বাবা ছিলেন সৌখিন মানুষ

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১১:০১ এএম, ০২ ডিসেম্বর ২০১৭
ফাইল ছবি

আমার বাবা ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আনিসুল হকে ছিলেন সৌখিন মানুষ। তিনি সুখী ও হাসি-খুশি মানুষ ছিলেন।

শনিবার রাজধানীর আর্মি স্টেডিয়ামে মেয়র আনিসুল হকের জানাজা নামাজের আগে এ কথা বলেন তার একমাত্র ছেলে নাভিদুল হক।

বাবার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়ে তিনি বলেন, কাজের খাতিরে কেউও যদি বাবার ব্যবহারে দুঃখ পেয়ে থাকেন তাহলে ক্ষমা করে দিয়েন।

শনিবার বিকেল ৩টা ১০ মিনিটে বনানীর বাসা থেকে আনিসুল হকের মরদেহবাহী অ্যাম্বুলেন্সটি বের হয় বেলা সাড়ে ৩টায় আর্মি স্টেডিয়ামে পৌঁছায়। এখানে জানাজা শেষে তাকে বনানী কবরস্থানে দাফন করা হয়।

navidul

এর আগে শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মেয়রের মরদেহ বহনকারী বিমানটি সিলেটের এমএজি ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। এরপর দুপুর ১টার দিকে ঢাকা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায় ফ্লাইটটি। পরে সেখান থেকে দুপুর ১টা ২০ মিনিটের দিকে মরদেহ বনানীর বাসায় নেয়া হয়।
বনানীর ২৩ নম্বর সড়কের এ বাসা থেকেই গত ২৯ জুলাই নাতির জন্ম উপলক্ষে ব্যক্তিগত সফরে পরিবারসহ লন্ডনে যান আনিসুল হক। সেখানে অসুস্থ হয়ে পড়লে ১৩ আগস্ট তাকে লন্ডনের ন্যাশনাল নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তার মস্তিষ্কে প্রদাহজনিত রোগ ‘সেরিব্রাল ভাস্কুলাইটিস’ শনাক্ত করেন চিকিৎসকরা। প্রায় সাড়ে তিন মাস চিকিৎসাধীন থাকার পর গত বৃহস্পতিবার মারা যান তিনি।

শনিবার দুপুরে তার মরদেহ বাসায় পৌঁছালে আবেগঘণ পরিবেশের সৃষ্টি হয়। বাসায় ভিড় জমান বন্ধু, স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা। প্রিয় নগরপিতাকে শেষবারের মতো এক নজর দেখতে ভিড় করেন অনেক নগরবাসীও।
গত শুক্রবার বাদ জুমা আনিসুল হকের প্রথম জানাজা লন্ডনের রিজেন্ট পার্ক সেন্ট্রাল মসজিদে অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় বিপুলসংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি, কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীরা অংশ নেন। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলমও জানাজায় উপস্থিত ছিলেন।

জেএ/এএইচ/জেআইএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।