ঢাকা-১৩ ও ১৫ আসন

ধানের শীষ-দাঁড়িপাল্লা প্রতীক পেয়ে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৩:১২ পিএম, ২১ জানুয়ারি ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রিটার্নিং অফিসারের কাছ থেকে প্রতীক বরাদ্দ পেয়ে আচরণবিধি লঙ্ঘন নিয়ে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করেছেন বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীরা।

বুধবার (২১ জানুয়ারি) বিএনপির প্রার্থী শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন ধানের শীষ ও জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান দাঁড়িপাল্লা প্রতীক বরাদ্দ পেয়েছেন।

আগারগাঁওয়ে নির্বাচনি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে ঢাকা-১৩ ও ১৫ আসনের প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়।

পরে বিএনপির প্রার্থী শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন বলেন, ‘আচরণবিধি মেনেই এখানে এসেছি। দুঃখজনক হলো একটি বিশেষ দল আচরণবিধি মানেনি। আমরা পাঁচজন এসেছি, তারা (জামায়াতের প্রতিনিধি) ১০ জনের বেশি লোক এখানে নিয়ে এসেছে।

ঢাকা-১৫ আসনে জামায়াতের নারী কর্মীরা বাসায় বাসায় গিয়ে ভোটারদের আইডি কার্ড ও বিকাশ নম্বর সংগ্রহের অভিযোগ রয়েছে।

এই প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘন করে একটি দল নারীদের বাসায় বাসায় পাঠিয়ে দেয়। ভিডিওতে দেখা গেছে নারী কর্মীরা এনআইডি আর বিকাশ নাম্বার চাইছিল। এগুলো ব্যক্তিগত তথ্য। বাইরের কাউকে হস্তান্তরযোগ্য নয়। নারী কর্মীদের এসব জিজ্ঞেস করলে তারা ছুটোছুটি শুরু করেন। পরে তাদের নেতারা ২০-২৫ জন নিয়ে এসে প্রশ্নকর্তাকে নাজেহাল করেন।’

তিনি দাবি করেন, পীরেরবাগ, শেওড়াপাড়ায় একই ঘটনা ঘটে। স্থানীয় মানুষ জিজ্ঞেস করলে জামায়াতের সংঘবদ্ধ কর্মীরা বিএনপির দুজন কর্মীকে মারধর করে। সেখানে পরে হট্টগোল সৃষ্টি হয়। আমি ব্যক্তিগতভাবে পুলিশ, সেনাবাহিনীতে ফোন দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে অনুরোধ করি। ইসিকে অনুরোধ সবাই যেন নির্ভয়ে নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারে।’

জামায়াতের আমিরের পক্ষে রিটার্নিং অফিসারের কাছ থেকে প্রতীক বরাদ্দ নেন সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়েরসহ একটি প্রতিনিধি দল।

তিনি বলেন, ‘আশা করছি আগামী নির্বাচনে প্রার্থীরা সবাই অংশ নেবেন, গণভোট ‘হ্যাঁ’র মাধ্যমে বিজয়ী হবে। সুন্দর, নিরাপদ ও মানবিক বাংলাদেশের দিকে এগিয়ে যাবো। যদিও আমাদের ওপর সন্ত্রাসীরা হামলা করেছে। গতকালও করেছে। আশা করব এমন ঘটনা যেন আর না ঘটে। সন্ত্রাসমুক্ত নির্বাচন আশা করি। যেহেতু গত তিনটি নির্বাচন হয়নি তাই ইসিকে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করতে হবে।’

নারীদের দিয়ে আগাম প্রচারণার অভিযোগ অস্বীকার করেন তিনি। বিএনপির অভিযোগের বিষয়ে জামায়াতের এই নেতা বলেন, ‘পুরোপুরি অসত্য তথ্য। তফসিল ঘোষণার পর সব প্রচারণা সামগ্রী আমরা অপসারণ করেছি, ইসির অপেক্ষা করিনি। অপপ্রচার চালিয়ে ১০ দলীয় ঐক্য বিনষ্টের চেষ্টা চালাচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষপাতমূলক আচরণ হচ্ছে। ইসির দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি।’

এমওএস/এসএনআর/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।