চট্টগ্রামে সেনা মোতায়েনের দাবি বিএনপি`র
চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য সেনাবাহিনী মোতায়েনের দাবি জানিয়েছে বিএনপি। নির্বাচনের অন্তত এক সপ্তাহ আগে থেকে সেনাবাহিনী মোতায়েনের দাবি জানিয়েছে দলটি।
রোববার চট্টগ্রাম মহানগরীর মেহেদীবাগে নিজ বাসভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি’র সভাপতি আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
সংবাদ সম্মেলনে সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী এম মঞ্জুর আলমের প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, যেভাবে নির্বাচনী প্রচার কাজে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড হচ্ছে তাতে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিয়ে আমরা শঙ্কিত। এভাবে চলতে থাকলে আমরা ঠিকভাবে গণসংযোগ করতে পারব না। তাই নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে সাত দিন আগে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হোক।
আমীর খসরু বলেন, মেয়র নির্বাচনকে কেন্দ্র করে শনিবার বিকেলে বায়েজিদ থানার বাংলাবাজার এলাকায় একটি নির্বাচনী অফিস উদ্বোধন করতে যান সৈয়দ ওয়াহিদুল আলম। সেই নির্বাচনী অফিসে ছাত্রলীগ হামলা চালিয়ে কমপক্ষে ১০ জনকে আহত করে এবং অফিস ভাঙচুর করে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত বিএনপি সহ-সভাপতি আবদুল্লাহ আল নোমান বলেন, সরকারদলীয় প্রার্থী পুলিশ প্রশাসনকে সহযোগী হিসেবে ব্যবহার করছে। আমাদের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা করছে। গণসংযোগ থেকে কর্মীদের আটক করছে। এই অবস্থায় আমরা মনে করি সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন করতে সেনাবাহিনীর কোন বিকল্প নেই। সেনাবাহিনীকে অবশ্যই এক সপ্তাহ আগে এখানকার পরিস্থিতিতে নিয়োগ করতে হবে।
নির্বাচনী অফিসে হামলার পরও বায়েজিদ থানায় পুলিশ মামলা নেয়নি অভিযোগ করে আবদুল্লাহ আল নোমান বলেন, এর মাধ্যমে এটাই প্রমাণিত হয় যে, পুলিশ প্রশাসনকে সম্পৃক্ত করে অস্ত্র নিয়ে তারা নির্বাচন করছে। এরমধ্যে খালি হাতে আমরা কীভাবে নির্বাচন করবো। এটা অত্যন্ত দুশ্চিন্তার ব্যাপার। নোমান বলেন, নির্বাচন কমিশন, প্রশাসন থেকে বলা হবে নির্বাচন শান্তিপূর্ণ হবে। অথচ শান্তিপূর্ণ হওয়ার কোন আলামত আমরা দেখছি না। তাদের কথায় আর কাজে মিল নেই। এ পরিস্থিতিতে আমরা সমান্তরাল মাঠ পাচ্ছি না।
সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি জাফরুল ইসলাম চৌধূরী, কেন্দ্রীয় সদস্য মাহবুবুর রহমান শামীম, নগর বিএনপির সহ-সভাপতি শামসুল আলম, বন্দর থানা বিএনপির সভাপতি এম এ আজিজ, ডবলমুরিং থানা বিএনপির সভাপতি সাইফুল আলম, নিয়াজ মোহাম্মদ খান, ইয়াছিন চৌধুরী লিটন প্রমুখ।
এসআরজে