হাসিনা-মোদির বৈঠকে ইলিশ!


প্রকাশিত: ০৭:৫৮ এএম, ২৫ মে ২০১৫
ফাইল ছবি

জুনে বাংলাদেশ সফরে আসছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মোদির সফরের জন্য বাংলাদেশ সরকার ও জনগণ অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে। এ সফর দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। দুই দেশের সরকারই বর্তমানে এই ঐতিহাসিক সফরের এজেন্ডা চিহ্নিত করা এবং চূড়ান্ত করার কাজ করছে।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে ভারতে ইলিশ রফতানির বিষয়ে আলোচনা হতে পারে বলে একটি বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে। খবর বর্তমান পত্রিকার।

খবরে বলা হয়, যেহেতু মোদির সফরসঙ্গী হিসেবে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জিরও থাকার কথা রয়েছে, সেহেতু বাংলাদেশের থেকে ইলিশ রফতানির বিষয়টি নিয়ে অবশ্যই আলোচনা হবে। আর এ বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যে কলকাতায় শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা।

প্রায় তিন বছর আগে জারি হওয়া ওই রফতানি নিষেধাজ্ঞা ওঠা নিয়ে এখন নতুন আশায় বুক বেধে আছে কলকাতার মাছ আমদানিকারক ব্যবসায়ী মহলও। বাংলাদেশি ইলিশ আবার যাওয়া শুরু করলে অন্য মাছেরও বাজারদর কমবে বলে জানিয়েছেন সেখানকার ব্যবসায়ীরা।

আর এ রফতানি প্রক্রিয়া আবার শুরু করার ব্যাপারে উদ্যোগী হতে কয়েক মাস আগে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজকেও চিঠি দিয়েছিল পশ্চিমবঙ্গের মাছ আমদানিকারক সমিতি। গত ফেব্রুয়ারিতে মমতার ঢাকা সফরের আগে তাকেও চিঠি দিয়েছিল সংগঠনটি।

সমিতির সভাপতি অতুলচন্দ্র দাস জানান, ইলিশের ব্যাপারে আবার তারা ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে চিঠি দিচ্ছেন। যদিও সংগঠনের কাছে খবর এসেছে, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠকের আলোচ্যসূচিতে ইলিশও থাকছে।

উল্লেখ্য, সফরে বাংলাদেশ ও ভারতের অভিন্ন বন সুন্দরবনের সংরক্ষণের বিষয়ে আলোচনা হবে বলে একটি সূত্রে জানা গেছে। এছাড়া রেল, সড়ক ও নদীপথের মাধ্যমে বাণিজ্য বাড়ানোর সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি, ভারত থেকে বাড়তি ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি, মেঘালয় এবং ত্রিপুরায় সাতটি সীমান্ত হাট, সীমান্তে বাণিজ্য সুগম করার জন্য আরো ১০টি শুল্ক স্টেশন তৈরির কথাও ঘোষণা হতে পারে মোদির সফরে।

জেআর/বিএ/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।