্যুয়ারেজ মাস্টার প্ল্যান অনুযায়ী ঢাকা মহানগরীতে পয়ঃলাইন নির্মাণ চলমান। বর্ণিত এলাকায় পয়ঃলাইন নির্মাণ সম্পন্ন হলে পয়ঃবর্জ্য সরাসরি নির্দিষ্ট পয়ঃশোধনাগারে নেওয়ার মাধ্যমে পরিশোধন করা সম্ভব হবে এবং পরিবেশের মানোন্নয়ন হবে।-ঢাকা ওয়াসার জনসংযোগ কর্মকর্তা আব্দুল কাদের

একই অবস্থা কল্যাণপুর খালেরও। খালপাড়ের বাসিন্দা মিজানুর রহমান বলেন, ‘আমার মনে হয় এই এলাকার অধিকাংশ বাসার টয়লেটের লাইন খালে গিয়ে পড়েছে। দুর্গন্ধে দাঁড়ানো যায় না। আপনি দাঁড়িয়ে থাকলে দেখতে পাবেন মানববর্জ্য ভেসে যাওয়ার দৃশ্য। মাঝে-মধ্যে খালের ওপরের ছোট ব্রিজ পার হয়ে ৬০ ফিট মিরপুর এলাকায় আসতে গেলে বিপাকে পড়তে হয়।’

প্রকল্প আছে কার্যকারিতা নেই

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, খালে যাতে মানববর্জ্য না পড়ে সে জন্য ৫ হাজার ১৮৭ কোটি টাকা ব্যয়ে ঢাকা স্যানিটেশন ইম্প্রুভমেন্ট প্রকল্পটি চলমান। ঢাকা মহানগরীর নির্ধারিত এলাকায় নিরাপদ পয়ঃসেবা বাড়িয়ে ঢাকা ওয়াসার পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থাপনা সম্প্রসারণ এর লক্ষ্য। জানুয়ারি ২০২০ সালে শুরু হওয়া প্রকল্পটি এপ্রিল ২০২৮ মেয়াদে শেষ হওয়ার কথা। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন শেষের পথে হলেও এখনো মানববর্জ্য পড়ছে খালে। অথচ প্রকল্পগুলো হাতে নেওয়া হয়েছিল মানববর্জ্য যাতে খালে না পড়ে সেজন্য।

আরও পড়ুন

গুলশান-বনানী-বারিধারার ৮৫ শতাংশ বাড়ির পয়ঃবর্জ্য পড়ছে লেকে
হাতিরঝিলে চলতে হয় নাক চেপে, শ্বাস নিতেও কষ্ট
‘অভিজাত এলাকায় ড্রেন-খালে পয়োবর্জ্যের সংযোগ খুবই দুঃখজনক
পয়োবর্জ্যের অবৈধ সংযোগ বন্ধে বারিধারায় অভিযানে ডিএনসিসি

যে সব বাড়ির পয়ঃবর্জ্যের লাইন সিটি করপোরেশনের পাইপ লাইনে দেওয়া আছে, সেগুলো অপসারণ করা হবে কি না? এ প্রসঙ্গে ঢাকা ওয়াসার জনসংযোগ কর্মকর্তা আব্দুল কাদের জাগো নিউজকে বলেন, ‘ঢাকা ওয়াসার স্যুয়ারেজ মাস্টার প্ল্যান অনুযায়ী ঢাকা মহানগরীতে পয়ঃলাইন নির্মাণ চলমান। বর্ণিত এলাকায় পয়ঃলাইন নির্মাণ সম্পন্ন হলে পয়ঃবর্জ্য সরাসরি নির্দিষ্ট পয়ঃশোধনাগারে নেওয়ার মাধ্যমে পরিশোধন করা সম্ভব হবে এবং পরিবেশের মানোন্নয়ন হবে।’

ঢাকা শহরের মধ্যেই খালে সরাসরি যুক্ত টয়লেটের লাইন/ছবি: জাগো নিউজঢাকা শহরের মধ্যেই খালে সরাসরি যুক্ত টয়লেটের লাইন/ছবি: জাগো নিউজ

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন সূত্র জানায়, তিন বছর আগে রাজধানীর চারটি গুরুত্বপূর্ণ খাল পুনরুদ্ধার ও সংস্কারের জন্য প্রায় ৯শ কোটি টাকার প্রকল্প নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি হয়নি। প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য ছিল খালগুলোতে যাতে বাসাবাড়ির টয়লেটের লাইন না পড়ে। খালগুলো এখনো বেদখল, দূষণ ও মানববর্জ্য-আবর্জনায় মৃতপ্রায় অবস্থায় রয়েছে। এ প্রকল্পে মাত্র ১৮ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে। অথচ চলতি অর্থবছরে প্রকল্পের অনুকূলে বরাদ্দ আরও ৪৫ কোটি। ফলে রাজধানীর জলাবদ্ধতা নিরসনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এ প্রকল্প কার্যত কাগজে-কলমেই সীমাবদ্ধ।

