কি কারণে ওয়াগন ডুবি তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে : রেল সচিব
এ দুর্যোগ রেলওয়ের একার নয়। সবাই মিলে দুর্যোগ মোকাবেলা করতে হবে। রোববার সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন রেল সচিব ফিরোজ সালাউদ্দিন।
গত শুক্রবার চট্টগ্রামের বোয়ালখালী বেঙ্গুরায় সেতু ভেঙ্গে তেলবাহী ট্রেনের ওয়াগন ডুবির ঘটনায় আয়োজন করা হয় এ সংবাদ সম্মেলনের। রেল সচিব বলেন, এটা একটা দুর্ঘটনা। শুক্রবার থেকে স্থানীয় জন প্রতিনিধিসহ সবাই যেভাবে সহযোগিতা করেছেন তার জন্য কৃতজ্ঞতা জানান তিনি। আগামী ৪/৫ দিনের মধ্যে ডুবে যাওয়া ওয়াগনগুলো উদ্ধার করে ট্রেন চলাচলের জন্য লাইন স্বাভাবিক করে দেয়া হবে।
তিনি বলেন, কি কারণে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত প্রতিবেদন পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে। খাল এবং নদীতে ফার্নেস অয়েল ভাসছে এগুলো কিভাবে কবে নাগাদ উত্তোলন করা হবে এমন প্রশ্নের জবাবে সচিব বলেন, শতভাগ উত্তোলন করা যাবেনা। তবে আপ্রাণ চেষ্টা চলছে পরিমাণ কমানোর।
সোমবার থেকে আরো বেশি দৈনিক শ্রমিক দিয়ে যতদ্রুত সম্ভব এগুলো সংগ্রহ করা হবে। পিকিং পাওয়া প্ল্যান্টের তৈল আগামী দশ দিনের জন্য মজুদ আছে জানিয়ে সচিব বলেন দশদিনের আগেই তাদের তেল সরবরাহের ব্যবস্থা করা হবে।
সংবাদ সম্মেলনে রেলওয়ের ডিজি আমজাদ হোসেন বলেন, এ ধরণের দুর্ঘটনা এর আগে আমরা কখনো মোকাবেলা করিনি। তবে সমস্যা সমাধানে রেলেওয়ের পক্ষ থেকে কোন প্রকার গাফিলতি নেই।
চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মেজবাহ উদ্দিন বলেন, খালে এবং নদীতে ভাসমান ফার্নেস অয়েল সংগ্রহের জন্য ইতোমধ্যে প্রচারণা চালানো হয়েছে। স্থানীয় যারা এসব ফার্নেস অয়েল সংগ্রহ করবে তাদের কাছে থেকে বিপিসি প্রতি লিটার ৬০ টাকা দরে ক্রয় করবে । এছাড়া পরিবেশের যাতে বেশি ক্ষতি না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের জিএম মোজাম্মেল হক, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের পরিচালক প্রশাসন জাফর আলমসহ সরকারী উধ্র্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এসএইচএস/আরআইপি