করোনার অঞ্চলভিত্তিক বিস্তৃতি নির্ধারণে পদক্ষেপ জরুরি

সম্পাদকীয় ডেস্ক সম্পাদকীয় ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৯:২৮ এএম, ১৮ এপ্রিল ২০২১

ড. মুহম্মদ দিদারে আলম মুহসিন

দেশে করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার হু হু করে বাড়ছে। বিগত জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি নাগাদ সংক্রমণ যখন মোটামুটি নিয়ন্ত্রণে চলে আসে, অনেকেই হয়তো ভেবে বসেছিলেন দেশে করোনা অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটতে চলেছে। সাধারণ্যে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলায় একরকম গা-ছাড়া ভাব দেখা দেয়। চারিদিকে বিয়ে-শাদি, সভা-সমাবেশ, ঘোরাঘুরি- এসবের ধূম পড়ে যায়। কিন্তু, মাঝ ফেব্রুয়ারি থেকে সংক্রমণ ফের বাড়তে শুরু করে, মার্চের মাঝামাঝি তা ক্ষিপ্রগতিতে উর্ধ্বমুখী হয়। এপ্রিলের ১ম অংশে এসে নতুন শনাক্তের সংখ্যা অতীতের সকল রেকর্ড ছাড়িয়ে টানা কয়েক দিন ৭,০০০ -এর উপরে অবস্থান করে। গত কয়েকদিন নতুন শনাক্তের সংখ্যায় আপাতদৃষ্টিতে একটি নিম্নমুখী প্রবণতা দৃশ্যমান হলেও পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার প্রায় অপরিবর্তিত রয়েছে এবং মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েই চলছে। এতে মনে হতে পারে, নতুন শনাক্তের সংখ্যার এ নিম্নগতি হয়তোবা অপেক্ষাকৃত কম সংখ্যক পরীক্ষা সম্পাদনের ফল।

বিশ্বের অনেক দেশেই করোনার নতুন ঢেউ আঘাত হেনেছে। স্বাভাবিকভাবে, আমাদের দেশেও এটা অপ্রত্যাশিত ছিলো না। তবে, ধারণা করা হচ্ছিল, এটা শীতে আসবে। কিন্তু, বাস্তবে আসল গরমে। তবে, নতুন এ ধাক্কার পেছনে হেতু কি? নিঃসন্দেহে স্বাস্থ্যবিধি মানায় সাধারণ্যের গাফিলতি এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে, তবে সংক্রমণ বৃদ্ধির ক্ষিপ্রগতি এখানে ভিন্ন কিছুর ইঙ্গিত দিচ্ছিল। অবশেষে, সাম্প্রতিক সময়ে সিএইচআরএফ ও আইসিডিডিআর,বি পরিচালিত দু'টি গবেষণা থেকে বিষয়টি অনেকটাই পরিষ্কার হয়ে যায়।

মার্চের তৃতীয় সপ্তাহে এ দু'টি প্রতিষ্ঠানের স্বতন্ত্রভাবে পরিচালিত গবেষণায় দেখা গেছে, সাম্প্রতিক করোনা রোগীদের ৮০-৮১ শতাংশ করোনাভাইরাসের সাউথ আফ্রিকান ভ্যারিয়েন্ট এবং ১০-১২ শতাংশ ইউকে ভ্যারিয়েন্টে সংক্রমিত হয়েছেন। দেশে প্রথমবারের মতো করোনাভাইরাসের ইউকে ও সাউথ আফ্রিকান ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হয় যথাক্রমে ৬ই জানুয়ারি ও ৬ই ফেব্রুয়ারি তারিখে। সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত বিভিন্ন গবেষণা প্রতিবেদন অনুসারে, মার্চের ২য় সপ্তাহ পর্যন্ত ইউকে ভ্যারিয়েন্টের সংক্রমণ বাড়তে থাকে। এরপর দ্রুত এর জায়গা দখল করে নেয় সাউথ আফ্রিকান ভ্যারিয়েন্ট, যার শতকরা হার মার্চের শেষ নাগাদ ৮১ শতাংশে পৌঁছে। যদিও এ গবেষণাসমূহ স্বল্প সংখ্যক নমুনার উপর ভিত্তি করে পরিচালিত হয়েছে, তথাপি এগুলো থেকে দেশে এসব ভ্যারিয়েন্টের বিস্তৃতির সামগ্রিক গতিপ্রকৃতির একটি মোটামুটি চিত্র অবশ্যই পাওয়া যাচ্ছে।