হওয়ার কথা ছিল নান্দনিক, অথচ পানিতে ভাসে মলমূত্র

কালুনগর, জিরানি, মান্ডা ও শ্যামপুর খাল পুনরুদ্ধার, সংস্কার এবং নান্দনিক পরিবেশ তৈরির লক্ষ্য নিয়ে ২০২২ সালের অক্টোবরে প্রায় ৮৯৮ কোটি ৭৩ লাখ টাকা ব্যয়ের প্রকল্পটি জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) অনুমোদন পায়।

২০২৬ সালের জুনের মধ্যে প্রকল্প বাস্তবায়নের দায়িত্ব পায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। প্রকল্পের লক্ষ্য অনুযায়ী, খালগুলোর পানিপ্রবাহ স্বাভাবিক করা, জলাবদ্ধতা কমানো এবং দুই পাড়ে ওয়াকওয়ে, বাইসাইকেল লেন, খেলার মাঠ, ফুডকোর্ট, নাগরিক সুবিধা ও সবুজায়নের মাধ্যমে আধুনিক জনপরিসর তৈরি করার কথা ছিল। কিন্তু তিন বছরেও ডিএসসিসি দৃশ্যমান সাফল্য দেখাতে পারেনি।

২৯টি খাল আছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে। প্রবাহ খালগুলো অগ্রাধিকার দিয়ে খনন করা হবে। খালের সীমানা নির্ধারণ করা আছে। কেউ খালের মধ্যে টয়লেটের লাইন করতে পারবে না। সব সিলগালা করবো। খালে টয়লেটের লাইন থাকতে পারবে না।-ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জহিরুল ইসলাম

প্রকল্প সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, চার খালের মধ্যে সবচেয়ে বড় মান্ডা খালের দৈর্ঘ্য প্রায় ৮ দশমিক ৭ কিলোমিটার। এ খালের দুই পাড়ে ছয়টি যানবাহন সেতু, ২২টি পথচারী সেতু, পাঁচটি ফুডকোর্ট ও চারটি প্লাজাসহ বিভিন্ন সুবিধা নির্মাণের পরিকল্পনা। এ খালের উন্নয়নেই ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৩৯৭ কোটি টাকা। কিন্তু স্থানীয় বাসাবাড়ির টয়লেটের লাইনগুলো এখনো খালে।

সরেজমিনে দেখা যায়, মান্ডা এলাকায় খালের পুরো অংশজুড়ে দুর্গন্ধযুক্ত কালো পানি জমে আছে। খালে ভেসে যাচ্ছে মানববর্জ্য। এছাড়া খালের মধ্যে প্লাস্টিক, পলিথিন, বোতল ও গৃহস্থালির বিভিন্ন বর্জ্যের স্তূপ পড়ে রয়েছে।

ঢাকা শহরের মধ্যেই খালে সরাসরি যুক্ত টয়লেটের লাইন/ছবি: জাগো নিউজঢাকা শহরের মধ্যেই খালে সরাসরি যুক্ত টয়লেটের লাইন/ছবি: জাগো নিউজ

দুই পাড়ে আবর্জনার ভাগাড় থেকে ছড়িয়ে পড়া তীব্র দুর্গন্ধে এলাকাবাসীর টিকে থাকাই কঠিন হয়ে পড়েছে। শুধু দূষণই নয়, খালের দুই পাশে অসংখ্য অবৈধ স্থাপনা গড়ে ওঠায় পানির স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। অনেক জায়গায় খালের সীমানা ভরাট করে কার্যত ড্রেনে পরিণত করা হয়েছে।

বাকি তিনটি খালের মধ্যে শ্যামপুর খালের দৈর্ঘ্য ৪ দশমিক ৭৮ কিলোমিটার। এখানে ১৭ হাজার বর্গমিটার এলাকায় সবুজায়ন ও ল্যান্ডস্কেপিং, ১৯২টি বৈদ্যুতিক পোল ও নান্দনিক বাতি স্থাপন, ১০০টি ওয়েস্টবিন এবং শিশুদের খেলার মাঠ নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে, যার ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১৭৭ কোটি টাকা।

এটা নিয়ে সিটি করপোরেশন ও ঢাকা ওয়াসার টানাটানি রয়েছে। ভবনগুলো সিটি করপোরেশনের আওতায়। আবার পয়ঃশোধনগারের কাজ ঢাকা ওয়াসার। সিটি করপোরেশন দায়িত্ব নেওয়ার পরও কাজগুলো ঠিকঠাক করে না। মানববর্জ্য ব্যবস্থাপনায় বিজ্ঞানভিত্তিক কোনো কাজ ঢাকায় হচ্ছে না।-স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশবিজ্ঞান বিভাগের ডিন আহমদ কামরুজ্জামান মজুমদার

