ইতালিতে বৈধ অভিবাসন বাড়ানোর আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০২:০২ পিএম, ১৯ মে ২০২৬
তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনের সঙ্গে ইতালির রাষ্ট্রদূত এন্টনিও আলেসান্দ্রো’র সৌজন্য সাক্ষাৎ

বাংলাদেশ থেকে বৈধপথে ইতালিতে আরও বেশি অভিবাসী নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। 

মঙ্গলবার (১৯ মে) মন্ত্রণালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইতালির রাষ্ট্রদূত এন্টনিও আলেসান্দ্রো’র মন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এলে তিনি এ আহ্বান জানান।

সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান উপস্থিত ছিলেন। এসময় ইতালির রাষ্ট্রদূত তথ্যমন্ত্রীকে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য অভিনন্দন জানান। 

রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশ ও ইতালির মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে বলেন, ইটালিতে বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশি অভিবাসী অত্যন্ত সুনামের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছেন এবং তারা বাংলাদেশ ও ইতালি উভয় দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। 

এসময় তিনি বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশ থেকে ইতালিতে সমুদ্রপথে অবৈধ ও ঝুঁকিপূর্ণ অভিবাসনের বিষয়টি উল্লেখ করেন।

তথ্যমন্ত্রী সাক্ষাৎকালে দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, ইতালি বাংলাদেশি অভিবাসীদের জন্য একটি জনপ্রিয় গন্তব্য। তিনি বৈধপথে আরও বেশি বাংলাদেশি অভিবাসী গ্রহণের জন্যই ইতালি সরকারের প্রতি অনুরোধ জানান। 

তথ্যমন্ত্রী, গণযোগাযোগ, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ও সম্প্রচার বিষয়ে ইতালির সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করার বিষয়ে প্রস্তাব দেন। তিনি এক্ষেত্রে ইতালির অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তিগত উন্নয়নের কথা উল্লেখ করে ‘নলেজ শেয়ারিং’ এর বিষয়ে আগ্রহ ব্যক্ত করেন।

মন্ত্রী এসময় উভয় দেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্পর্ক জোরদারে পণ্যের বহুমুখীকরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তথ্য উপদেষ্টা ইতালির রাষ্ট্রদূতকে বাংলাদেশ থেকে বৈধপথে ইতালিতে অভিবাসন বৃদ্ধির অনুরোধ জানান। ‌

ইতালির রাষ্ট্রদূত জানান, বাংলাদেশ থেকে ইতালিতে অভিবাসন চলমান এবং বিগত এক বছরে বাংলাদেশ থেকে ২০ হাজার মানুষ ইতালিতে অভিবাসী হয়েছেন।

এমএএস/ইএ

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।