টাকা পাচারের বিষয়টি দেশের স্বার্থেই সুরাহার দাবি হাজী সেলিমের


প্রকাশিত: ০৬:৩০ এএম, ২০ জুন ২০১৫

সুইস ব্যাংকসহ বিদেশে টাকা পাচার হওয়ার বিষয়টি দেশের স্বার্থেই সুরাহা হওয়া দরকার বলে জানিয়েছেন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য হাজী মো. সেলিম। এ বিষয়ে সংসদে একাধিক বার কথা হলেও স্পিকার কোনো রুলিং না দেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তিনি।

শনিবার সকালে জাতীয় সংসদের বৈঠক শুরু হলে অনির্ধারিত আলোচনায় অংশ নিয়ে একথা বলেন তিনি। এসময় সংসদের সভাপতিত্বে ছিলেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।

স্পিকারকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেছেন, মাননীয় স্পিকার, আমরা পয়েন্ট অব অর্ডারে অনেক সমস্যার কথা বলি। তবে আপনি শুধু সেগুলো শোনেন, কিন্তু কোনো রুলিং দেন না। ফলে অনেক সমস্যার সমাধানও হয় না। আপনি যদি সে বিষয়ে রুলিং দেন এগুলোর দ্রুত সমাধান হবে। দেশ-জাতি উপকৃত হবে।

বিভন্ন পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশি টাকার কথা উল্লেখ করে হাজী সেলিম বলেন, বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় এসেছে সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশের টাকা বাড়ছে। যা দিয়ে ছয়টি পদ্মা সেতু তৈরি সম্ভব। আর সুইস ব্যাংকে এদেশের কার কত টাকা আছে তা জানার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক বিভিন্ন সময় চিঠি দিয়ে, চুক্তি করতে চেয়েও কোনো সাড়া পায়নি সুইস ব্যাংকের কাছ থেকে। তবে বিদেশে টাকা পাচার হওয়ার বিষয়টি দেশের স্বার্থেই সুরাহা হওয়া দরকার বলে জানান তিনি।

টাকা পাচার রোধ করতে অর্থমন্ত্রী ও বাংলাদেশ ব্যাংককে আরো বেশি সক্রিয় কার্যক্রম পরিচালনার আহ্বান জানিয়ে তিনি স্পিকারকে উদ্দেশ্য করে বলেন, আপনি এসব সমস্যার সমাধানে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে রুলিং জারি করে নির্দেশ দিলে তারা এ বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করতে বাধ্য হবে। কমিটি করে তারা এ বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করবে। এতে সমস্যার সমাধান হবে। কিন্তু দুঃখের বিষয় পয়েন্ট অব অর্ডারে আমরা অনেক সমস্যার কথাই বলি, কিন্তু আপনি কোনো রুলিং দেন না। ফলে সমস্যার সমাধানও আমরা পাই না।

এদিকে পয়েন্ট অব অর্ডারে আরেক সংসদ সদস্য রস্তম আলী ফরাজী- যেসব নাগরিক সাগরে ভাসছে, বিদেশের কবর থেকে লাশ পাওয়া যাচ্ছে এবং এখনো জীবিত আছেন, তাদের উদ্ধারে কী কী পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে এবং হবে তা নিয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে একটি বিবৃতি প্রকাশের আহ্বান জানান।

এইচএস/বিএ/এমএস/এসআরজে

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।