নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

প্রশাসনের লোকেরা বলেছিল ‘মুখ বন্ধ করো, জিতিয়ে দেবো’, কিন্তু আপস করিনি

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৯:১৭ এএম, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী/ছবি: জাগো নিউজ

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেছেন, আমাদের মেরে ফেললে মেরে ফেলুক। আমরা অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলে যাবো। আমরা মুখ বন্ধ করবো না।

সদ্য সমাপ্ত জাতীয় নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসনের এ প্রার্থী বলেন, নির্বাচনের সময় আমার কাছে অনেক ক্রিমিনাল এসেছে, বলেছে—আমাদের সঙ্গে ডিল করো। অনেক ব্যবসায়ী এসেছে, বলেছে—তাদের সঙ্গে ডিল করতে। প্রশাসনের লোকজন এসেছে, বলেছে—তুমি মুখ বন্ধ করো, আমরা তোমাকে জিতিয়ে দেবো। কিন্তু আমি কারও সঙ্গে আপস করিনি।

বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে তারাবির নামাজ শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসন থেকে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী হিসেবে শাপলা কলি প্রতীকে নির্বাচন করেন। সেখানে তিনি বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাসের কাছে হেরে যান। তবে নির্বাচনি প্রচারণায় প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নিয়ে বিভিন্ন মন্তব্যের কারণে তিনি ব্যাপকভাবে আলোচনায় আসেন।

পাটওয়ারী সাংবাদিকদের বলেন, আপনারা চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে ভ্যানগার্ড হয়ে যাবেন। যেসব লোক সন্ত্রাস, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি করে আমরা রমজানে তাদের কাছে হেদায়েতের দাওয়াত দিয়ে যাবো।

এনসিপির এই নেতা বলেন, ভবিষ্যতে যদি কেউ ঢাকা-৮ আসনে ভোট চুরি করতে আসে, সে যদি কারও ওয়াইফ (স্ত্রী) কিংবা ভাতিজাও হয়, আমরা তার হাত-পা ভেঙে দেবো। এটা ওসমান হাদির আসন, আমরা তার স্বপ্নের ইনসাফের বাংলাদেশ কায়েমে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে প্রার্থী হবেন কি না জানতে চাইলে পাটওয়ারী বলেন, নির্বাচন আমাদের মূল টার্গেট না। আমাদের টার্গেট সিস্টেম পরিবর্তন। আমরা সেটির জন্য কাজ করে যাবো।

এফএআর/এমকেআর

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।