মালয়েশিয়ায় জনপ্রিয়তা পাচ্ছে বাংলাদেশি কারী শিল্প
প্রবাসী বাংলাদেশিদের প্রচেষ্টায় বৃটেনের পর এবার মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে কারী শিল্পের দ্বার উন্মোচন হতে চলেছে। যেখানে বিশ্বের প্রতিটি দেশের পর্যটকদের বিচরণ। মালয়েশিয়ান, থাই, চীনা, পাকিস্তানি, ইন্ডিয়ান, ইন্দোনেশিয়ান খাবারের চেয়ে পর্যটকদের কাছে বাংলাদেশি খাবারের কদর বেড়ে চলেছে।
পর্যটন নগরী মালয়েশিয়ায় এ ব্যবসার প্রসার ঘটাতে দূতাবাসের সার্বিক সহযোগিতার আশা ব্যক্ত করেন প্রবাসীরা। মালয়েশিয়ার সর্বত্র ছড়িয়ে থাকা প্রবাসীরা কারী ব্যবসায় জড়িয়ে পড়েছেন। তাদের উদ্দেশ্য শুধু ব্যবসা নয় বাংলাদেশি কারী শিল্পকে বিশ্বের দরবারে তুলে ধরা। অনেকে এ উদ্যোগটি গ্রহণ করেছেন পর্যবেক্ষণ করে। আবার অনেকে লাভজনক মনে করে নেমে পড়েছেন এ ব্যবসায়।
প্রবাসীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ১৯৯৬ সাল থেকে গুটি কয়েক প্রবাসী এ ব্যবসার উদ্যোগ হাতে নেন। সফলও হয়েছেন তারা। ১৯৯৭ সাল থেকে ক্ল্যাং, মালাক্কা, জুহুরবারু, সোবাং, কোতারায়া, বুকিত বিনতাং এ প্রায় দুই শতাধিক বাংলাদেশির রেস্তোঁরা গড়ে উঠেছে। শুধু তাই নয় এ ব্যবসার প্রতি দিন দিন আগ্রহ বেড়েই চলেছে। গড়ে উঠছে বাহারি নামের রেস্তোঁরা।
গত ১৯ এপ্রিল বুকিত বিনতাং জালান ইমবিতে মেঘনা পার্ক রেস্টুরেন্টের ফিতা কেটে উদ্বোধন করেন মেঘনা পার্কের মালিক আতিকুল ইসলাম শিমুল। এসময় উপস্থিত ছিলেন ব্যবসায়ী সালাহ উদ্দিন, মি.সু, জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন মালয়েশিয়ার সভাপতি সোনাহর খান, সজীব খান, হাইরুল, মৌরশ আলী, আনোয়ার হোসেন সেলিম, সাজ্জাদ শিমুল প্রমুখ।
শিমুল বলেন, মালয়েশিয়ায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পর্যটকদের সমাগম। বাংলাদেশের কারী শিল্পের প্রসার ঘটাতেই এ ব্যবসায় নেমেছেন তারা। এ ব্যবসায় সফল হবেন বলেও শিমুল আশাবাদী।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেক ব্যবসায়ী বললেন, ব্যবসা তো করতেছি কিন্তু, আমাদের দূতাবাসের কর্তাদের কাছ থেকে কোনো সহযোগিতা পাচ্ছিনা। এ শিল্পকে বিশ্বের দরবারে পরিচিতি করতে হলে প্রশাসনিক সহযোগিতা প্রয়োজন।
এসএস/এমএএস/আরআই