বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে


প্রকাশিত: ০৩:০৯ পিএম, ১৫ মার্চ ২০১৫

বঙ্গবন্ধুর ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় জাতি গঠনে এবং জঙ্গিবাদসহ সকল প্রকার অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রোববার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ‘বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ : কেন বিশ্বের শ্রেষ্ঠ ভাষণের একটি’ শীর্ষক এক সেমিনারে ভাষণে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, এই ভাষণ (বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ) জাতিকে সবসময়ে নতুন করে শক্তি যুগিয়ে আসছে এবং বিশ্বের সকল স্বাধীনতাকামী মানুষকে অনুপ্রেরণা দিয়ে আসছে। আমরা যখন এই ভাষণ শুনি তখন এর প্রতিটি শব্দ ও ভাষা আমাদেরকে জাতীয় স্বার্থে নিজেদেরকে উৎসর্গ করার প্রেরণা যোগায়।

শেখ হাসিনা বলেন, বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর দীর্ঘ একুশ বছর এই ভাষণ নিষিদ্ধ ছিল। স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তি এখনও সক্রিয় রয়েছে। তারা এই ভাষণকে ভয় পায়। কারণ এতে জনগণের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক মুক্তির কথা বলা হয়েছে। আগামী প্রজন্ম স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে এই ভাষণ থেকে প্রেরণা পাবে। অতীতে কেউ বাঙালিকে দাবিয়ে রাখতে পারেনি এবং ভবিষ্যতেও পারবে না।

সেমিনারের শুরুতে দর্শকদের পিনপতন নীরবতার মধ্যে ১৯৭১ সালে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে দেয়া বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণ শোনানো হয়। এ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ এবং তার জীবন ও কর্মের ওপর বাংলা একাডেমি ও বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্ট প্রকাশিত দুটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করেন।

বাংলা একাডেমি প্রকাশিত বইটির নাম হচ্ছে- ‘বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ : বহুমাত্রিক বিশ্লেষণ’ এবং বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্ট প্রকাশিত বইটির নাম হচ্ছে- ‘পয়েট অব পলিটিকস’।

বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্ট আয়োজিত এই সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক হারুন-অর-রশিদ। এছাড়া আলোচনায় অংশ নেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক মেজবাহ কামাল এবং ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য ড. এম শাহিনুর রহমান, সাবেক মন্ত্রী ডা. দীপু মনি, বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক শামসুজ্জামান খান এবং সংসদ সদস্য নাজমুল হাসান পাপন।

আরএস/পিআর

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।