মধ্যরাতে আশ্রয়কেন্দ্রে গিয়ে দেখলেন তালা, ৯৯৯-এ কল

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০২:২৯ পিএম, ১৪ মে ২০২৩

শনিবার (১৩ মে) দিনগত রাত ৩টা। ঘূর্ণিঝড় ‘মোখা’র প্রভাবে কক্সবাজারের চকরিয়ায় বাতাসের গতি তখন ক্রমে বাড়ছিল। পরিবার নিয়ে নিরাপদ আশ্রয় খুঁজছিলেন চকরিয়ার কোনাখালী ইউনিয়নের বাসিন্দা মো. আবুল হোসেন। সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী- তিনি কোনাখালী ৭ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর-ফুলছড়ি আশ্রয়কেন্দ্রে যান। সেখানে গিয়ে দেখেন আশ্রয়কেন্দ্রে তালা ঝোলানো। কেন্দ্রের বাইরে কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে ছিলেন। উপায় না পেয়ে তিনি জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল করেন। তার দেওয়া তথ্যে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আশ্রয়কেন্দ্রের তালা খোলার ব্যবস্থা করেন। পরে পরিবার নিয়ে সেখানে আশ্রয় নেন আবুল হোসেন।

৯৯৯-এ কল দেওয়া আবুল হোসেন বলেন, ঘূর্ণিঝড় ‘মোখা’ ধেয়ে আসছে শুনেও আশ্রয়কেন্দ্রে তালা দিয়ে রাখা হয়েছে। পরে আমি ৯৯৯-এ ফোন দেই। পুলিশ এসে আশ্রয় কেন্দ্রটি খুলে দেয়।

চকরিয়ার মতো একই ঘটনা ঘটেছে হাতিয়াতেও। নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলা থেকে মো. বাবুল উদ্দিন নামে এক তরুণ রাত ৯টার দিকে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন দিয়ে জানান, হাতিয়া ডিগ্রি কলেজ আশ্রয়কেন্দ্রে তালা দেওয়া। অনেকেই আশ্রয় নিতে এসে ভেতরে প্রবেশ করতে পারছেন না। কল পেয়ে ৯৯৯-এ কর্মরত কর্মকর্তা স্থানীয় থানা পুলিশের সঙ্গে বাবুলের কথা বলিয়ে দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আশ্রয়কেন্দ্রের তালা খোলার ব্যবস্থা করেন।

আরও পড়ুন>> ‘মোখা’ অতিক্রমের পর কক্সবাজারে ২৪ ঘণ্টা ভারী বৃষ্টির শঙ্কা

বাবুল উদ্দিন বলেন, হাতিয়া অত্যন্ত দুর্যোগপূর্ণ এলাকা। এখানে যে কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ ভয়াবহ রূপ নেয়। সেজন্য মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে চায়। কিন্তু এতো বড় ঘূর্ণিঝড়ের কথা জেনেও কর্তৃপক্ষ আশ্রয়কেন্দ্রে তালা দিয়ে রেখেছিল। তাই আমি ৯৯৯-এ কথা বলেছি। পুলিশ এসে আশ্রয়কেন্দ্রটি খোলার ব্যবস্থা করে দিয়েছে।

‘জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯’-এর পরিদর্শক (মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স) আনোয়ার সাত্তার জাগো নিউজকে বলেন, ‘আবহাওয়া সংক্রান্ত তথ্য জানতে অসংখ্য কল আসছে। আমরা সবাইকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করছি। কিছু কলারকে আবহাওয়া অফিসের সঙ্গেও সংযুক্ত করে দেওয়া হয়েছে।’

টিটি/এএএইচ/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।