এনসিপিকে পার্থ

জেন-জিকে প্রতিনিধিত্ব করেন, জামায়াত প্রজন্ম হয়ে যাবেন না

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৭:৫৮ পিএম, ৩১ মার্চ ২০২৬
জাতীয় সংসদ অধিবেশনে বক্তব্য দেন সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ/ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) তরুণ সংসদ সদস্যদের জেন-জিকে প্রতিনিধিত্ব করার এবং জামায়াত প্রজন্ম না হয়ে হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

আন্দালিব রহমান পার্থ এনসিপির সংসদ সদস্যদের উদ্দেশে বলেন, ‘আপনারা যদি জুলাইয়ের মাথায় কাঁঠাল ভেঙে খান, তা হবে না। এনসিপি যে আমাদের দল। আমাদের হিরোরা যারা যুদ্ধ করেছেন, যারা এখানে আছেন তাদেরও বলে দিই, আপনারা জেন-জিকে রিপ্রেজেন্ট করেন, জামায়াত জেনারেশন হয়ে যাবেন না।’

তিনি এনসিপির সদস্য সদস্যদের ইতিবাচক রাজনীতি নিয়ে আসার অনুরোধ করেন।

গণভোট নিয়ে আন্দালিব রহমান পার্থ বলেন, ‘চারটা প্রশ্ন নিয়ে আপনি গণভোট করলেন। মানে বাকি আদেশের কোনো দাম নাই, এটা আপনিই বলে দিলেন। মাত্র এই চারটায় আপনি জনগণের রায় চাইলেন। আর আপনার যে বাকি প্রভিশনগুলো আছে সেগুলোর রায় কোথায়? সেগুলো আপনি চান নাই। তার মানে ইউ ইয়োরসেলফ আন্ডারমাইন দ্য প্রভিশন অব দ্য অর্ডার। না হলে আপনি সবই আনতেন।’

বিপ্লবকে শ্রদ্ধা করেন জানিয়ে তিনি বলেন, ‘১৭ বছর আমরা কষ্ট করেছি। এখানে আমার ভাইয়েরা অনেক বেশি কষ্ট করেছেন। আমরা জেলে গিয়েছি, আন্দোলনে ছিলাম, ২০ দলে ছিলাম, ৪ দলে ছিলাম অনেক আগে থেকে। আপনরা (বিরোধীদল) বলছেন সংবিধানকে ছুঁড়ে ফেলে দাও, সংবিধানকে ছুঁড়ে ফেলে দাও। সংবিধানকে ছুঁড়ে ফেলবো কেন? সংবিধান কি মনে করিয়ে দেয় যে এটা ’৭১-এর পরাজয়ের দলিল? আমি সংবিধান কেন ছুঁড়ে ফেলে দেবো? এই সংবিধান দিলে গাত্রদাহ কেন হবে? এত গা জ্বলবে কেন?’

বিরোধীদলকে উদ্দেশ করে এ সংসদ সদস্য বলেন, ‘আন্দোলনের কারণে আমরা এখানে। না হলে হয়তো জেলে থাকতাম। বাট দ্য কান্ট্রি মাস্ট মুভ অন। সুতরাং আমি যেটা বলবো যে, আমরা সবাই মিলে বসি, আলাপ করি। কিন্তু আমাদের কোনো সদস্যের বক্তব্যে যাতে জুলাইকে আন্ডারমাইন না করা হয়। কারণ মনে রাখতে হবে, যেদিন আবু সাঈদ শহীদ হয়েছিলেন, সেদিন চট্টগ্রামে ওয়াসিম আকরামও কিন্তু শহীদ হয়েছেন। কন্ট্রিবিউশন কিন্তু কারও কম না, আমাদের সবারই। কেউ হয়তো দুই গুলিতে মারা গেছেন, কেউ এক গুলিতে মারা গেছেন। কিন্তু মারা গেছেন অনেকেই। আমি তাই বলছি- বারবার আমরা ন্যাশনাল ইউনিটি ডাকি, আমরা কথা বলি। কিন্তু আপনারা দয়া করে আমাদের অ্যাটাকিংয়ে যাবেন না। আমাদের জেসচার প্রথম থেকে দেখেন। প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনের পর থেকে জেসচার দেখেন। আপনাদের বাড়ি গেছেন, বড় বড় নেতাদের বাড়ি গেছেন। এই জেসচারকে পজিটিভ ওয়েতে নেন। আর আপনারা তো ম্যানুভার করতে পারেন, প্রবলেম কী?’

এমওএস/একিউএফ

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।