বাইডেন প্রশাসনে জায়গা করে নিলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ফারাহ আহমেদ

ডা. বিএম আতিকুজ্জামান
ডা. বিএম আতিকুজ্জামান ডা. বিএম আতিকুজ্জামান
প্রকাশিত: ১২:৩৫ পিএম, ২৬ জানুয়ারি ২০২১

সম্প্রতি বাংলাদেশী বংশোদ্ভুত ফারাহ আহমেদ আমেরিকার ‘বাইডেন প্রশাসনে’ একটি গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ পেয়েছেন। গত ২১ জানুয়ারি তিনি ইউএসডিএতে আন্ডার সেক্রেটারি অফ রুরাল ডেভেলপমেন্টের চিফ অফ স্টাফ হিসেবে শপথগ্রহণ করেন।

ফারাহ আহমেদ মেধা যোগ্যতার সমীকরণে সব সময় ছিলেন এগিয়ে। তিনি বিখ্যাত কর্নেল ইউনিভার্সিটি থেকে গ্র্যাজুয়েশন কোর এর পর প্রিন্সটন ইউনিভার্সিটি থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।

ফারাহ আহমেদ এর আগেও অনেক গুরুত্বপূর্ণ পদে কাজ করেছেন। সর্বশেষ তিনি সিনিয়র পোগ্রাম কোঅর্ডিনেটর হিসেবে কাজ করেন কনজিউমার এজুকেশন বিভাগে। তাছাড়া ইউএসডিএর কমিউনিটির এবং ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট টিমের পোগ্রাম ম্যানেজার এবং সিনিয়র পলিসি এনালিস্ট হিসেবে কাজ করেছেন সেন্টার ফর আমেরিকান পোগ্রেসে।

jagonews24

এছাড়া আমেরিকার মূলধারায় রাজনীতিতে তিনি জড়িত। বারাক ওবামার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সময় তিনি আইওয়া অঙ্গরাজ্যের ডেমোক্রেটিক পার্টির নির্বাচন পরিচালনার মুখ্য দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

ফারাহ আহমেদের বাবা ড. মাতলুব আহমেদ এবং মা ফেরদৌস আহমেদ আমেরিকায় পদার্থবিজ্ঞানের অধ্যাপক। তার নানা ড. আব্দুল বাতেন খান বাংলাদেশ আণবিক শক্তি কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন এবং পরবর্তীতে পাবলিক সার্ভিস কমিশনের সদস্য ছিলেন। তার নানি মিসেস মনিরা খান ভিকারুননিসা নূন স্কুলের শিক্ষিকা ছিলেন এবং বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের আজীবন সহ-সভাপতি ছিলেন।

jagonews24

তিনি বেগম সুফিয়া কামালের খুব কাছের মানুষ ছিলেন এবং বাংলাদেশে নারী স্বাধীনতা ও ন্যায্য অধিকারের জন্য আজীবন কাজ করেছেন। ফারাহ আহমেদ তার পরিবারের সে ধারাটি সমুন্নত রেখেছেন।

তিনি নিয়মিত বাংলাদেশে যান এবং বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক স্বকিয়তাকে তুলে ধরেন। ফারাহ আহমেদ নতুন প্রজন্মের বাংলাদেশী আমেরিকানদের জন্য অনুপ্রেরণা জাগাবেন।

ফারাহ আহমেদের অসাধারণ সাফল্যে আমরা গর্বিত এবং তাকে ও তার পরিবারের সবাইকে অভিনন্দন জানাই।

লেখক : পরিপাকতন্ত্র ও লিভার বিশেষজ্ঞ
ফ্যাকাল্টি, কলেজ অব মেডিসিন,
ইউনিভার্সিটি অব সেন্ট্রাল ফ্লোরিডা।

এইচআর/জেআইএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।