যানবাহন চলাচলে থিম্পুতে চার দেশের চুক্তি আজ


প্রকাশিত: ০৬:৪০ এএম, ১৫ জুন ২০১৫

দক্ষিণ এশিয়া আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা সার্কের আওতাভুক্ত দেশ বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল ও ভুটানের মধ্যে যাত্রী ও পণ্যবাহী যানবাহন চলাচলের জন্য সোমবার দুপুরে চার দেশের রূপরেখা চুক্তি স্বাক্ষর হচ্ছে ভুটানের রাজধানী থিম্পুতে।

বাংলাদেশের পক্ষে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের চুক্তিতে স্বাক্ষর করবেন। শুক্রবার সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের নেতৃত্বে একটি দল ভুটানে গেছে।

ইতোপূর্বে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বাণিজ্য চুক্তিতে তৃতীয় দেশে চলাচলের সুযোগ রাখায় মোটরযান চুক্তি ট্রানজিট সুবিধাকে অবারিত করবে। জানা গেছে, ভবিষ্যতে পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার এই চুক্তিতে যোগদানের সম্ভাবনা রয়েছে। এই চুক্তির ফলে কানেকটিভিটিতে যুগান্তকারী পরিবর্তন সাধিত হবে।

জানা যায়, এ চুক্তির পর চলাচলের পথের সমীক্ষা, পরীক্ষামূলক চলাচল ও অভিবাসন-সুবিধা পর্যালোচনা করে আগামী বছরের শুরুতে চার দেশের মধ্যে যাত্রীবাহী ও পণ্যবাহী যান চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। চুক্তির অধীনে যাত্রীবাহী বাস, পণ্যবাহী ট্রাক-লরি ও ব্যক্তিগত ব্যবহারের গাড়ি চলতে পারবে।

খসড়া চুক্তি অনুসারে, যানবাহনের বৈধ মালিকানা, ফিটনেস ও ইনস্যুরেন্সের হালনাগাদ দলিল থাকতে হবে। চালকের স্থানীয় কিংবা আন্তর্জাতিক যে কোনো ধরনের লাইসেন্স থাকলেই চলবে। আর যাত্রীর থাকতে হবে বৈধ ভ্রমণ দলিল। তবে গাড়িতে নিষিদ্ধ কিংবা তালিকাভুক্ত স্পর্শকাতর মালামাল বহন করা যাবে না।

ব্যক্তিগত, যাত্রী ও পণ্যবাহী যানবাহন চলাচলের অনুমতি পাওয়ার জন্য আলাদা আলাদা ফরম পূরণ করতে হবে। বাণিজ্যিকভাবে পরিচালিত যানের দীর্ঘমেয়াদি অনুমোদন লাগবে। আর ব্যক্তিগত গাড়ির অনুমতি হবে সাময়িক এবং তা তাৎক্ষণিকভাবে অভিবাসন কর্তৃপক্ষ দিতে পারবে।

এসকেডি/এআরএস/এমএস/এসআরজে

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।