মেধাসত্ত্ব রক্ষায় সহায়তা করবে সরকার : বাণিজ্যমন্ত্রী
দেশীয় পণ্যের মেধাসত্ত্ব সংরক্ষণের যেকোনো আন্দোলনে সরকার সব ধরনের সহায়তা করবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। তিনি বলেন, শিল্প, বিজ্ঞান, সঙ্গীত যে খাতই হোক না কেন, এর মেধাসত্ত্ব রক্ষা করা আমাদের সবার দায়িত্ব। সরকার এ ব্যাপরে যথেষ্ট সচেতন রয়েছে।
শনিবার রাজধানীর র্যাডিসন হোটেলে দেশের মেধাসত্ত্ব রক্ষায় জনসচেতনতামূলক ক্যাম্পেইনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
দেশের মেধাসত্ত্ব রক্ষায় ‘নকল রুখবো, চোরাচালন রুখবো, রাজস্ব বাড়াবো, দেশ গড়বো’ শ্লোগানকে সামনে রেখে ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি অ্যাসেসিয়েশন, বাংলাদেশ (আইপিএবি) দেশব্যাপি এ জনসচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন শুরু করেছে।
ক্যাম্পেইনের আনুষ্ঠানিক যাত্রা উপলক্ষে আইপিএবি এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। আইপিএবি সভাপতি সালাহউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আনিসুল হক, শিল্প সচিব মো. মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া, অভিনেত্রী শমী কায়সার প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন আইপিএবি ডিরেক্টর জেনারেল মো. আজিজুর রহমান।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, দেশীয় পণ্য যাতে অন্য দেশ নকল করে মেধাসত্ত্ব নিতে না পারে এজন্য তা রক্ষায় শিল্পী, পরিচালক ও লেখকদের একসঙ্গে কাজ করতে হবে। পণ্য নকল এবং চোরাচালানের বিরুদ্ধে দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।
মেয়র আনিসুল হক সিনেমা শিল্প ও সঙ্গীতের ক্ষেত্রে পাইরেসি প্রতিরোধে শিল্পীদের সঙ্গে আছেন বলে জানান। মেধাসত্ত্ব সংরক্ষণে তিনি শিল্পীদের সব ধরনের সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস দেন।
মূল প্রবন্ধে মো. আজিজুর রহমান বলেন, পাইরেসি, নকল এবং চোরাচালানের কারণে সরকার বছরে সাত হাজার কোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে। মেধাসত্ত্ব রক্ষা করা গেলে বাংলাদেশ ২০২১ সালের আগেই মধ্য আয়ের দেশে উন্নীত হবে।
তিনি মেধাসত্ত্ব রক্ষায় জনসচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি আইনের প্রয়োগ এবং কার্যকর নীতিমালা প্রণয়নের সুপারিশ করেন।
বিএ