রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে কিশোরীকে ধর্ষণ, অবস্থা সংকটাপন্ন

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি নেত্রকোনা
প্রকাশিত: ০৪:১০ পিএম, ০৪ নভেম্বর ২০১৯

নেত্রকোনা সদর উপজেলায় ফুফুর বাড়ি থেকে নিজ বাড়ি ফেরার পথে ধর্ষণের শিকার হয়েছে এক কিশোরী (১২)। রোববার রাতে সদর উপজেলার রৌহা ইউনিয়নের বড়ঘাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

ঘটনার পর গুরুতর অবস্থায় ওই কিশোরীকে নেত্রকোনা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। কিন্তু সোমবার দুপুর পর্যন্ত ওই কিশোরীর রক্তক্ষরণ বন্ধ হয়নি। তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিতে বলেছেন চিকিৎসকরা।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, রোববার রাত সাড়ে ৮টার দিকে ফুফুর বাড়ি থেকে রান্না করা তরকারি নিয়ে বাড়ি ফিরছিল কিশোরী। পথিমধ্যে পথ আটকে কিশোরীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ করে প্রতিবেশী রব্বানী মিয়ার ছেলে রুহুল আমিন (২০)। ধর্ষণে রুহুলকে সহযোগিতা করেছে একই এলাকার খোকন মিয়ার ছেলে স্বাধীন মিয়া।

পরে কিশোরীকে ফেলে পালিয়ে যায় তারা। রাস্তায় কিশোরীকে পড়ে থাকতে দেখে গুরুতর অবস্থায় নেত্রকোনা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে স্থানীয়রা। তার অবস্থা সংকটাপন্ন বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

নির্যাতিত কিশোরীর মামা বলেন, ফুফুর বাড়ি থেকে ফেরার পথে আমার ভাগনিকে তুলে নিয়ে যায় প্রতিবেশী রুহুল আমিন ও তার বন্ধু স্বাধীন মিয়া। পরে তাকে ধর্ষণ করে রুহুল। এরপর তাকে রাস্তায় ফেলে পালিয়ে যায় রুহুল ও স্বাধীন। গুরুতর অবস্থায় ভাগনিকে নেত্রকোনা হাসপাতালে ভর্তি করা হলে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিতে বলেন চিকিৎসকরা। এখনো তার রক্তক্ষরণ বন্ধ হয়নি। তার বাবা গরিব মানুষ। এজন্য মেয়েকে ময়মনসিংহ হাসপাতালে নিয়ে যেতে পারছেন না।

নেত্রকোনা মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-তদন্ত) নাজমুল হাসান বলেন, ধর্ষণের শিকার কিশোরীকে নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এখনো তার রক্তক্ষরণ হচ্ছে। এ ঘটনায় মামলা করেছেন কিশোরীর বাবা। ধর্ষক রুহুল আমিন ও সহযোগী স্বাধীন মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে রুহুল আমিন। রুহুল আমিন ও তার সহযোগীকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

কামাল হোসাইন/এএম/এমকেএইচ

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।