একটি ভাইরাস যখন বংশ বৃদ্ধির লক্ষ্যে তার প্রতিলিপি তৈরি করে, তখন মাঝে মাঝে এর জেনেটিক মেটেরিয়ালে ছোট-খাট ত্রুটি ঘটে। একেই আমরা মিউটেশন বলি এবং এভাবেই নতুন ভ্যারিয়েন্টের উদ্ভব ঘটে। ভাইরাস জগতে এটি একটি স্বাভাবিক ঘটনা। ২০১৯ সালের শেষ দিকে আবির্ভাবের পর থেকে এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাসের ৪,০০০ -এর অধিক ভ্যারিয়েন্টের সন্ধান মিলেছে। এধরনের একটি ভ্যারিয়েন্ট কেবল তখনই বিজ্ঞানীদের মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়ায়, যখন তা দ্রুততর গতিতে ছড়ায়, রোগের লক্ষণাদিতে পরিবর্তন আনে কিংবা অধিকতর শারীরিক সমস্যা কিংবা মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়ায়, শনাক্তকরণের নিয়মিত পদ্ধতিকে পাশ কাটিয়ে যায়, প্রচলিত ওষুধ কিংবা চিকিৎসা পদ্ধতির মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা না যায়, অথবা ক্ষেত্রবিশেষে ইতোপূর্বেকার সংক্রমণ কিংবা টিকা গ্রহণের ফলে একজন ব্যক্তির শরীরে যে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হয় তার প্রতি সাড়া না দেয়। এ ধরনের ভ্যারিয়েন্টসমূহকে ভ্যারিয়েন্ট অব কনসার্ন নামে অভিহিত করা হয়। বিজ্ঞানীরা করোনাভাইরাসের এ ধরনের চারটি ভ্যারিয়েন্ট চিহ্নিত করেছেন, যথা- ইউকে ভ্যারিয়েন্ট (বি.১.১.৭), সাউথ আফ্রিকান ভ্যারিয়েন্ট (বি.১.৩৫১), ব্রাজিলিয়ান ভ্যারিয়েন্ট (পি.১) এবং ক্যালিফোর্নিয়ান ভ্যারিয়েন্ট (বি.১.৪২৭ এবং বি.১.৪২৯)। দেশে গত মার্চে ব্রাজিলিয়ান ভ্যারিয়েন্টও শনাক্ত হয়েছে বলে রিপোর্ট এসেছে, তবে সম্ভবত এখনও ক্যালিফোর্নিয়া ভ্যারিয়েন্টের উপস্থিতির কোন তথ্য মেলেনি।

ইউকে, সাউথ আফ্রিকান ও ব্রাজিলিয়ান ভ্যারিয়েন্ট- এদের সকলের স্পাইক প্রোটিনে N501Y নামে একটি কমন মিউটেশন ঘটেছে, যা তাদেরকে মানবকোষের ACE2 রিসেপ্টরের সাথে আরও ভালভাবে আবদ্ধ হতে সাহায্য করে। এটিই এদের করোনাভাইরাসের মূল সংস্করণ (wild type)-এর চেয়ে অধিকতর সংক্রামক হওয়ার অন্তর্নিহিত কারণ। বিভিন্ন সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য মোতাবেক, মূল করোনাভাইরাসের তুলনায় ইউকে ভ্যারিয়েন্ট ৩০-৫০%, সাউথ আফ্রিকান ভ্যারিয়েন্ট ৫০% এবং ব্রাজিলিয়ান ভ্যারিয়েন্ট ১৫০% অধিকতর সংক্রামক।

সাউথ আফ্রিকান ভ্যারিয়েন্টের স্পাইক প্রোটিনে E484K এবং K417N নামে আরও দু'টি গুরুত্বপূর্ণ মিউটেশন দেখা যায়। এই মিউটেশন সমূহের কারণে করোনাভাইরাসের এই ভ্যারিয়েন্টের সাথে মূল ভাইরাসের বিরুদ্ধে তৈরি হওয়া এন্টিবডি ঠিক মতো যুক্ত হতে পারে না। এটার মানে দাঁড়াচ্ছে, ইতোপূর্বে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন, এমন ব্যক্তি এই ভ্যারিয়েন্টে পুনরায় আক্রান্ত হতে পারেন। তাছাড়া, মূল করোনাভাইরাসকে টার্গেট করে ইতোমধ্যে যেসব টিকা তৈরি করা হয়েছে, সেগুলো এই ভ্যারিয়েন্টের বিরুদ্ধে পর্যাপ্ত সুরক্ষা নাও দিতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ সংক্রামক ব্যাধি বিশেষজ্ঞ ডা. এন্থনি ফ'সির ভাষায়: 'সাউথ আফ্রিকান ভ্যারিয়েন্টটি সবচেয়ে উদ্বেগের। কারণ এতে যে মিউটেশন ঘটেছে তা একে টিকা গ্রহণ বা ইতোপূর্বে কোভিড-১৯-এ আক্রান্ত হওয়ার ফলে শরীরে যে এন্টিবডি তৈরি হয় তা থেকে 'লুকিয়ে' থাকতে সাহায্য করে এবং ফলে এর বিরুদ্ধে টিকার কার্যকরিতা হ্রাস পেতে পারে।' (Covid mutations could prolong the pandemic another year, health officials warn | DailyMail, Jan 29, 2021) উল্লেখ করা যেতে পারে, ব্রাজিলিয়ান ভ্যারিয়েন্টেও অনুরূপ মিউটেশনের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে (E484K, K417T)।

