আইন হলো প্রতিরক্ষা খাতের দুই অধ্যাদেশ


প্রকাশিত: ১২:৫৩ পিএম, ২৫ মে ২০১৫

রাষ্ট্রপতিকে প্রতিরক্ষা বাহিনীর সর্বাধিনায়কের দায়িত্ব দেয়াসহ সামরিক শাসনামলের দুটি অধ্যাদেশকে আইনে পরিণত করলো সরকার। সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে ‘প্রতিরক্ষা কর্ম বিভাগ (সর্বাধিনায়কতা) আইন, ২০১৫’ এবং ‘প্রতিরক্ষা কর্ম বিভাগ (আইন সংশোধন) আইন, ২০১৫’ এর খসড়া ভোটিং সাপেক্ষে চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়।

বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোশাররাফ হোসাইন ভূঁইঞা সাংবাদিকদের বলেন, সামরিক শাসনামলের অধ্যাদেশ বাতিলের জন্য সর্বোচ্চ আদালতের রায় ছিল। এর ধারাবাহিকতায় মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত ছিল অধ্যাদেশগুলো যেগুলো দরকার তা বাংলায় নিয়ে আসতে হবে এবং যদি দরকার হয় তাহলে সংশোধন বা পরিমার্জন করতে হবে।

সে অনুযায়ী প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে এ দুটি আইনের খসড়া মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন করা হয়। অধ্যাদেশ দুটি আইনে পরিণত করার ক্ষেত্রে তেমন কোনো পরিবর্তন করা হয়নি বলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান।

তিনি বলেন, ১৯৭৯ সালের ‘ডিফেন্স সার্ভিসেস সুপ্রিম কমান্ড অর্ডিন্যান্স’ বাংলা করে নতুন আইন করা হচ্ছে। ফলে এখানে কোনো পরিবর্তনের প্রয়োজন নেই।

সচিব আরো বলেন, এটা বুঝতে হলে সংবিধানের ৬১ অনুচ্ছেদ দেখতে হবে। সেখানে বলা আছে, বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা কর্ম বিভাগসমূহের সর্বাধিনায়কতা রাষ্ট্রপতির উপর ন্যস্ত থাকবে এবং আইনের দ্বারা তা পুরোপুরি নিয়ন্ত্রিত হবে। রাষ্ট্রপতি এ আইনের মাধ্যমে প্রতিরক্ষা বাহিনীকে নিয়ন্ত্রণ করেন। রাষ্ট্রপতির সাধারণ নির্দেশনা সাপেক্ষে প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রধানরা তাদের অধীন বাহিনীর উপর ক্ষমতা প্রয়োগ করবেন।

মোশাররাফ হোসাইন জানান, ১৯৭৮ সালের ‘ডিফেন্স সর্ভিসেস ল’ (অ্যামেন্ডমেন্ট) অর্ডিনেন্স-’ এর বদলে ‘প্রতিরক্ষা কর্ম বিভাগ (আইন সংশোধন) আইন’ করা হচ্ছে। এছাড়া সোমবারের সভায় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর ওমান সফর সম্পর্কে সবাইকে অবহিত করা হয়।

এসএ/এসকেডি/আরএস/পিআর

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।