বিআরটিসির বাসে হুমড়ি খেয়ে উঠছেন যাত্রীরা
জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে টানা দ্বিতীয় দিনের ধর্মঘটে চরম বিপাকে পড়েছেন যাত্রীরা। সরকারি অফিস বন্ধ থাকলেও খোলা রয়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও বেসরকারি অফিস।
ফলে গন্তব্যে পৌঁছাতে রিকশা, সিএনজি ও রাইড শেয়ারিং মোটরসাইকেল চালকদের সঙ্গে ভাড়া নিয়ে দর কষাকষি করছেন যাত্রীরা। তবে মাঝে-মধ্যে আসা বিআরটিসির বাস দেখলেই তাতে হুমড়ি খেয়ে উঠছেন যাত্রীরা।
শনিবার (৬ নভেম্বর) সকালে মিরপুর ১, ২ ও ১০ নম্বরের বিভিন্ন সড়ক ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

ধর্মঘটের প্রথম দিন শুক্রবার (৫ নভেম্বর) ছুটির দিন থাকায় সড়কে যাত্রীর চাপ কিছুটা কম ছিল। তবে শনিবার বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো খোলা থাকায় সেই চাপ বেড়েছে। এদিন সড়কে ব্যক্তিগত গাড়ির সংখ্যাও বেড়েছে।
মিরপুর ১০ নম্বরের গোল চত্ত্বরে দেখা গেছে, সড়ক দখল করে আছে সিএনজি ও রিকশা। যাত্রীরা বলছেন, সুযোগ বুঝে চালকরা অতিরিক্ত ভাড়া চাইছেন।

বেসরকারি চাকরিজীবী মোরশেদ খান জাগো নিউজকে বলেন, পঙ্গু হাসপাতাল যাবো, রিকশায় ভাড়া চাইছে ৩০০ টাকা। সিএনজি চালকরা চাইছেন ৪০০ টাকা। দ্রুত ধর্মঘটের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত, এভাবে তো চলে না।
যাত্রীরা বলছেন, বিআরটিসির বাস চলাচল করছে, তবে এক ঘণ্টা পরপর একটা আসছে। গাদাগাদি করে তাতে ওঠা যাচ্ছে না। ফলে অনেক যাত্রীকে পায়ে হেঁটেও গন্তব্যের দিকে ছুটতে দেখা গেছে।
এসএম/এএএইচ/এমএস