এবার আসুন, রোগীর ভোগান্তি ও মৃত্যুর নিরিখে এসব মিউটেশনের অবস্থান বিবেচনা করা যাক। যুক্তরাজ্য সরকারের নিউ এন্ড ইমার্জিং রেসপিরেটরি ভাইরাস থ্রেটস এডভাইজরি গ্রুপ (নার্ভট্যাগ)-এর মতে, ইউকে ভ্যারিয়েন্টে মৃত্যুর ঝুঁকি ৩০-৪০% বেশি। সাউথ আফ্রিকান ভ্যারিয়েন্ট অধিকতর প্রাণঘাতি বলে প্রতীয়মান না হলেও সাউথ আফ্রিকায় দেখা গেছে, সংক্রমণ বৃদ্ধির ফলে হাসপাতালসমূহ চাপে পড়ে যাওয়াতে মৃত্যুর ঝুঁকি বেড়ে গেছে। এদেশেও দিনের পর দিন মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। সংবাদ মাধ্যমের তথ্য অনুসারে, দেশে ডাক্তাররা দেখছেন, সাম্প্রতিক সংক্রমণসমূহে অনেক রোগীর দ্রুত উল্লেখযোগ্য পরিমাণে (৩০-৪০%) ফুসফুস ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের ৪০-৫০ শতাংশেরই অক্সিজেন প্রয়োজন হচ্ছে। তাছাড়া, রোগের উপসর্গেও এসেছে পরিবর্তন। সর্দি-কাশি কিংবা জ্বরের মতো প্রথাগত উপসর্গের পরিবর্তে অনেকেই মাথা-ব্যথা, ডায়রিয়ার ও অস্বাভাবিক আচরণসহ নানা উপসর্গ নিয়ে আসছেন এবং টেস্টে পজিটিভ প্রমাণিত হচ্ছেন। এবারকার সংক্রমণে আরেকটি উল্লেখযোগ্য দিক হল, এখানে তরুণরাই আক্রান্ত হচ্ছে বেশি। (করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় দফা সংক্রমণে তরুণদের আক্রান্তের হার বেশি | চ্যানেল আই, মার্চ ১৬, ২০২১)

এ মুহূর্তে সম্ভবত একটি প্রধান চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে: এসব ভ্যারিয়েন্ট, বিশেষ করে সাউথ আফ্রিকান ভ্যারিয়েন্টের বিরুদ্ধে বিদ্যমান টিকাসমূহ কতটুকু সুরক্ষা দিতে সক্ষম। একটি গবেষণায় দেখা গেছে, এস্ট্রাজেনেকা ভ্যাক্সিন সাউথ আফ্রিকান ভ্যারিয়েন্টের মৃদু সংক্রমণ ঠেকাতে প্রায় অকার্যকর। অন্য একটি গবেষণা মতে, এক্ষেত্রে নোভাভ্যাক্সের কার্যকারিতা প্রায় ৫০ শতাংশ। তবে, তীব্র সংক্রমণের বিরুদ্ধেও এস্ট্রাজেনেকা বা নোভাভ্যাক্স কতটা সুরক্ষা দিতে পারবে তা স্পষ্ট নয়। জনসন এন্ড জনসনের ভ্যাক্সিন নিয়ে পরিচালিত একটি বড় পরিসরের গবেষণায় এটি সাউথ আফ্রিকান ভ্যারিয়েন্টের তীব্র সংক্রমণ রোধে ৮৫% কার্যকর বলে প্রমাণিত হয়েছে। ফাইজারের ভ্যাক্সিন নিয়ে পরিচালিত একটি অপেক্ষাকৃত ছোট গবেষণায় এটি এমনকি সাউথ আফ্রিকান ভ্যারিয়েন্টের মৃদু সংক্রমণ ঠেকাতেও শতভাগ কার্যকর বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে। (Vaccines And Variants: What We Know So Far : Goats and Soda : NPR, April 09, 2021)

দেশে ইতোমধ্যে টিকা দান কর্মসূচি চালু হয়েছে। আমরা এসট্রাজেনেকার টিকা নিচ্ছি। যেহেতু, এ মুহূর্তে নতুন করে সংক্রমণ বৃদ্ধির ক্ষেত্রে সাউথ আফ্রিকান ভ্যারিয়েন্ট প্রধান ভূমিকা রাখছে বলে প্রতীয়মান হচ্ছে এবং এখন পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুসারে, এই ভ্যারিয়েন্টের বিরুদ্ধে এস্ট্রাজেনেকার টিকার কার্যকরিতা প্রশ্নসাপেক্ষ, আমাদের এ ব্যাপারে আরও খোঁজ-খবর নেয়া এবং বিকল্প টিকা সংগ্রহের বিষয় গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা দরকার। পাশাপাশি, দেশের বিভিন্ন অঞ্চল, বিশেষ করে করোনা উপদ্রুত এলাকাসমূহ থেকে নমুনা সংগ্রহ করে বড় পরিসরে সমীক্ষা চালিয়ে করোনাভাইরাসের বিভিন্ন ভ্যারিয়েন্টের অঞ্চলভিত্তিক বিস্তৃতি নির্ধারণে আশু পদক্ষেপ গ্রহণ জরুরি। অন্যথায়, টিকা দান কর্মসূচি কাঙ্ক্ষিত ফল দানে ব্যর্থ হতে পারে।

