সুজনের গোলটেবিল বৈঠক

কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ নয়, স্বশাসিত স্থানীয় সরকার চায় নাগরিক সমাজ

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৪:৩৭ পিএম, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘স্থানীয় সরকার বিষয়ে সরকারের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্ত : সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা, আদালতের রায় ও জনপ্রত্যাশা’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠক, ছবি: সংগৃহীত

স্থানীয় সরকারব্যবস্থায় কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কমিয়ে স্বশাসন নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা। তাদের মতে, স্থানীয় সরকারকে কার্যকর ও শক্তিশালী করতে দ্রুত নির্বাচন আয়োজন, প্রয়োজনীয় আইনি সংস্কার এবং রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বন্ধ করা জরুরি।

বুধবার (২৯ এপ্রিল) জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘স্থানীয় সরকার বিষয়ে সরকারের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্ত : সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা, আদালতের রায় ও জনপ্রত্যাশা’ শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠকে এ দাবি উঠে আসে। সভার আয়োজন করে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)।

অনুষ্ঠানে আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কবি, প্রাবন্ধিক ও চর্চা ডটকমের সম্পাদক সোহরাব হাসান, নাগরিক কোয়ালিশনের সহ-সমন্বয়ক ফাহিম মাশরুর, কবি লিলি হক প্রমুখ। সঞ্চালনা করেন সুজন এর কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী দিলীপ কুমার সরকার।

সুজনের সম্পাদক বলেন, সরকার সম্প্রতি সংসদ সদস্যদের উপজেলা পরিষদ ভবনে ‘বসার জায়গা’ করে দেওয়ার জন্য একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। এর ফলে সংবিধানে নির্দেশিত সংসদ সদস্যদের আইন প্রণয়নের ক্ষমতার বাইরে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে হস্তক্ষেপের সুযোগ তৈরি হবে।

এছাড়া সাংবিধানিক ও আইনি বাধ্যবাধকতা এবং সরকারি দলের অঙ্গীকারের প্রতি সম্মান দেখিয়ে সরকার দ্রুত নির্বাচনের ব্যবস্থা না করে সিটি করপোরেশন ও জেলা পরিষদে দলীয় প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে। অন্যদিকে, স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে কার্যকর ও শক্তিশালী করার জন্য সংস্কার কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নের ব্যাপারে কার্যকর উদ্যোগ পরিলক্ষিত হচ্ছে না- বলেন সুজন সম্পাদক।

স্থানীয় সরকারের সংজ্ঞা, বৈশিষ্ট্য ও নীতিগত ভিত্তি তুলে ধরে ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, আমাদের সংবিধানে স্থানীয় সরকারের কোনো সংজ্ঞা নেই। তবে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিখ্যাত কুদরত-ই-এলাহী পনির বনাম বাংলাদেশ [৪৪ ডিএলআর(এডি)(১৯৯২)] মামলার রায় অনুযায়ী, স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার উদ্দেশ্য হলো স্থানীয়ভাবে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে স্থানীয় সমস্যার সমাধান। অর্থাৎ স্থানীয় পর্যায়ে জনগণের ‘সেলফ গভর্নমেন্ট’ বা স্ব-শাসন প্রতিষ্ঠা। কারণ, মানুষ যেসব সমস্যার প্রতিনিয়ত সম্মুখীন হয় তার প্রায় সবগুলোই স্থানীয়।

শক্তিশালী ও কার্যকর স্থানীয় সরকারের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, স্থানীয় সরকারের মাধ্যমে গণতন্ত্রের ভিত মজবুত, সুশাসন প্রতিষ্ঠার পথ সুগম এবং আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হওয়ার সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়। সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা সম্ভবপর হয়। এছাড়াও এর মাধ্যমে সর্বস্তরে নেতৃত্ব বিকাশের সুযোগ সৃষ্টি হয়।

