উৎসবের নির্বাচন বনাম শুদ্ধাচারের লড়াই

ড. মতিউর রহমান
ড. মতিউর রহমান ড. মতিউর রহমান , গবেষক ও উন্নয়নকর্মী।
প্রকাশিত: ০৯:৩৫ এএম, ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় নির্বাচন কেবল রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা হস্তান্তরের একটি আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া নয়, বরং এটি একটি জাতির সম্মিলিত ইচ্ছার প্রতিফলন এবং রাজনৈতিক পরিপক্কতার স্মারক। বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে একটি সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজন করা বরাবরই একটি চ্যালেঞ্জিং কাজ হিসেবে বিবেচিত হয়ে এসেছে। এই দীর্ঘদিনের আকাঙ্ক্ষাকে বাস্তবে রূপ দিতে এবং নির্বাচনি বৈতরণি পার হওয়ার অসুস্থ প্রতিযোগিতা রোধে নির্বাচন কমিশন ‘রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণবিধিমালা ২০২৫’ প্রণয়ন করেছে।

২০২৬ সালের আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে এই বিধিমালা একটি কঠোর কিন্তু অত্যন্ত সময়োপযোগী আইনি কাঠামো হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। এটি কেবল কতগুলো নিয়মের সংকলন নয়, বরং বাংলাদেশের নির্বাচনি সংস্কৃতিতে আমূল পরিবর্তনের একটি সাহসী অঙ্গীকার। নির্বাচনি ময়দানে অর্থের আস্ফালন, পেশিশক্তির আস্ফালন এবং অপপ্রচারের যে বিষবাষ্প আমরা অতীতে দেখেছি, তা নির্মূল করার লক্ষ্যে এই বিধিমালাটি একটি নতুন দিশারি হিসেবে কাজ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আচরণবিধিমালা ২০২৫-এর সবচেয়ে দৃশ্যমান ও বৈপ্লবিক পরিবর্তনটি এসেছে প্রচারণার ধরনে। আমরা দীর্ঘকাল ধরে দেখে এসেছি নির্বাচনের সময় শহর-গ্রাম নির্বিশেষে হাজার হাজার রঙিন পোস্টার ও প্লাস্টিকের ব্যানার পুরো পরিবেশকে শ্রীহীন করে তুলত। নতুন বিধিতে এই সনাতনী ও পরিবেশ বিধ্বংসী পদ্ধতিতে আমূল পরিবর্তন আনা হয়েছে। এখন থেকে কোনো প্রার্থীই সাধারণ পোস্টার ব্যবহার করতে পারবেন না; বরং নির্দিষ্ট মাপের সাদা-কালো ব্যানার এবং লিফলেট ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

এর পেছনে কেবল ব্যয়ের সাশ্রয় নয়, বরং পরিবেশ রক্ষার একটি মহৎ উদ্দেশ্য নিহিত রয়েছে। রেক্সিন, পলিথিন বা প্লাস্টিকের তৈরি যে-কোনো প্রচারণাসামগ্রী কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করার মাধ্যমে ২০২৬-এর নির্বাচন একটি ‘প্লাস্টিকমুক্ত’ ও পরিচ্ছন্ন নির্বাচনি পরিবেশের মডেল হয়ে উঠতে পারে। এই নান্দনিক ও সংযত প্রচারণা পদ্ধতি ভোটারদের মনেও এক ধরনের ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে, যা তাদের শান্ত মস্তিষ্কে যোগ্য প্রার্থী নির্বাচনের সুযোগ করে দেবে। দৃশ্যদূষণ কমলে নির্বাচনি প্রচারণার মূল ফোকাস গালভরা বিজ্ঞাপন থেকে সরে এসে প্রার্থীর যোগ্যতা ও ইশতেহারে নিবদ্ধ হবে।