সবাই ভাল থাকুন।
লেখক : অধ্যাপক, ফার্মেসি বিভাগ, জাবি।

এইচআর/এমএস

দেশে ইতোমধ্যে টিকাদান কর্মসূচি চালু হয়েছে। আমরা এসট্রাজেনেকার টিকা নিচ্ছি। যেহেতু, এ মুহূর্তে নতুন করে সংক্রমণ বৃদ্ধির ক্ষেত্রে সাউথ আফ্রিকান ভ্যারিয়েন্ট প্রধান ভূমিকা রাখছে বলে প্রতীয়মান হচ্ছে এবং এখন পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুসারে, এই ভ্যারিয়েন্টের বিরুদ্ধে এস্ট্রাজেনেকার টিকার কার্যকরিতা প্রশ্নসাপেক্ষ, আমাদের এ ব্যাপারে আরও খোঁজ-খবর নেয়া এবং বিকল্প টিকা সংগ্রহের বিষয় গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা দরকার।

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

১৫,৫৮,১৩,২৭১
আক্রান্ত

৩২,৫৪,৮৭৭
মৃত

১৩,৩৯,৫৭,৩৯০
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ৭,৬৭,৩৩৮ ১১,৭৫৫ ৬,৯৮,৪৬৫
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৩,৩৩,২০,৯৭৯ ৫,৯৩,১৩৪ ২,৬০,২২,৫৯৪
ভারত ২,১০,৭০,৮৫২ ২,৩০,১৫১ ১,৭২,৬৯,০৭৬
ব্রাজিল ১,৪৯,৩৬,৪৬৪ ৪,১৪,৬৪৫ ১,৩৫,২৯,৫৭২
ফ্রান্স ৫৭,০৬,৩৭৮ ১,০৫,৬৩১ ৪৭,২৯,৪১৮
তুরস্ক ৪৯,৫৫,৫৯৪ ৪১,৮৮৩ ৪৫,৮৯,৫০১
রাশিয়া ৪৮,৪৭,৪৮৯ ১,১১,৮৯৫ ৪৪,৬৪,৫৫০
যুক্তরাজ্য ৪৪,২৫,৯৪০ ১,২৭,৫৭০ ৪২,৩৭,৯১৩
ইতালি ৪০,৭০,৪০০ ১,২২,০০৫ ৩৫,৪১,২৬৬
১০ স্পেন ৩৫,৫১,২৬২ ৭৮,৫৬৬ ৩২,৩২,৯২৬
১১ জার্মানি ৩৪,৬৯,৪৪৮ ৮৪,৫৯৩ ৩০,৮৪,৭০০
১২ আর্জেন্টিনা ৩০,৭১,৪৯৬ ৬৫,৮৬৫ ২৭,৩৪,৪৬৫
১৩ কলম্বিয়া ২৯,৩৪,৬১১ ৭৬,০১৫ ২৭,৫৪,৯৪০
১৪ পোল্যান্ড ২৮,১১,৯৫১ ৬৮,৪৮২ ২৫,৪০,৬৮৪
১৫ ইরান ২৫,৯১,৬০৯ ৭৩,৫৬৮ ২০,৩৯,৪২৭
১৬ মেক্সিকো ২৩,৫২,৯৬৪ ২,১৭,৭৪০ ১৮,৭৫,২১১
১৭ ইউক্রেন ২০,৯০,৯৮৬ ৪৫,০৭৭ ১৬,৯৭,৩৫৮
১৮ পেরু ১৮,১৮,৬৮৯ ৬২,৬৭৪ ১৭,১৪,৯৯৫
১৯ ইন্দোনেশিয়া ১৬,৯১,৬৫৮ ৪৬,৩৪৯ ১৫,৪৭,০৯২
২০ চেক প্রজাতন্ত্র ১৬,৩৯,২৪৮ ২৯,৪৭৯ ১৫,৬৮,৬৩০
২১ দক্ষিণ আফ্রিকা ১৫,৮৮,২২১ ৫৪,৫৫৭ ১৫,১০,৩৮৫
২২ নেদারল্যান্ডস ১৫,৩১,৮০০ ১৭,২৪৫ ১২,৯০,২৪৫
২৩ কানাডা ১২,৫৭,৩২৮ ২৪,৪৫০ ১১,৫১,২০৭
২৪ চিলি ১২,২২,৯৪৯ ২৬,৭২৬ ১১,৬০,৯৪৫
২৫ ইরাক ১০,৯১,৯৫৪ ১৫,৬৪০ ৯,৭৯,০৪১
২৬ ফিলিপাইন ১০,৭৩,৫৫৫ ১৭,৮০০ ৯,৯৩,০৪২