তিনি বলেন, শক্তিশালী স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাই ক্ষমতা, দায়-দায়িত্ব ও সম্পদ বিকেন্দ্রীকরণের যথার্থ মাধ্যম। সর্বস্তরে নির্বাচিত স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের অভাবে আমাদের দেশে বিকেন্দ্রীকরণের পরিবর্তে অতীতে সবকিছুই কেন্দ্রীভূত হয়েছে। আর কেন্দ্রীভূত শাসন ব্যবস্থাই অপচয়, অদক্ষতা ও দুর্নীতির জন্ম দেয়।

স্থানীয় সরকারের সাংবিধানিক ভিত্তি তুলে ধরে বদিউল আলম মজুমদার বলেন, স্থানীয় সরকারের গুরুত্ব অনুধাবন করে আমাদের প্রাজ্ঞ সংবিধান প্রণেতাগণ বাংলাদেশের সংবিধানে এ সম্পর্কে ৪টি অনুচ্ছেদ- ৯, ১১, ৫৯, ৬০ অন্তর্ভুক্ত করেছেন। অনুচ্ছেদ ১১- তে প্রশাসনের সব পর্যায়ে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। সংবিধানের ৫৯ অনুচ্ছেদে অনুযায়ী স্থানীয় সরকারও কেন্দ্রীয় সরকারের সমান্তরাল একটি স্বায়ত্তশাসিত সরকার।

স্থানীয় সরকারের বিদ্যমান সমস্যা, আইনগত অসংগতি ও আদালতের রায় ইত্যাদি বিষয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশে স্থানীয় সরকার সংক্রান্ত বিদ্যমান আইনসমূহে বহু অসংগতি ও কাঠামোগত দুর্বলতা বিদ্যমান এবং অনেকক্ষেত্রে এ সংক্রান্ত আইনগুলো পরস্পর অসামঞ্জস্যপূর্ণ এবং অনেকাংশে সেকেলে। সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভার আইন দুটি মোটামুটি সচল থাকলেও গ্রামীণ স্থানীয় সরকার অর্থাৎ জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও ইউনিয়ন পরিষদের আইনে গুরুতর সমস্যা রয়েছে।

অন্যদিকে, বিদ্যমান আইনে সংসদ সদস্যদের উপজেলা পরিষদের উপদেষ্টা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যা স্থানীয় সরকারের স্বায়ত্তশাসনের ধারণার পরিপন্থি। একই সঙ্গে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) প্রধান নির্বাহী হিসেবে পদায়ন করায় প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক নেতৃত্বের মধ্যে দ্বৈত কর্তৃত্বের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। আরেকটি বিষয় হলো, বিদ্যমান আইনে স্থানীয় সরকার প্রতিনিধিদেরকে সরকারি কর্মকর্তা কর্তৃক বরখাস্তের বিধান রয়েছে, যা রাজনৈতিক প্রতিহিংসার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের আশঙ্কা প্রবল- বলেন সুজন সম্পাদক।

বদিউল আলম মজুমদার বিগত সময়ে স্থানীয় সরকারের সংস্কারে গঠিত বিভিন্ন কমিটি ও কমিশনের সুপারিশ তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বিএনপি সরকার স্থানীয় সরকারের বিষয়ে এমন কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছে যা স্থানীয় সরকার কার্যকর ও শক্তিশালীকরণ হওয়ার ক্ষেত্রে বাধা হয়ে দাঁড়াবে। তাই এগুলোর অধিকতর পর্যালোচনা এবং সরকারের এসব সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার দাবি রাখে। এর মধ্যে অন্যতম হলো ১১টি সিটি করপোরেশনে এবং ৪২টি জেলা পরিষদে দলীয় প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া, যা সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৫৯-এর লঙ্ঘন এবং উচ্চ আদালতের নির্দেশনার পরিপন্থি। তাছাড়া এর মাধ্যমে ক্ষমতাসীন বিএনপি তার বহু আলোচিত ‘রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের রূপরেখা ৩১ দফাও উপেক্ষা করেছে।

