বিমানবন্দর থেকে গুলশানে আসবে কোকোর মরদেহ


প্রকাশিত: ০৬:৫০ এএম, ২৬ জানুয়ারি ২০১৫

মালয়েশিয়া এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে আগামীকাল মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টায় কোকোর মরদেহ ঢাকায় পৌঁছাবে। হযরত শাহজালাল (র.) বিমানবন্দর থেকে কোকোর মরদেহ সরাসরি গুলশান কার্যালয়ে নেয়া হবে। শোকাহত মাকে ছেলের মরদেহ দেখাতে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে গুলশানের একটি সূত্র।

জানা যায়, ‘মঙ্গলবার সাড়ে ১১টায় কোকোর মরদেহ ঢাকায় পৌঁছানোর পর বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে দেখানোর জন্য সরাসরি গুলশান কর্যালয়ে আনা হবে। বিকেলে নয়াপল্টনে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর তাকে বনানীর কবরস্থানে দাফন করা হতে পারে।

এদিকে আরাফাত রহমান কোকোর মরদেহ আনতে মালয়েশিয়া গেছেন তার ছোট মামা শামীম এস্কান্দারসহ তিনজন।

প্রমঙ্গত, বাংলাদেশ সময় শনিবার দুপুর ১২টার দিকে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকো। মালয়েশিয়ার বাসায় অবস্থানকালে হৃদরোগে আক্রান্ত হন তিনি। তাকে ইউনিভার্সিটি অব মালায়া হাসপাতালে নেয়ার পথেই মারা যান তিনি।

রোববার বাদ জোহর দেশটির জাতীয় মসজিদ নিগারায় তার প্রথম নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় মালয়েশিয়া বিএনপির নেতৃবৃন্দসহ প্রবাসী বাংলাদেশিরাও অংশ নেন। জানাজার পর কোকোর মরদেহ ইউনিভার্সিটি মালয়া মেডিকেল সেন্টারের হিমঘরে রাখা হয়েছে।

কোকোর বয়স হয়েছিল ৪৫ বছর। তিনি দুই মেয়ের বাবা ছিলেন।  দেশ ছাড়ার পর স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে কুয়ালালামপুরের একটি বাড়িতে ভাড়া থাকতেন তিনি।

২০০৭ সালে ওয়ান-ইলেভেনের সময় গ্রেপ্তার হন আরাফাত রহমান কোকো। তবে ২০০৮ সালের ১৭ জুলাই তৎকালীন সেনা নিয়ন্ত্রিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের নির্বাহী আদেশে মুক্তি পাওয়ার পর চিকিৎসার জন্য থাইল্যান্ড যান তিনি। এরপর দেশে না ফিরে মালয়েশিয়ায় পাড়ি জমান তিনি।

এমএম/এআরএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।