২৭ রোমানিয়া ১০,৬০,৮৯৫ ২৮,৬১৬ ১০,০২,৯৮৫
২৮ বেলজিয়াম ৯,৯৯,৬২৭ ২৪,৩৬৭ ৮,৭৬,৬৭৪
২৯ সুইডেন ৯,৯৫,৫৯৫ ১৪,১৫১ ৮,২০,৮৩১
৩০ পাকিস্তান ৮,৪১,৬৩৬ ১৮,৪২৯ ৭,৩৮,৭২৭
৩১ ইসরায়েল ৮,৩৮,৭৬৭ ৬,৩৭০ ৮,৩১,২১৮
৩২ পর্তুগাল ৮,৩৮,১০২ ১৬,৯৮৩ ৭,৯৮,৪১৪
৩৩ হাঙ্গেরি ৭,৮৫,৯৬৭ ২৮,১৭৩ ৫,৩৮,৯৬৫
৩৪ জর্ডান ৭,১৬,৯২৩ ৮,৯৮৮ ৬,৯৬,৫২৪
৩৫ সার্বিয়া ৬,৯৫,৮৭৫ ৬,৪৭৮ ৬,৫১,২৬০
৩৬ সুইজারল্যান্ড ৬,৬৭,৩৮০ ১০,৬৮৫ ৫,৯৪,৭৬৪
৩৭ অস্ট্রিয়া ৬,২৬,২৩৯ ১০,৩১১ ৫,৯৫,৮৭৭
৩৮ জাপান ৬,১২,৩৬০ ১০,৪৭০ ৫,৩৮,৯৪৬
৩৯ লেবানন ৫,৩০,২১৭ ৭,৩৯০ ৪,৭৩,১১৪
৪০ সংযুক্ত আরব আমিরাত ৫,২৯,২২০ ১,৬০১ ৫,০৯,৬৫৮
৪১ মরক্কো ৫,১২,৬৫৬ ৯,০৪৩ ৪,৯৯,৪৯১
৪২ মালয়েশিয়া ৪,২৪,৩৭৬ ১,৫৯১ ৩,৮৯,৮৪৬
৪৩ সৌদি আরব ৪,২২,৩১৬ ৭,০১৮ ৪,০৫,৬০৭
৪৪ বুলগেরিয়া ৪,০৭,৮২৭ ১৬,৭৭৩ ৩,৪৪,৮৯৫
৪৫ ইকুয়েডর ৩,৯৩,০৪৮ ১৮,৯০৭ ৩,২৯,৫৮২
৪৬ স্লোভাকিয়া ৩,৮৪,৩১৭ ১১,৮৮৬ ৩,৬৫,৬১৮
৪৭ পানামা ৩,৬৫,৯৭৫ ৬,২৫২ ৩,৫৫,৮২৮
৪৮ বেলারুশ ৩,৬৩,৭৩২ ২,৫৯২ ৩,৫৪,২১২
৪৯ নেপাল ৩,৫৯,৬১০ ৩,৪৭৫ ২,৮৯,৭৮৩
৫০ গ্রীস ৩,৫২,০২৭ ১০,৭৬৪ ৩,১৫,৮০৮
৫১ ক্রোয়েশিয়া ৩,৩৯,৪১২ ৭,৩১৫ ৩,১৯,৯৬২
৫২ কাজাখস্তান ৩,৩২,৩৬৯ ৩,৭৯৬ ২,৮৪,৩৭১
৫৩ আজারবাইজান ৩,২৩,৮৪১ ৪,৬১৭ ২,৯৮,৯৪৯
৫৪ জর্জিয়া ৩,১৫,৯১৩ ৪,২০৭ ২,৯৬,৫৩২
৫৫ তিউনিশিয়া ৩,১৫,৬০০ ১১,১২২ ২,৬৯,৬৫৩
৫৬ বলিভিয়া ৩,১০,৫৭২ ১৩,০৮২ ২,৫৫,৯২৮
৫৭ ফিলিস্তিন ২,৯৯,৭৩৬ ৩,৩১৭ ২,৭৯,৬৫২
৫৮ প্যারাগুয়ে ২,৮৬,৬৬৭ ৬,৭২২ ২,৩৭,২৭৬
৫৯ কুয়েত ২,৮০,৫৩৬ ১,৬১০ ২,৬৪,০৯৪
৬০ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ২,৬৮,৫৬১ ৩,৫০৯ ২,২৯,৪৫৩
৬১ কোস্টারিকা ২,৬০,৫৩৫ ৩,৩২৬ ২,০৯,৩৩৫
৬২ ইথিওপিয়া ২,৬০,১৩৯ ৩,৭৯৫ ২,০৩,৪০৮
৬৩ ডেনমার্ক ২,৫৫,৪৭০ ২,৪৯২ ২,৪৩,০১৩
৬৪ লিথুনিয়া ২,৫২,৬৯৯ ৩,৯৯৩ ২,২৭,৫২৬
৬৫ মলদোভা ২,৫১,৮২০ ৫,৮৯২ ২,৪১,৯১২
৬৬ আয়ারল্যান্ড ২,৫১,০৮৭ ৪,৯১৫ ২,৩৩,৫৫৮
৬৭ স্লোভেনিয়া ২,৪৩,৭১৯ ৪,২৭৯ ২,২৯,৮৬১
৬৮ মিসর ২,৩২,৯০৫ ১৩,৬৫৫ ১,৭৪,২১৭
৬৯ গুয়াতেমালা ২,৩১,২৮৯ ৭,৬৪২ ২,০৯,০৯৬
৭০ আর্মেনিয়া ২,১৭,৯০০ ৪,১৭৮ ২,০১,৫৫৯
৭১ হন্ডুরাস ২,১৫,৮৩৩ ৫,৩৮৬ ৭৯,৩৫০