তিনি বলেন, উপজেলা পরিষদে সংসদ সদস্যদের ‘বসার জায়গা’ করে দেওয়ার ব্যাপারে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। এটি একটি ভয়ানক সিদ্ধান্ত, যার মাধ্যমে আমাদের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাই ধ্বংস হয়ে যাবে বলে আমাদের আশঙ্কা। কারণ এর মাধ্যমে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা পুরোপুরি সংসদ সদস্যদের নিয়ন্ত্রণে চলে যাবে। উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের সম্ভাবনা ক্ষীণ হয়ে পড়বে। এমনকি ১৯৯১ সালের মতো উপজেলা পরিষদ বাতিল হওয়ার আশঙ্কাও দেখা দিবে। সর্বোপরি, অতীতের ন্যায় স্থানীয় পর্যায়ে ‘এমপি রাজ’ সৃষ্টির সুযোগ তৈরি হবে।

এই সিদ্ধান্ত নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান পরিচালনা সংক্রান্ত সংবিধানের ৫৯(১) অনুচ্ছেদ ও আমাদের উচ্চ আদালতের রায়েরও পরিপন্থি। একইসঙ্গে বিএনপির বহু আলোচিত ৩১ দফার এবং ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে প্রকাশিত বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহারের সঙ্গেও সাংঘর্ষিক- বলেন বদিউল আলম মজুমদার।

তিনি বলেন, অবিলম্বে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজন এবং নির্বাচিত প্রতিনিধিদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করা জরুরি। এই প্রেক্ষাপটে ২০২৪ সালে গঠিত ‘স্থানীয় সরকার সংস্কার কমিশন’ এবং ২০০৭ সালে গঠিত ‘স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান গতিশীল ও শক্তিশালীকরণ কমিটি’র সুপারিশমালা অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো- এক. একীভূত আইনি কাঠামো তৈরি, দুই. কাঠামোগত সংস্কার করা, তিন. নির্বাচন পদ্ধতি পরিবর্তন করা, চার. নারী প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা, পাঁচ. ওয়ার্ড সভাকে কার্যকর করা, ছয়. যোগ্যতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা, সাত. আর্থিক সক্ষমতা তৈরি, আট. জনবল কাঠামো তৈরি বৃদ্ধি, নয়. স্থানীয় সরকার কমিশন গঠন করা, দশ. স্বাস্থ্য, পানি ও স্যানিটেশন ব্যবস্থা নিশ্চিত করা, ১১. প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্তি, ১২. মনিটরিং ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা, ১৩. বিচার বিভাগীয় বিকেন্দ্রীকরণ, ১৪. নগর স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করা।

সোহরাব হাসান বলেন, আমাদের বেশিরভাগ এমপিই এলাকায় থাকেন না। এরকম অনাবাসিক জনপ্রতিনিধি রেখে স্থানীয় উন্নয়ন হতে পারে না। আমি মনে করি, স্থানীয় সরকার আমাদের সংবিধানে থাকলেও আমাদের মননে থাকে না। আগে ইউনিয়ন পরিষদে জনশুনানি হতো, যার মাধ্যমে একটা জবাবদিহি তৈরি হতো। কিন্তু যখনই দলীয় প্রতীকে স্থানীয় নির্বাচন আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো, তখন তা আর কার্যকর থাকল না।

তিনি বলেন, আমরা স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালী করতে চাই, কিন্তু কর দিতে চাই না। আমরা যদি নিজেরা দায়িত্বশীল না হই, তাহলে স্থানীয় সরকার শক্তিশালী হবে না।

তিনি আরও বলেন, সাধারণত ক্ষমতাসীন দলের মহাসচিব বা সাধারণ সম্পাদক এলজিআরডি মন্ত্রী হন। এর মাধ্যমে দল ও সরকারের একটা যোগসূত্র তৈরি করা হয়। অর্থাৎ আমাদেরকে সবসময় দলীয় ব্যবস্থার অধীনেই থাকতে হয়।