বর্তমান যুগটি তথ্যপ্রযুক্তির এবং ডিজিটাল বিপ্লবের চরম শিখরে অবস্থান করছে। এই বাস্তবতাকে বিবেচনায় নিয়ে বিধিমালায় প্রথমবারের মতো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহারের ওপর অত্যন্ত সুনির্দিষ্ট ও কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। বর্তমান বিশ্বে নির্বাচনি ফল পাল্টে দেওয়ার জন্য ‘ডিপফেক’ বা বিকৃত ছবি ও ভিডিও একটি বিশাল হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। কোনো প্রার্থীর ভাবমূর্তি মুহূর্তের মধ্যে ধূলিসাৎ করে দিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অপব্যবহার যথেষ্ট।

আচরণবিধিমালা ২০২৫ এই বিপদের কথা মাথায় রেখে ‘অসৎ উদ্দেশ্যে’ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে গুজব ছড়ানো বা ভুয়া তথ্য প্রচারের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছে। ২০২৬-এর নির্বাচনে এই বিধির প্রয়োগ গুজবমুক্ত ও পরিচ্ছন্ন একটি ডিজিটাল প্রচারণা নিশ্চিত করবে। তবে প্রযুক্তির এই যুগে চ্যালেঞ্জটি হবে ছদ্মনামে পরিচালিত প্রচারণাকে শনাক্ত করা এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা। নির্বাচন কমিশনের আইটি সেলকে এ ক্ষেত্রে অত্যন্ত দক্ষ ও সক্রিয় হতে হবে, যাতে প্রযুক্তি যেন কোনোভাবেই গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধ করতে না পারে।

নির্বাচনে সবার জন্য সমান সুযোগ বা ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ নিশ্চিত করা যে-কোনো নির্বাচন কমিশনের জন্য সবচেয়ে বড় অগ্নিপরীক্ষা। বিশেষ করে ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থীদের প্রভাবমুক্ত রাখা এবং প্রশাসনিক নিরপেক্ষতা বজায় রাখা একটি দীর্ঘস্থায়ী সংকট। এবারের বিধিমালায় প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী এবং সংসদ সদস্যদের মতো ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের’ ওপর অত্যন্ত কঠোর বিধি আরোপ করা হয়েছে। নির্বাচনের তফশিল ঘোষণার পর থেকে তারা কোনো সরকারি যানবাহন, ডাক-বাংলো বা সরকারি কোনো সুযোগ-সুবিধা প্রচারণার কাজে ব্যবহার করতে পারবেন না।

এমনকি ভোটারদের প্রভাবিত করতে পারে এমন কোনো নতুন উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন বা ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করাও তাদের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ২০২৬ সালের নির্বাচনে এই বিধির যথাযথ প্রয়োগ ক্ষমতার অপব্যবহার রোধে একটি মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে। যখন সাধারণ মানুষ দেখবে যে একজন মন্ত্রী এবং একজন সাধারণ প্রার্থী একই নিয়মের অধীনে প্রচারণা চালাচ্ছেন, তখন নির্বাচনি ব্যবস্থার ওপর জনআস্থা বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে। এটি মূলত ক্ষমতার অহংকারকে আইনি শৃঙ্খলে বাঁধার একটি প্রয়াস।

যদি আমরা এই শুদ্ধাচারের ধারাটি ধরে রাখতে পারি, তবে বাংলাদেশ বিশ্বের দরবারে একটি শক্তিশালী গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে নিজের অবস্থান আরও সুসংহত করতে পারবে। নির্বাচনি অনিয়মের বিরুদ্ধে সরব হওয়া এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করাই এখন সময়ের দাবি। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি কেবল একটি ভোটের দিন নয়, বরং এটি বাংলাদেশের গণতন্ত্রের নবযাত্রার দিন হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে—যদি আমরা এই আচরণবিধির প্রতিটি অক্ষর অক্ষরে পালন করতে পারি।

নির্বাচনি রাজনীতিতে অর্থের ঝনঝনানি বা ‘কালো টাকার দৌরাত্ম্য’ বাংলাদেশের গণতন্ত্রের জন্য একটি দীর্ঘস্থায়ী অভিশাপ। সাধারণ ও যোগ্য প্রার্থীরা অনেক সময় কেবল টাকার অভাবে মাঠ থেকে ছিটকে পড়েন। এই অর্থের আস্ফালন বন্ধে বিধিমালায় কঠোর আর্থিক শৃঙ্খলার কথা বলা হয়েছে। একজন প্রার্থী ভোটার প্রতি সর্বোচ্চ ১০ টাকা বা মোট ২৫ লক্ষ টাকার বেশি ব্যয় করতে পারবেন না। এই সিলিংটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি নির্বাচনকে ব্যয়বহুল বিলাসিতা থেকে মুক্ত করে একটি জনসেবার প্রক্রিয়ায় রূপান্তর করতে চায়।

