কারাগারে মাদক পাচার ঠেকাতে কেনা হচ্ছে বডি স্ক্যানার


প্রকাশিত: ১০:০৫ এএম, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৭

কেন্দ্রীয় কারাগারসহ দেশের ৬৮ কারাগারে সাত হাজারেরও বেশি মাদকাসক্ত বন্দি রয়েছে। ইয়াবা, হেরোইন, গাঁজা, চরস, ঘুমের বড়িসহ বিভিন্ন মাদকে আসক্ত এসব বন্দি অভিনব উপায়ে কারা অভ্যন্তরে মাদক পাচার করছে! খোদ কারা অধিদফতরের মহাপরিদর্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইফতেখার উদ্দিন কারা অভ্যন্তরে নানা অপকৌশলে মাদক পাচারের কথা স্বীকার করেন।

তিনি জানান, সম্প্রতি এক বন্দির সঙ্গে দেখা করতে এসে তার পরিবার কারা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে নারকেলের পুলি পিঠা পাঠায়। সন্দেহবশত পরীক্ষা-নিরীক্ষার সময় পুলি পিঠার ভেতরে দেয়া নারকেলের মধ্যে ইয়াবা পাওয়া যায়। শুধু তাই নয়, পলিথিনের ভেতর গাঁজা ও হেরোইন পোটলা করে তা গিলে ফেলে লুকিয়ে নিয়ে আসার মতো ঘটনাও ধরা পড়েছে।  

বৃহস্পতিবার কারা সদর দফতরে আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি থেকে সপ্তাহব্যাপী কারা সেবা সপ্তাহ উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে গণমাধ্যম কর্মীদের প্রশ্নের জবাবে কারা অধিদফতরের মহাপরিদর্শক এসব তথ্য জানান। তিনি জানান, বন্দিরা যেন লুকিয়ে মাদকদ্রব্য কারাগারে আনতে না পারে তা ঠেকাতে বডি স্ক্যান মেশিন কেনার পরিকল্পনা চলছে। উন্নত প্রযুক্তির একেকটি বডি স্ক্যান মেশিনের দাম ১ কোটি ৯০ লাখ টাকা। যখন এ মেশিনটি কেনার প্রস্তাবনা পাঠানো হয় তখন সেটির দাম ছিল ১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা কিন্তু বর্তমানে ১ কোটি ৯০ লাখ টাকা দাম হওয়ায় পুনরায় প্রস্তাবনাটি পাঠাতে হবে বলে তিনি জানান।

এছাড়া ঢাকা ও চট্টগ্রাম জেলার বিভিন্ন কারাগারের জন্য লাগেজ স্ক্যান মেশিন কেনার প্রক্রিয়া চলছে। ইতোমধ্যেই দুটি মেশিন কেনা একেবারে চূড়ান্ত। এর একটি গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার ও অপরটি কেরানীগঞ্জের জেলখানায় লাগানো হবে।  

এমইউ/ওআর/পিআর

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।