সোহরাব হাসান বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নিজ এলাকায় এমপিদের কার্যালয় রয়েছে, গাড়ি রয়েছে। কিন্তু আমাদের এখানে একই ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হলে এমপিরা যাতে কোনোভাবেই স্থানীয় সরকারে হস্তক্ষেপ করতে না পারেন তা নিশ্চিত করতে হবে। উপজেলা পরিষদে এমপিদের বসার জায়গা দেওয়া যাবে না। ইতোমধ্যে এ সংক্রান্ত যে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে আমরা তা প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছি।

ফাহিম মাশরুর বলেন, -সিভিল সোসাইটি আলোচনায় স্থানীয় সরকার নিয়ে আলাপ কম। সংবিধান স্থানীয় সরকার নিয়ে সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দিয়েছে। আমরা আশা করেছিলাম অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে স্থানীয় সরকারের সংস্কারে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে এবং এ সংক্রান্ত সুপারিশগুলো জুলাই সনদে অন্তর্ভুক্ত হবে। কিন্তু তা না হওয়ায় আমরা নাগরিকরা হতাশ।

তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার বিষয়ে সরকার গত দু মাসে যেসব পদক্ষেপ নিয়েছে তা আমাদের সন্দিহান করেছে আসলে সরকার কতটুকু ক্ষমতায়ন চায়। সরকার বলেছিল এক বছরের মধ্যে নির্বাচন আয়োজন করবে। কিন্তু সুনির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণা করছে না। তাই নির্বাচনগুলো কখন হবে তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। সংসদে বিভিন্ন বিষয়ে আলাপ হলেও স্থানীয় সরকার বিষয়ে খুব বেশি আলাপ হচ্ছে না।

তিনি আরও বলেন, আমাদের নির্বাচন পদ্ধতি নিয়েও আলাপ হওয়া দরকার। কারণ যতক্ষণ এফপিটিপি নির্বাচন পদ্ধতি থাকবে, ততদিন পর্যন্ত আমরা স্থানীয় সরকারকে ক্ষমতা দিতে পারবো না, এমপিদের প্রাধান্য থেকে যাবে। তাই সংসদের নিম্নকক্ষে আংশিকভাবে পিআর পদ্ধতি চালু করা যেতে পারে, যাতে আমাদের এমপিরা শুধু আইন প্রণয়নে কার্যক্রমে নিজেদের সীমিত রাখেন।’ তাই সাংবিধানিক কাঠামোগত সংস্কার নিয়েও আলাপ হওয়া দরকার।  

দিলীপ কুমার সরকার বলেন, আমাদের সংসদ সদস্যদের মূল কাজ হওয়া উচিত আইন প্রণয়ন, নীতি-নির্ধারণ করা এবং সংসদের স্থায়ী কমিটিগুলোর মধ্য দিয়ে নির্বাহী বিভাগ ও মন্ত্রণালয়গুলোকে জবাবদিহিতার আওতায় আনা। অন্যদিকে সংবিধানের ৫৯ অনুচ্ছেদে স্থানীয় উন্নয়নের জন্য শক্তিশালী ও কার্যকর স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার কথা হয়েছে। তাই স্থানীয় সরকারের কাজে সংসদ সদস্যরা হস্তক্ষেপ করলে স্থানীয় সরকার আরও দুর্বল হবে এবং আমাদের উন্নয়নের গতি স্থবির হয়ে পড়বে।

তিনি বলেন, আমরা আশা করি, বর্তমান সরকার অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে গঠিত ‘স্থানীয় সরকার সংস্কার কমিশনের সুপারিশগুলো বাস্তবায়নে উদ্যোগ নেবে এবং জন-আকাঙ্ক্ষার আলোকে স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালী, কার্যকর ও স্ব-শাসিত করার জন্য প্রয়োজনীয় সম্পদ ও জনবল দেবে।

এমএএস/এমএএইচ/

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।