বিশ হাজার টাকার অধিক যে-কোনো নির্বাচনি ব্যয় অবশ্যই ব্যাংকিং চ্যানেলে সম্পন্ন করার বাধ্যবাধকতা আর্থিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করবে। যদি নির্বাচন কমিশন গোয়েন্দা নজরদারি এবং অডিটের মাধ্যমে এই ব্যয়সীমা কঠোরভাবে মনিটর করতে পারে, তবে সৎ ও যোগ্য প্রার্থীদের জন্য নির্বাচনের পথ প্রশস্ত হবে। এটি রাজনীতির বাণিজ্যিকীকরণ রোধে একটি শক্তিশালী অস্ত্র হিসেবে কাজ করতে পারে।

প্রচারণার কারণে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় যে চরম ভোগান্তি হয়, তা নিরসনেও এবারের বিধিমালা অত্যন্ত সংবেদনশীল। শব্দদূষণ এবং যানজট নির্বাচনি প্রচারণার একটি অলিখিত অনুষঙ্গ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। নতুন বিধিতে দুপুর ২টার আগে এবং রাত ৮টার পরে মাইক ব্যবহার পুরোপুরি নিষিদ্ধ করা হয়েছে এবং শব্দের মাত্রা ৬০ ডেসিবেলের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে। শুধু তাই নয়, জনগণের চলাচলে বিঘ্ন ঘটে এমন প্রধান সড়কে সভা-সমাবেশ করাও এখন নিষিদ্ধ।

এর ফলে সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে শিক্ষার্থী, অসুস্থ ব্যক্তি এবং কর্মজীবী মানুষরা নির্বাচনি ডামাডোল থেকে কিছুটা স্বস্তি পাবে। নির্বাচন যে কেবল রাজনৈতিক দলগুলোর নয়, বরং সাধারণ জনগণেরও একটি উৎসব—সেই ভাবনাটি এখানে প্রতিফলিত হয়েছে। জনগণকে বিরক্ত করে ভোট চাওয়ার সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসার এই প্রয়াস অত্যন্ত প্রশংসনীয় এবং আধুনিক গণতান্ত্রিক দর্শনের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ।

তবে যে-কোনো চমৎকার বিধিমালার সার্থকতা নির্ভর করে এর সফল বাস্তবায়নের ওপর। মাঠ পর্যায়ে এই বিধিমালার শতভাগ প্রয়োগ নিশ্চিত করা অত্যন্ত কঠিন একটি চ্যালেঞ্জ। বিশেষ করে স্থানীয় পর্যায়ে প্রভাবশালী প্রার্থীদের প্রভাব এবং অদৃশ্য অর্থনৈতিক লেনদেন শনাক্ত করা নির্বাচন কমিশনের জন্য একটি বড় পরীক্ষা হবে। অনেক সময় দেখা যায়, দাপ্তরিক কাগজপত্রে ব্যয়সীমা ঠিক থাকলেও বাস্তবে তার কয়েক গুণ বেশি অর্থ ব্যয় করা হয়।

অনলাইনে ছদ্মনামে পরিচালিত অপপ্রচার শনাক্ত করার মতো কারিগরি সক্ষমতা নির্বাচন কমিশনের আছে কি না, সেটিও একটি বড় প্রশ্ন। এছাড়া মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের ওপর স্থানীয় প্রভাবশালীদের যে চাপ থাকে, তা উপেক্ষা করে নিরপেক্ষভাবে আইন প্রয়োগ করা অনেক সময় জীবনঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তাই বিধিমালার পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনের প্রশাসনিক এবং কাঠামোগত ক্ষমতা বৃদ্ধি করাও অপরিহার্য।