আর কালুনগর খালের দৈর্ঘ্য ২ দশমিক ৪ কিলোমিটার। এ খালের দুই পাশে পথচারী সেতু, পাম্প হাউজ, ওয়াকওয়ে, বৈদ্যুতিক বাতি, বসার বেঞ্চ ও ফুডকোর্টসহ বিভিন্ন নাগরিক সুবিধা নির্মাণে ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে প্রায় ৯৩ কোটি ৭৯ লাখ টাকা।

জিরানি খালের দৈর্ঘ্য ৩ দশমিক ৯ কিলোমিটার। এখানে ওয়াকওয়ে, বাইসাইকেল লেন, পাবলিক টয়লেট, ব্যায়াম শেড এবং সবুজায়নসহ বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে, যার জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১৬৯ কোটি ৯১ লাখ টাকা। কিন্তু মানববর্জ্যের গন্ধে এ খালপাড় দিয়েও হাঁটাচলা করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

২০২৬ সালের জুনের মধ্যে কাজ শেষের সময় ধরা হলেও প্রকল্পের বড় অংশের কাজ শুরুই হয়নি। ফলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্প শেষ করা প্রায় অসম্ভব বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। অনুমোদিত প্রকল্প কাটছাঁট হওয়ার কারণে মূলত কাজের গতি কম।

ঢাকা শহরের মধ্যেই খালে সরাসরি যুক্ত টয়লেটের লাইন/ছবি: জাগো নিউজনাক চেপে বসবাস করে মানুষ/ছবি: জাগো নিউজ

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জহিরুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, ‘খাল খনন প্রকল্পের ডিপিপি (উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনা) রিভাইজড হয়েছে। এতে প্রকল্পটির অনেক কাজ বাদ গেছে। ফলে প্রকল্পের কাজ কাঙ্ক্ষিতভাবে বাস্তবায়িত হয়নি।’

শ্যামপুর খাল খনন কাজ শুরু হবে জানিয়ে বলেন, ‘২৯টি খাল আছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে। প্রবাহ খালগুলো অগ্রাধিকার দিয়ে খনন করা হবে। খালের সীমানা নির্ধারণ করা আছে। কেউ খালের মধ্যে টয়লেটের লাইন করতে পারবে না। সব সিলগালা করবো। খালে টয়লেটের লাইন থাকতে পারবে না।’

ঢাকা ওয়াসা থেকে জানা যায়, রাজধানীর ৮০ শতাংশের বেশি এলাকায় পয়ঃবর্জ্য নিষ্কাশন ব্যবস্থার বাইরে। ২০ শতাংশ এলাকায় ওয়াসার পয়োঃনালা আবার বেশি অকেজো। ওয়াসার বিদ্যমান পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা পুরো ভেঙে পড়েছে। ঢাকা মহানগরী এলাকায় ৩ হাজার ৫শ কিলোমিটারেরও বেশি পানি সরবরাহের লাইন রয়েছে। তবে পয়ঃনিষ্কাশনের লাইন রয়েছে মাত্র ৯৩০ কিলোমিটার এলাকায়। ফলে অধিকাংশ পয়ঃবর্জ্য কোনো না কোনো পথে খাল ও নদীতে যাচ্ছে।

ঢাকা শহরের মধ্যেই খালে সরাসরি যুক্ত টয়লেটের লাইন/ছবি: জাগো নিউজঢাকার প্রায় সব খালের অবস্থা একই/ছবি: জাগো নিউজ

পরিবেশ বিজ্ঞানীদের মতে ঢাকা ওয়াসা ও সিটি করপোরেশনের টানাপোড়েনের কারণেই মূলত ঢাকার খালে পড়ছে মানববর্জ্য।

বাসাবাড়ির মানববর্জ্য খালে পড়া প্রসঙ্গে স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশবিজ্ঞান বিভাগের ডিন আহমদ কামরুজ্জামান মজুমদার জাগো নিউজকে বলেন, ‘এটা নিয়ে সিটি করপোরেশন ও ঢাকা ওয়াসার টানাটানি রয়েছে। ভবনগুলো সিটি করপোরেশনের আওতায়। আবার পয়ঃশোধনগারের কাজ ঢাকা ওয়াসার। সিটি করপোরেশন দায়িত্ব নেওয়ার পরও কাজগুলো ঠিকঠাক করে না। মানববর্জ্য ব্যবস্থাপনায় বিজ্ঞানভিত্তিক কোনো কাজ ঢাকায় হচ্ছে না।’

মানববর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ব্লক ওয়াইজ স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট করা যায়। ১০ থেকে ১৫টি বাসা বাড়ি এর মধ্যে থাকবে। এটা বাস্তবায়নে দায়িত্ব নিতে হবে।’

এমওএস/এএসএ/এমএফএ

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।