৭২ উরুগুয়ে ২,০৯,৮৬৭ ২,৯১৮ ১,৮১,৭১৯
৭৩ কাতার ২,০৮,৮৭৭ ৪৮৯ ১,৯৬,৯০৬
৭৪ ভেনেজুয়েলা ২,০১,৮০৭ ২,২০৮ ১,৮৪,১৬১
৭৫ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ১,৯৯,৮৮২ ৮,৭৩৬ ১,৬২,২৭৩
৭৬ ওমান ১,৯৮,৫৭২ ২,০৭১ ১,৮০,৫৪৭
৭৭ বাহরাইন ১,৮৩,৩৩০ ৬৬৪ ১,৭০,৮৮৬
৭৮ লিবিয়া ১,৭৮,৯২৭ ৩,০৫৮ ১,৬৫,০৫৮
৭৯ নাইজেরিয়া ১,৬৫,২৭৩ ২,০৬৫ ১,৫৫,৪০৩
৮০ কেনিয়া ১,৬১,৩৯৩ ২,৮২৫ ১,০৯,৭৬৯
৮১ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ১,৫৩,১৩৭ ৫,০১৬ ১,৩৫,৩৬৭
৮২ মায়ানমার ১,৪২,৮৭৪ ৩,২১০ ১,৩১,৯৯৯
৮৩ আলবেনিয়া ১,৩১,৪১৯ ২,৪০৩ ১,১৩,৪৬৮
৮৪ দক্ষিণ কোরিয়া ১,২৪,৯৪৫ ১,৮৪৭ ১,১৪,৯৪৪
৮৫ এস্তোনিয়া ১,২৩,৭৮১ ১,১৮৩ ১,১৪,০৩৩
৮৬ আলজেরিয়া ১,২৩,২৭২ ৩,২৯৯ ৮৫,৮৬৯
৮৭ লাটভিয়া ১,২০,৭৩৬ ২,১৬৬ ১,১০,১৫৩
৮৮ শ্রীলংকা ১,১৭,৫২৯ ৭২০ ১,০০,০৭৫
৮৯ নরওয়ে ১,১৪,৯০৫ ৭৬৭ ৮৮,৯৫২
৯০ কিউবা ১,১১,৬৫৪ ৬৯৪ ১,০৫,৩১২
৯১ মন্টিনিগ্রো ৯৭,৯৩০ ১,৫২১ ৯৪,৩৬৩
৯২ কিরগিজস্তান ৯৬,৯৫৮ ১,৬৩৭ ৯০,৩৯৪
৯৩ ঘানা ৯২,৮২৮ ৭৮৩ ৯০,৪৬২
৯৪ উজবেকিস্তান ৯২,৭২৪ ৬৫৫ ৮৮,৫৩৫
৯৫ জাম্বিয়া ৯১,৮৪৯ ১,২৫৫ ৯০,১৯৮
৯৬ চীন ৯০,৭২১ ৪,৬৩৬ ৮৫,৭৬৬
৯৭ ফিনল্যাণ্ড ৮৭,৭৯৮ ৯১৮ ৪৬,০০০
৯৮ থাইল্যান্ড ৭৪,৯০০ ৩১৮ ৪৪,৩৬০
৯৯ ক্যামেরুন ৭২,২৫০ ১,১০৭ ৬৭,৬২৫
১০০ মোজাম্বিক ৭০,০৫২ ৮১৮ ৬৭,৩৪৩
১০১ এল সালভাদর ৬৯,৯৯৭ ২,১৪১ ৬৫,৫৩১
১০২ সাইপ্রাস ৬৭,৯৮২ ৩২৭ ৩৯,০৬১
১০৩ লুক্সেমবার্গ ৬৭,৮৫০ ৮০০ ৬৪,৪৪৩
১০৪ সিঙ্গাপুর ৬১,২৬৮ ৩১ ৬০,৮৪৪
১০৫ আফগানিস্তান ৬১,১৬২ ২,৬৬৪ ৫৩,৭৫০
১০৬ নামিবিয়া ৪৯,৩২৩ ৬৬৭ ৪৬,৬৮৩
১০৭ বতসোয়ানা ৪৭,৮৫১ ৭২৪ ৪৫,৬৪৫
১০৮ আইভরি কোস্ট ৪৬,২৩১ ২৯১ ৪৫,৭৩৩
১০৯ জ্যামাইকা ৪৬,১৯৪ ৭৯৪ ২১,৭৭৯
১১০ উগান্ডা ৪২,১০২ ৩৪৩ ৪১,৬৫২
১১১ মঙ্গোলিয়া ৪১,৫২৪ ১৩০ ২৫,৬৪১
১১২ সেনেগাল ৪০,৫৪৪ ১,১১৪ ৩৯,২৪২
১১৩ জিম্বাবুয়ে ৩৮,৩৫৭ ১,৫৭৪ ৩৫,৮১১
১১৪ মাদাগাস্কার ৩৮,১১৬ ৬৯০ ৩৪,০৬০
১১৫ মালাউই ৩৪,১৪৩ ১,১৫১ ৩২,১৩১
১১৬ সুদান ৩৩,৬৪৮ ২,৩৬৫ ২৭,২৪৭
১১৭ মালদ্বীপ ৩২,৬৬৫ ৭৪ ২৫,৪৭৩
১১৮ মালটা ৩০,৪১১ ৪১৬ ২৯,৭১৫
১১৯ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ৩০,১৩০ ৭৭০ ২৬,২৮২
