খাওয়ার অনুপযোগী রঙ দিয়ে খাবার বানাতো বাড্ডার বিসমিল্লাহ বেকারি

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৬:২১ পিএম, ২৪ নভেম্বর ২০২০

খাওয়ার উপ‌যো‌গী নয় এমন ক্ষ‌তিকর রঙ দি‌য়ে তৈ‌রি হচ্ছে কেক, বেকা‌রি পণ্য ও মিষ্টান্ন খাব‌ার। খাদ্যপণ্য সংরক্ষ‌ণেও নানা অব্যবস্থাপনা। উপরন্তু লাইসেন্স ছাড়াই চলছে ব্যবসা। কর্মচারীদের নেই স্বাস্থ্য সনদ। এসব অব্যবস্থাপনা দেখা গেছে রাজধানীর মেরুল বাড্ডা এলাকার ‘বিসমিল্লাহ সুইটস এন্ড বেকারি’ নামের প্রতিষ্ঠানটিতে।

এ অপরাধে মঙ্গলবার (২৪ ন‌ভেম্বর) ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে প্রতিষ্ঠানটিকে দুই লাখ টাকা জ‌রিমানা করে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ (বিএফএসএ)। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন বিএফএসএ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জ্যোতিশ্বর পাল।

fine11

বিএফএসএ সং‌শ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, মেরুল বাড্ডার বিসমিল্লাহ সুইটস এন্ড বেকারিতে লেবেলবিহীন উপকরণ, রঙ ও সংরক্ষিত খাদ্য পাওয়া যায়। সেখানে খাদ্যদ্রব্য উৎপাদনে অব্যবস্থাপনা ও দায়িত্বহীনতা পরিলক্ষিত হয়। পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার ঘাটতি দেখা যায়। এছাড়াও বেকারি কর্তৃপক্ষ বিএসটিআই-এর হালনাগাদ লাইসেন্স, যথাযথ কর্তৃপক্ষ প্রদত্ত সকল কর্মচারীর স্বাস্থ্য সনদ, পেস্ট কন্ট্রোল প্রমাণকসহ আনুষঙ্গিক কাগজপত্র প্রদর্শনে ব্যর্থ হয়।

এসব অপরা‌ধে নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩ এর বিধান অনুযায়ী তাদেরকে দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

এ সময় বেকারি কর্তৃপক্ষকে খাদ্যদ্রব্য উৎপাদনে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণসহ পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা ও করোনাকালীন স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেয়া হয়।

অভিযানে নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক মিজানুর রহমান, মনিটরিং অফিসার মো. আমিনুল ইসলাম, খাদ্য বিশ্লেষক মো. ফারহানুল আলম এবং ব্যাটালিয়ন আনসার সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

এসআই/এসএস/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]