নৌ-মন্ত্রণালয়ের মামলা নিষ্পত্তি না হওয়ায় ক্ষোভ


প্রকাশিত: ০১:৫২ পিএম, ১৬ জুন ২০১৫

নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন সংস্থার দায়ের করা মামলাগুলো নিষ্পত্তি না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে সংসদীয় কমিটি। এসব মামলা পরিচালনায় সরকারের বিপুল অর্থ অপচয় হলেও কার্যত সরকারের কোনো লাভ হচ্ছে না বলে অভিমত দেয় কমিটি।

বছরের পর বছর ধরে চললেও অজ্ঞাত কারণে তা নিষ্পত্তি না হওয়ায় বিষয়টি তদন্ত করে কমিটির পক্ষ থেকে সরকারের স্বার্থ খোঁজার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। জাতীয় সংসদ ভবনে মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

এ জন্য কমিটির সদস্য মো. নুরুল ইসলাম সুজনকে আহ্বায়ক করে তিন সদস্যের একটি উপ-কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির অপর দুই সদস্য হলেন তালুকদার আব্দুল খালেক ও মো. হাবিবর রহমান। আগামী এক মাসের মধ্যে কমিটিকে এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন মূল কমিটিতে দাখিলের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

কমিটির সভাপতি মেজর (অব.) রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে বৈঠকে কমিটির সদস্য নৌ-পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান, তালুকদার আব্দুল খালেক, মো. আব্দুল হাই্, মো. নূরুল ইসলাম সুজন, মো. হাবিবর রহমান, এম আব্দুল লতিফ এবং মো. আনোয়ারুল আজীম (আনার) অংশ নেন। নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব, বিআইডব্লিউটিসির চেয়ারম্যান, মংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে বৈঠকে মংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের সার্বিক কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকে জানানো হয়, মংলা বন্দরে বিদ্যমান সুবিধাদি অনুযায়ী বর্তমানে বার্ষিক মালামাল ও কন্টেইনার হ্যান্ডলিং ক্ষমতা যথাক্রমে ৬৫ লাখ মেট্টিক টন ও এক লাখ টিইউজ। গত ২০১৩-১৪ অর্থবছরে মংলা বন্দরে ৩৫ দশমিক ৪৪ লাখ মেট্টিক টন মালামাল ও ৪৩ হাজার সাত টিইউজ কন্টেইনার হ্যান্ডলিং করা হয়েছে যা বার্ষিক হ্যান্ডলিং ক্ষমতার যথাক্রমে প্রায় ৫২ দশমিক ৩৩ শতাংশ ও ৪৩ দশমিক ০৭ শতাংশ।

কমিটি মংলা বন্দরের সার্বিক বিষয়ে মন্ত্রণালয়, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এবং মংলা বন্দর কর্তৃপক্ষকে নিয়ে বৈঠক করে ট্যারিফ, কাস্টমসহ অন্যান্য বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য সুপারিশ করেছে।

এইচএস/বিএ/আরআইপি

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।