১২০ অস্ট্রেলিয়া ২৯,৮৬২ ৯১০ ২৮,৬৯৫
১২১ অ্যাঙ্গোলা ২৭,৫২৯ ৬১৮ ২৪,৪৯২
১২২ রুয়ান্ডা ২৫,৪২১ ৩৩৮ ২৩,৭১০
১২৩ কেপ ভার্দে ২৫,১৫৯ ২২৯ ২১,৭৬৩
১২৪ গ্যাবন ২৩,২০১ ১৪০ ১৯,৭৪০
১২৫ সিরিয়া ২৩,১২১ ১,৬২৫ ১৭,৭২৫
১২৬ গিনি ২২,৪৬৮ ১৪৮ ১৯,৯৮৭
১২৭ রিইউনিয়ন ২১,৬০১ ১৫০ ১৯,৮৪৮
১২৮ মায়োত্তে ২০,১৩৪ ১৭০ ২,৯৬৪
১২৯ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ২০,০৭৮ ১০৪ ৯,৯৯৫
১৩০ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ১৮,৭৭৫ ১৪১ ১৮,৬১০
১৩১ মৌরিতানিয়া ১৮,৫৪২ ৪৫৬ ১৭,৮০০
১৩২ ইসওয়াতিনি ১৮,৪৬৭ ৬৭১ ১৭,৭৬৮
১৩৩ কম্বোডিয়া ১৬,৯৭১ ১১০ ৬,০১৯
১৩৪ গুয়াদেলৌপ ১৫,৩৬০ ২১০ ২,২৪২
১৩৫ সোমালিয়া ১৪,১২১ ৭২১ ৬,০০৯
১৩৬ মালি ১৩,৯৯৮ ৪৯৩ ৮,৮৫৬
১৩৭ গায়ানা ১৩,৮২৯ ৩০৮ ১১,৬৭২
১৩৮ বুর্কিনা ফাঁসো ১৩,৩৪৫ ১৬১ ১৩,১০১
১৩৯ এনডোরা ১৩,৩৪০ ১২৭ ১২,৮৮৪
১৪০ তাজিকিস্তান ১৩,৩০৮ ৯০ ১৩,২১৮
১৪১ হাইতি ১৩,১৪৯ ২৬০ ১২,১৫১
১৪২ টোগো ১৩,০৬৮ ১২৩ ১১,৩৮৫
১৪৩ বেলিজ ১২,৬৮০ ৩২৩ ১২,২৬১
১৪৪ কিউরাসাও ১২,২১৮ ১১৩ ১১,৮৬৪
১৪৫ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ১২,১০৫ ১৮৯ ৮,৮৯২
১৪৬ হংকং ১১,৭৯৭ ২১০ ১১,৪৬২
১৪৭ মার্টিনিক ১১,৫৫৮ ৮৩ ৯৮
১৪৮ পাপুয়া নিউ গিনি ১১,২৭৩ ১২১ ৯,৭৭৩
১৪৯ জিবুতি ১১,২৬৮ ১৪৭ ১০,৯৬১
১৫০ কঙ্গো ১১,০১৬ ১৪৭ ৮,২০৮
১৫১ লেসোথো ১০,৭৪৯ ৩১৯ ৬,২৬৭
১৫২ আরুবা ১০,৭২১ ১০০ ১০,৪৮২
১৫৩ সুরিনাম ১০,৬৯৬ ২১২ ৯,৬০২
১৫৪ দক্ষিণ সুদান ১০,৬১৩ ১১৫ ১০,৩১২
১৫৫ বাহামা ১০,৫৭৬ ২১০ ৯,৫৭৯
১৫৬ বেনিন ৭,৮৮৪ ১০০ ৭,৬৫২
১৫৭ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ৭,৬৯৪ ১১২ ৭,২৭৯
১৫৮ নিকারাগুয়া ৬,৯৮৯ ১৮৩ ৪,২২৫
১৫৯ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ৬,৫২১ ৯১ ৫,১১২
১৬০ আইসল্যান্ড ৬,৪৯৭ ২৯ ৬,২৯৫
১৬১ ইয়েমেন ৬,৪১৪ ১,২৬০ ২,৯৬৬
১৬২ সিসিলি ৬,৩৭৩ ২৮ ৫,২৭৭
১৬৩ গাম্বিয়া ৫,৯১৪ ১৭৫ ৫,৪৭৩
১৬৪ নাইজার ৫,২৮৬ ১৯২ ৪,৮৭০
১৬৫ সান ম্যারিনো ৫,০৬৭ ৯০ ৪,৯৩৫
১৬৬ চাদ ৪,৮৪৭ ১৭০ ৪,৫৭০
১৬৭ সেন্ট লুসিয়া ৪,৫৮৫ ৭৪ ৪,৪০৬
১৬৮ জিব্রাল্টার ৪,২৯১ ৯৪ ৪,১৮৮
১৬৯ চ্যানেল আইল্যান্ড ৪,১১১ ৮৬ ৩,৯৬৫
