সিটি নির্বাচন: ২৬ এপ্রিল থেকে সেনা মোতায়েন
আসন্ন তিন সিটি করপোরেশন নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ২৬ এপ্রিল থেকে সেনা মোতায়েন করা হবে। ২৯ এপ্রিল পর্যন্ত ওইসব এলাকায় মাঠে থাকবে সেনাবাহিনী। তবে অন্যান্যবারের মতো ভোট কেন্দ্রে প্রবেশ না করে রিজার্ভ ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করবেন।
মঙ্গলবার বিকেলে নির্বাচন কমিশানর মো. শাহনেওয়াজ সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। নিজ কার্যালয়ে এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আপনারা জানেন ২৮ তারিখের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আমরা ১৯ তারিখে আইন-শৃঙ্খলা ও গোয়েন্দা বাহিনীর সঙ্গে বৈঠক করেছি। সেখানে সেনাবাহিনীরও প্রতিনিধি ছিলেন। আমরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছ থেকে যা খবর পেয়েছি তাতে পরিবেশ অত্যন্ত ভালো। আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে কোনো সমস্যা নাই। তারপরও আমরা নির্বাচনকে সুষ্ঠু, সুন্দর ও গ্রহণযোগ্য করার জন্য এবং জনমনে যাতে কোনো ভীতি না থাকে, ভোটাররা যাতে সুন্দরভাবে নির্বিঘ্নে, নিশ্চিতে ভোট দিতে পারেন সেজন্য আমরা সেনাবাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এ বাহিনী নির্বাচনের আগের দুইদিন ও পরের দিন অর্থাৎ ২৬ থেকে ২৯ এপ্রিল পর্যন্ত মোতায়েন থাকবে বলে নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সাথে সাথে অন্যান্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাও নিবে ইসি।
তিনি বলেন, আমরা সেনাবাহিনীকে রিজার্ভ ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেব ব্যবহার করব। যতোই দরকার হবে, রিটার্নিং কর্মকর্তা যখন চাইবেন তাতে সাড়া দিয়ে চলে আসবেন তারা।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, কোনো নির্বাচনেই সেনাবাহিনীকে ভোটকেন্দ্রের ভেতরে ডিউটি দেওয়া হয় না। এবারও দেওয়া হবে না। মূলত তারা রিজার্ভ ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করবেন।
সংখ্যার পরমান কী হবে এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটা আলোচনা করে আমরা সিদ্ধান্ত নেব। সংখ্যা কোনো সমস্যা নয়। কখন দরকার, কতোটুকু দরকার সেভাবেই আমরা নিতে পারব। তাদের সঙ্গে সবসময় ম্যাজিস্ট্রেট থাকবেন। ম্যাজিস্ট্রেট যখন তা করা দরকার করবেন।
নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী সব প্রার্থীদের সমান সুযোগ নেই- এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সবার জন্য সমান সুযোগ তৈরি করা হয়েছে এই বিশ্বাসটুকু আমরা রাখি। নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে হবে। ভোটাররা সুন্দরভাবে ভোট দিতে পারবেন এ ব্যবস্থায় আমরা করছি।
#সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত ইসির
এইচএস/বিএ/আরআইপি