এস এম জাহাঙ্গীর

হেরে যাওয়ার ভয়ে অরাজকতার চেষ্টা করলে জনগণ জবাব দেবে

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৮:৪৫ এএম, ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
সকালে ভোট দেওয়ার পর উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন/ছবি: জাগো নিউজ

বহুল প্রতীক্ষিত এই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণ হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন ঢাকা-১৮ আসনের বিএনপির প্রার্থী এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন। জনগণের রায়ে তিনি বিজয়ী হবেন বলেও প্রত্যাশা করছেন। তবে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের প্রতিও রাখছেন বন্ধুসুলভ মনোভাব।

এস এম জাহাঙ্গীর বলেন, দেশে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন চাইছে জনগণ। তবে হেরে যাওয়ার ভয়ে একটি বিশেষ গোষ্ঠী অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা করতে পারে, ভোটে কালিমা লাগানোর চেষ্টা করতে পারে। জনগণ সতর্ক রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও তৎপর। হেরে যাওয়ার ভয়ে অরাজকতার চেষ্টা করলে জনগণ জবাব দেবে। সবার প্রচেষ্টায় সুন্দর নির্বাচন হবে বলে আমার প্রত্যাশা।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর উত্তরায় আব্দুল্লাহপুর বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন মালেকা বানু আদর্শ বিদ্যানিকেতন কেন্দ্রে ভোট দেওয়ার পর উপস্থিত সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

বিএনপির এ প্রার্থী বলেন, আশা করছি, ভোট সংশ্লিষ্ট দায়িত্বরতরা সার্বিক পরিবেশ নিয়ন্ত্রণে রাখবেন। ভোটে জনগণের রায়ের প্রতিফলন ঘটবে, জনপ্রত্যাশা পূরণ হবে, ইনশাআল্লাহ।

তিনি বলেন, অনেকদিন জনগণ ভোটাধিকার বঞ্চিত ছিল। সেই বঞ্চনা থেকে আজ পরিত্রাণ পাচ্ছে। বাংলাদেশের মানুষ জনগণের নির্বাচিত সরকারের পথে এগোচ্ছে। এখন পর্যন্ত ভোটের পরিবেশ ভালো। 

‘তবে হেরে যাওয়ার ভয়ে কোনো বিশেষ গোষ্ঠী অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা করতে পারে। ভোটের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বিঘ্নিত করতে পারে। আমরা মনে করি জনগণ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যদি সতর্ক থাকে তাহলে কেউ অরাজকতা করতে পারবে না’—যোগ করেন ধানের শীষের এ প্রার্থী।

জয়ের ব্যাপারে নিজের আত্মবিশ্বাসের কথা জানিয়ে এস এম জাহাঙ্গীর বলেন, আমি বিশ্বাস করি, জনগণ তাদের রায় দিয়ে আমাকে প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত করবেন। জনগণ যাকে যোগ্য মনে করবে, যার ওপর জনগণের আস্থা আছে, ভোটও তাকেই দেবে।

ইএইচটি/এমকেআর

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।