১৭০ বুরুন্ডি ৪,০৬৯ ৭৭৩
১৭১ সিয়েরা লিওন ৪,০৬৮ ৭৯ ৩,০৭৮
১৭২ বার্বাডোস ৩,৯১৫ ৪৫ ৩,৮২১
১৭৩ কমোরস ৩,৮৪৭ ১৪৬ ৩,৬৮১
১৭৪ গিনি বিসাউ ৩,৭৩৮ ৬৭ ৩,৩৭৩
১৭৫ ইরিত্রিয়া ৩,৭০৭ ১২ ৩,৫৩৮
১৭৬ ভিয়েতনাম ৩,০২২ ৩৫ ২,৫৬০
১৭৭ লিচেনস্টেইন ২,৯৫৬ ৫৭ ২,৮৩৯
১৭৮ পূর্ব তিমুর ২,৭৮৬ ১,৩৬৮
১৭৯ নিউজিল্যান্ড ২,৬২৯ ২৬ ২,৫৭৮
১৮০ মোনাকো ২,৪৭১ ৩২ ২,৩৯৩
১৮১ বারমুডা ২,৪২৭ ৩০ ১,৯৮০
১৮২ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড ২,৪০০ ১৭ ২,৩৪৩
১৮৩ সিন্ট মার্টেন ২,২৪৩ ২৭ ২,১৯৩
১৮৪ লাইবেরিয়া ২,১১৩ ৮৫ ১,৯৫৯
১৮৫ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড ১,৮৮২ ১১ ১,৭৩১
১৮৬ সেন্ট মার্টিন ১,৭৪৫ ১২ ১,৩৯৯
১৮৭ আইল অফ ম্যান ১,৫৯০ ২৯ ১,৫৪৯
১৮৮ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস ১,৫৬৭ ১৬ ৬,৪৪৫
১৮৯ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ১,২৩২ ৩২ ১,০১৪
১৯০ মরিশাস ১,২১৬ ১৭ ১,১১১
১৯১ তাইওয়ান ১,১৬০ ১২ ১,০৭৪
১৯২ ভুটান ১,১৪৪ ১,০১৭
১৯৩ লাওস ১,০৭২ ৯৯
১৯৪ সেন্ট বারথেলিমি ৯৭৪ ৪৬২
১৯৫ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১৩ ৬৯৯
১৯৬ ফারে আইল্যান্ড ৬৬৮ ৬৬২
১৯৭ কেম্যান আইল্যান্ড ৫৪৫ ৫৩৩
১৯৮ তানজানিয়া ৫০৯ ২১ ১৮৩
১৯৯ ওয়ালিস ও ফুটুনা ৪৪৪ ৪৪
২০০ ব্রুনাই ২২৮ ২১৮
২০১ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ২১৬ ১৯১
২০২ ডোমিনিকা ১৭৪ ১৭২
২০৩ গ্রেনাডা ১৬০ ১৫৮
২০৪ ফিজি ১২৫ ৮৪
২০৫ নিউ ক্যালেডোনিয়া ১২৪ ৫৮
২০৬ এ্যাঙ্গুইলা ৯৫ ৩৫
২০৭ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড ৬৩ ৬৩
২০৮ ম্যাকাও ৪৯ ৪৯
২০৯ সেন্ট কিটস ও নেভিস ৪৫ ৪৪
২১০ গ্রীনল্যাণ্ড ৩১ ৩১
২১১ ভ্যাটিকান সিটি ২৭ ১৫
২১২ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন ২৫ ২৫
২১৩ মন্টসেরাট ২০ ১৯
২১৪ সলোমান আইল্যান্ড ২০ ২০
২১৫ পশ্চিম সাহারা ১০
২১৬ জান্ডাম (জাহাজ)
২১৭ মার্শাল আইল্যান্ড
২১৮ ভানুয়াতু
২১৯ সামোয়া
২২০ সেন্ট হেলেনা
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।
করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]