আষাঢ়ের প্রথম দিনে ক্র্যাবের ফলভোজন
আষাড়ের প্রথম দিনে ফল খেয়ে ফলভোজন (ফ্রুটলাঞ্চ) সারলেন অপরাধবিষয়ক রিপোর্টাররা। ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্র্যাব) এর উদ্যোগে সোমবার দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত বার্ষিক ফল উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন মিডিয়ার অপরাধবিষয়ক রিপোর্টারদের উপস্থিতিতে ক্র্যাব কার্যালয় উৎসব মুখর হয়ে উঠে। টানা তিন ঘণ্টা ফরমালিনমুক্ত আম, জাম, কাঠাল, লিচু, তাল, সফেদা, জামরুল, লটকন, পেয়ারা ও কলাসহ বিভিন্ন ফল সহযোগে ভুরিভোজন চলে।
সরেজমিন দেখা গেছে, প্রাণের সংগঠনের টানে বার্ষিক এ ফল উৎসবে যেমন ক্র্যাবের প্রবীণ সদস্য বশির আহমেদ, গাফফার মাহমুদ ও মফিজুর রহমান এসেছিলেন তেমনই নবীন অপরাধবিষয়ক রিপোর্টাররাও কেউ বাদ যাননি।
মোবাইলে উইলফি (একা তুলতে সেলফি আর সবাই মিলে তুললে নাকি উইলফি বলা হয়) তোলা, ক্র্যাবের সাবেক কর্মকর্তা শাহিন আলমের কাঁচামরিচ দিয়ে মাখানো মজাদার জামের ভর্তা উৎসবে ভিন্ন মাত্রা যোগ করে।
ভরদুপুরে পেটপুরে ফল খেয়ে কেউ আর দুপুরের খাবার খেতে পারেনি। ক্র্যাবের সদস্যরা অনেকে বলাবলি করছিলেন, আজ ফ্রুটলাঞ্চ হয়ে গেল।
পেশাগত ব্যস্ততায় অনেক সিনিয়র সদস্য নিয়মিত ক্র্যাবে আসতে না পারলেও উৎসবের এই দিনে সময় ম্যানেজ করে এসেছিলেন। ফলভোজন তাদের কাছে মুখ্য থাকেনা এদিন ক্র্যাবে আসলে অনেকের সঙ্গে দেখা হয় সে জন্যই অধিকাংশ সিনিয়র সদস্য ছুটে আসেন।
ক্র্যাব সভাপতি ইশারফ হোসেন ঈশা, সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান খান ও সহ-সভাপতি জাহাঙ্গীর আলমসহ কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যরা উপস্থিত থেকে নবীন প্রবীণ সদস্যদের স্বাগত জানান।
ক্র্যাব সভাপতি জানান, রেওয়াজ অনুযায়ী ফি বছরের মতো এবারো ফল উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। দেশের বিভিন্ন প্রসিদ্ধ স্থান থেকে ফরমালিনমুক্ত ফল আনা হয়েছে।
মাত্র একদিন আগেই ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে ফল উৎসবের আয়োজনে ব্যস্ত থাকলেও ডিআরইউ সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন বাদশা (যিনি ক্র্যাবের সদস্য) ঠিক ১২টায় ক্র্যাব কার্যালয়ের উৎসবস্থলে উপস্থিত হন।
এমইউ/বিএ/আরআই