বিদ্যুতের দাম বাড়াতে গণশুনানি চলছে
বিদ্যুতের পাইকারি, সঞ্চালন এবং খুচরা মূল্যহার পরিবর্তনের প্রস্তাবের বিষয়ে গণশুনানির আয়োজন করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।
বুধবার (২০ মে) সকালে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে এই গণশুনানির আয়োজন করা হয়।
গণশুনানিতে বিদ্যুৎ খাত সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মহল,ব্যবসায়ী প্রতিনিধি, সাংবাদিকসহ আরও অনেকে উপস্থিত আছেন।
গণশুনানিতে দাম বাড়ানোর বিষয়ে পক্ষে বিপক্ষে যুক্তি উপস্থাপন চলছে। এতে বিইআরসির চেয়ারম্যান জালাল আহমেদসহ অন্যান্য সদস্যরাও উপস্থিত রয়েছেন।
বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) জানিয়েছে, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বাবিউবো) তাদের প্রস্তাবে উল্লেখ করেছে যে বর্তমানে বিদ্যমান বাল্ক মূল্যহার প্রতি ইউনিট ৭ দশমিক ০৪ টাকা, যা ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর রয়েছে।
প্রস্তাবে বলা হয়েছে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও ক্রয় বাবদ মোট ব্যয় দাঁড়াবে ১৪ লাখ ৩১ হাজার ৮৭ কোটি টাকা। বিপরীতে বিদ্যমান বাল্ক ট্যারিফ অনুযায়ী বিতরণ সংস্থা ও কোম্পানিগুলোর কাছ থেকে আয় হবে ৭ লাখ ৭৫ হাজার ৫৩৮ কোটি টাকা।
বাবিউবোর রাজস্ব চাহিদা অনুযায়ী প্রতি কিলোওয়াট-ঘণ্টা (কি.ও.ঘ.) বিদ্যুতের গড় সরবরাহ ব্যয় ১২ দশমিক ৯১ টাকা নির্ধারণ করা হলে পাইকারি (বাল্ক) ট্যারিফে কোনো ঘাটতি থাকবে না বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে ভারিত গড় পাইকারি (বাল্ক) মূল্যহার প্রতি কি.ও.ঘ. ১ দশমিক ২০ টাকা বাড়ানো হলে ঘাটতি কমে দাঁড়াবে ১ লাখ ৩২ হাজার ৯৮১ কোটি টাকা। আর প্রতি কি.ও.ঘ. ১ দশমিক ৫০ টাকা বাড়ানো হলে ঘাটতি কমে হবে ১ লাখ ৬৬ হাজার ২২৭ কোটি টাকা।
এ পরিস্থিতি বিবেচনায় বিদ্যুতের পাইকারি (বাল্ক) মূল্যহার পুনর্নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে।
এনএস/এসএনআর