বিধিমালা ২০২৫ কেবল উপদেশের ঝুলি নয়, বরং এটি একটি দাঁতওয়ালা আইন। এতে কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে, যা যে-কোনো প্রার্থীর জন্য ভীতিকর হতে পারে। কোনো প্রার্থী বা দল বিধি লঙ্ঘন করলে ৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা দেড় লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে। সবচেয়ে বড় শাস্তি হলো বিধি ৯১ই অনুযায়ী নির্বাচন কমিশনের সরাসরি সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল করার ক্ষমতা।

২০২৬ সালের নির্বাচনে এই ধরনের কঠোর পদক্ষেপের ভয় প্রার্থীদের আচরণ সংযত রাখতে বাধ্য করবে। আমরা ইতোমধ্যেই এই কঠোরতার প্রতিফলন দেখতে পাচ্ছি। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফশিল ঘোষণার পর গত ৮ জানুয়ারি থেকে ২১ দিনে আচরণবিধি ভঙ্গের অভিযোগে ১১৯টি মামলা এবং ১২ লাখ ২৪ হাজার ৩০০ টাকা জরিমানা করেছে নির্বাচন কমিশন। ১৭৬টি নির্বাচনি এলাকায় ১৯২টি আচরণবিধি ভঙ্গের ঘটনা ঘটেছিল, যার বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এটি একটি ইতিবাচক বার্তা দেয় যে, কমিশন কেবল বিধি তৈরি করেই বসে নেই, বরং তার প্রয়োগেও তৎপর।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের মানুষ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে যাচ্ছে। এই নির্বাচনে প্রায় ২ হাজারের কাছাকাছি প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল পর্যন্ত তারা প্রচারণা চালাতে পারবেন। এই যে বিশাল কর্মযজ্ঞ, তার প্রতিটি ধাপে আচরণবিধির কঠোর পরিপালন নিশ্চিত করা গেলেই কেবল একটি অর্থবহ নির্বাচন সম্ভব। নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, প্রতিদিন মাঠ পর্যায়ের পরিবেশ সুষ্ঠু রাখতে তারা নানা কার্যক্রম পরিচালনা করছেন যাতে কেউ আচরণবিধি ভঙ্গ করার সাহস না পায়। এই প্রশাসনিক কঠোরতা অব্যাহত থাকলে এবং রাজনৈতিক দলগুলো যদি একটি সুস্থ প্রতিযোগিতার মানসিকতা ধারণ করে, তবে বাংলাদেশের নির্বাচনি ইতিহাস একটি কলঙ্কমুক্ত অধ্যায়ে প্রবেশ করবে।

আচরণবিধিমালা ২০২৫ একটি আধুনিক, বিজ্ঞানসম্মত এবং পরিবেশবান্ধব নির্বাচনি দর্শনের বহিঃপ্রকাশ। ২০২৬ সালের জাতীয় নির্বাচন কতটুকু সফল হবে, তা নির্ভর করছে এই বিধিমালার কার্যকর ও নিরপেক্ষ প্রয়োগের ওপর। রাজনৈতিক দলগুলোর সদিচ্ছা, প্রার্থীদের নৈতিকতা এবং নির্বাচন কমিশনের আপসহীন অবস্থানই পারে একটি উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের নজির স্থাপন করতে। এই বিধিমালা কেবল একটি আইনি দলিল নয়, বরং এটি আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সুস্থ রাজনৈতিক সংস্কৃতির পথপ্রদর্শক।

যদি আমরা এই শুদ্ধাচারের ধারাটি ধরে রাখতে পারি, তবে বাংলাদেশ বিশ্বের দরবারে একটি শক্তিশালী গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে নিজের অবস্থান আরও সুসংহত করতে পারবে। নির্বাচনি অনিয়মের বিরুদ্ধে সরব হওয়া এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করাই এখন সময়ের দাবি। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি কেবল একটি ভোটের দিন নয়, বরং এটি বাংলাদেশের গণতন্ত্রের নবযাত্রার দিন হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে—যদি আমরা এই আচরণবিধির প্রতিটি অক্ষর অক্ষরে পালন করতে পারি।

লেখক: গবেষক ও উন্নয়নকর্মী।

এইচআর/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।