সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের সঙ্গে বৈঠকে বসেছে ইসি

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৯:৫৭ এএম, ২৪ আগস্ট ২০১৭

সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের সঙ্গে বৈঠকে বসেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে বৃহস্পতিবার বেলা ৩টায় এ বৈঠক শুরু হয়।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা বৈঠকে সভাপতিত্ব করছেন। উপস্থিত রয়েছেন অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার, ইসির ভারপ্রাপ্ত সচিব ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের পক্ষে রয়েছেন সংগঠন প্রধান আবু লায়েস মন্নাসহ ১২ সদস্যের প্রতিনিধি দল।

সুশীল সমাজ ও সাংবাদিক প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকের পর এ বৈঠক হচ্ছে। রোডম্যাপ অনুযায়ী আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে অংশীজনদের সঙ্গে বৈঠক শুরু করেছে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানটি।

বৃহস্পতিবার সকালে বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট পার্টির (বিএনএফ) সংলাপের কথা থাকলেও তারা অংশ নিতে পারছে না। তবে সংলাপের জন্য পরবর্তীতে সময় চেয়ে আবেদন করেছে দলটি।

muktigot

জানা যায়, ২৮ আগস্ট বেলা ১১টায় বাংলাদেশ মুসলিম লীগ-বিএমএল ও বেলা ৩টায় খেলাফত মজলিশ, ৩০ আগস্ট বেলা ১১টায় বাংলাদেশ বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির আর বেলা ৩টায় জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপার) সঙ্গে বসবে ইসি।

১০ সেপ্টেম্বর বেলা ১১টায় বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট ও বেলা ৩টায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সঙ্গে সংলাপ হবে। আর ১২ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টায় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ও বেলা ৩টায় ইসলামী ঐক্যজোট এবং ১৪ সেপ্টেম্বর বেলা ১১টায় কল্যাণ পার্টি ও বেলা ৩টায় ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের সঙ্গে সংলাপ হবে।

গত ৩১ জুলাই সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সংলাপ শুরু করে কমিশন। পরে ১৬ ও ১৭ আগস্ট গণমাধ্যমের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সংলাপে বসে ইসি।

গণমাধ্যমের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সংলাপের পর ইসির ভারপ্রাপ্ত সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ সাংবাদিকদের জানান, রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপে নির্বাচন কমিশনের নিজস্ব ভাবনাসহ সুশীল সমাজ এবং গণমাধ্যম প্রতিনিধিদের দেয়া সুপারিশগুলোও তুলে ধরা হবে। এসবের বাইরেও দলগুলো তাদের মতামত দিতে পারবে।

জানা যায়, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে ৯টি বিষয়কে প্রাধান্য দিচ্ছে কমিশন।

এগুলোর মধ্যে রয়েছে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ-১৯৭২ যুগোপযোগী করা, অবৈধ অর্থ ও পেশিশক্তির প্রভাব, জনসংখ্যার পাশাপাশি ভোটার সংখ্যা, সংসদীয় এলাকার জনসংখ্যা, প্রশাসনিক অখণ্ডতা এবং যোগাযোগ ব্যবস্থাকে গুরুত্ব দিয়ে সংসদীয় আসনের সীমানা পুনর্নির্ধারণ, প্রয়োজনীয় আইন সংস্কার, নির্ভুল ভোটার তালিকা, ভোটকেন্দ্র স্থাপন, নতুন দলের নিবন্ধন, নিবন্ধিত দলের নিরীক্ষা ও ইসির সক্ষমতা।

এইচএস/এএইচ/জেআইএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]