সহিংসতা সত্ত্বেও বেশি প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে


প্রকাশিত: ১২:৫১ পিএম, ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৫

সাম্প্রতিক সময়ের হরতাল, অবরোধ ও সহিংসতা সত্ত্বেও বর্তমান অর্থবছরে বেশি প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। মঙ্গলবার সংসদে সরকারি দলের সদস্য মো. মামুনুর রশীদ কিরনের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

তিনি আরো বলেন, বর্তমান অর্থবছরের প্রথম ৬ মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর) তৈরি পোশাক রফতানি পূর্ববর্তী অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় প্রবৃদ্ধি হয়েছে শতকরা শূন্য দশমিক ৭৭ ভাগ। সাম্প্রতিক সময়ের হরতাল, অবরোধ ও সহিংসতার মধ্যেও তৈরি পোশাকের কাঁচামাল সরবরাহ, উৎপাদন ও রফতানি সচল রয়েছে। তৈরি পোশাক পণ্য রফতানি ইতিবাচক।

মামুনুর রশীদ কিরণের অপর এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তোফায়েল আহমেদ বলেন, আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড ও বায়ারদের আস্থা বৃদ্ধি পাওয়ায় তৈরি পোশাক শিল্পে রফতানি বেড়েছে।

সরকারি দলের সদস্য আবদুল মতিন খসরুর এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এককভাবে বাংলাদেশের রফতানির পণ্যের সবচেয়ে বড় বাজার। এখানে ৫ বিলিয়নের বেশী পণ্য রফতানি করা হয়। আর পুরো ইউরোপীয় ইউনিয়নে রফতানি হয় ১৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পণ্য রফতানিকারকদের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ শুল্ক প্রদানকারী দেশ। গত ৫ বছরে বাংলাদেশ ৩ দশমিক ৪১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার শুল্ক দিয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইচ্ছা করলেও এখন পণ্য রফতানিতে জেএসপি সুবিধা দিতে পারবে না। কারণ জেএসপি সুবিধা দেয়ার মেয়াদ ২০১৩ সালেই শেষ হয়েছে। মার্কিন কংগ্রেস যদি আবারও রিনিউ করে, তবে তারা জেএসপি সুবিধা দিতে পারে। কারণ জেএসপি সুবিধা দেয়ার জন্য তারা যে ১৬টি শর্ত দিয়েছিল, তার অধিকাংশই পূরণ করা হয়েছে।

স্বতন্ত্র সদস্য হাজী মোহাম্মদ সেলিমের অপর এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, চলমান হরতাল ও অবরোধে তৈরি পোশাক শিল্পের রফতানিতে কোন প্রভাব পড়েনি। তবে এ খাতে ব্যবসায়ীদের রফতানি খরচ কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। সাপ্লাই চেইন বাধাগ্রস্ত হয়নি। এ বছরে তৈরি পোশাক খাতে রফতানির টার্গেট ২৭ বিলিয়ন ডলার পূরণ করা সম্ভব হবে। গত বছর এ টার্গেট ছিল ২৫ বিলিয়ন ডলার।

আরএস/পিআর

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।