২০ ব্লকে ভাগ হবে কুতুপালং ক্যাম্প

বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ০৯:১০ এএম, ০৪ অক্টোবর ২০১৭

মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের জন্য আশ্রয় কেন্দ্র উখিয়ার কুতুপালং ক্যাম্পকে ২০টি ব্লকে ভাগ করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। প্রত্যেক ব্লকে একটি প্রশাসনিক ও পরিসেবা ইউনিট, একটি গোডাউন ও নতুন ফায়ার সার্ভিসের ইউনিট স্থাপন হবে। এর ফলে সকল ধরনের সেবা প্রদান সহজতর হবে বলে মনে করছে স্থানীয় প্রশাসন।

বুধবার সকালে কক্সবাজার সার্কিট হাউজে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা নাগরিকদের মানবিক সহায়তা কার্যক্রম সমন্বয় বিষয়ক এক সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেয় হয়। এ বিষয়ে মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে কর্মকর্তাদের সার্বিক কার্যাবলী নিয়ে আলোচনা করেন। সভায় আসিকুল্লাহ রফিক এমপি, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ সচিব মো. শাহ কামাল, কক্সবাজারের শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার আবুল কালাম, মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন দফতর প্রধান, সেনাবাহিনী, পুলিশ, বিজিবি ও আনসারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় জানানো হয়, ৪ লক্ষ ২০ হাজার লোকের জায়গা হয় প্রথমে এমন ৮৪ হাজার শেড নির্মাণের পরিকল্পণা নেয়া হয়েছিল। ইতোমধ্যে ৭০ হাজারের অধিক শেড নির্মাণ করা হয়েছে। বর্তমানে রোহিঙ্গাদের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় মোট ১ লক্ষ ৫০ হাজার সেড নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। যা দেশি বিদেশি এনজিওদের সহায়তায় দ্রুত নির্মাণকাজ শেষ করা হবে। সেডগুলো সাময়িক সময়ের জন্য নির্মাণ করা হচ্ছে।

কুতুপালং ক্যাম্পে নতুন ফায়ার সার্ভিসের ইউনিট স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এটিও অতি দ্রুত নির্মাণ করা হবে বলে সভায় জানান ফায়ার সার্ভিসের স্থানীয় উপ-পরিচালক।

সভায় আরও জানানো হয়, ক্যাম্প এলাকায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ১৮ কিলোমিটার ও এলজিইডি ৯ কিলোমিটার নতুন রাস্তা নির্মাণ কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে। প্রাথমিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১৪টি গোডাউন নির্মাণের অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে ৫টি গোডাউন নির্মিত হয়েছে। বাকি ৯টির নির্মাণ কাজ এ সপ্তাহে শেষ হবে।

খাদ্য সরবরাহ প্রসঙ্গে সভায় জানানো হয়, বিশ্ব খাদ্য সংস্থা ৫ লক্ষ ২০ হাজার লোকের খাদ্যের সংস্থান করবে। এর বাইরে কেউ বাকি থাকলে দেশি বিদেশি সংস্থা থেকে প্রাপ্ত ত্রাণ থেকে তাদের খাদ্য সরবরাহ করা হবে। এ ছাড়া ইতোমধ্যে সরকারিভাবে ক্যাম্পে ৩৬টি কমিউনিটি হাসপাতাল ইউনিট কাজ করছে। প্রয়োজন বোধে আরও ইউনিট বাড়ানো হবে।

এফএইচএস/আরএস/জেআইএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।