ভীতিকর পরিস্থিতি তৈরি করতেই সালামের ওপর হামলা হয়েছে : রিপন
বিএনপির মুখপাত্র ও আন্তর্জাতিক-বিয়ষক সম্পাদক ড. আসাদুজ্জামান রিপন বলেছেন, কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক ধরনের ভীতিকর পরিস্থিতি তৈরি করতেই অ্যাডভোকেট আব্দুস সালামের ওপর হামলা করা হয়েছে। সোমবার বিকেল ৩টায় রাজধানীর কাকরাইলে ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আবদুস সালামকে দেখতে গিয়ে আসাদুজ্জামন রিপন এ অভিযোগ করেন।
রোববার দুপুরে হঠাৎ করেই ১৫ থেকে ২০ বছর বয়সী ২০-২৫ জন যুবক জাতীয়তাবাদী যুবদল দক্ষিণের কার্যালয়ে প্রবেশ করে সালামের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। নয়াপল্টন কার্যালয়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে জানিয়ে রিপন বলেন, সার্বিক নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে আগেই ক্লোজড সার্কিড ক্যামেরা বসানোর সিদ্ধান্ত হয়েছিল। অতি দ্রুত এটা বাস্তবায়ন করা হবে।
আবদুস সালামকে মারধরের পর নিরাপত্তাহীনতা বোধ করছেন কি-না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, নিরাপদ বোধ করছি না। সন্ত্রাসীরা আকস্মিকভাবে যেকোনো সময় এসব ঘটনা ঘটায়। পার্টি অফিসে এক ধরনের ভীতিকর পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষ্যে কেনো না কোনো মহল এ কাজ করেছে।
বিএনপির মুখপাত্র বলেন, হামলার ঘটনার বিষয়ে দলের পক্ষ থেকে অনুসন্ধান করা হচ্ছে, জানার চেষ্টা করছি। অভ্যন্তরীণ একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করা হবে। আজই হয়তো তা আপনাদের জানাতে পারবো।
হাসপাতালের ৯ম তলার ৯৩০ নম্বর রুমে চিকিৎসাধীন আবদুস সালাম জাগোনিউজকে বলেন, রোববার দুপুরে হঠাৎ করেই ১৫ থেকে ২০ বছর বয়সী ২০-২৫ জন ছেলে যুবদল দক্ষিণের কার্যালয়ে প্রবেশ করে। রুমে প্রবেশ করেই তারা দরজা লাগিয়ে দেয়। এ সময় একজন আকস্মিকভাবে তার ডান গালে চড় মারে। তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়লে একসঙ্গে বেশ কয়েকজন তার ওপর চড়াও হয়। চেয়ার দিয়ে তাকে আঘাত করা হয়। এতে তার মাথা ফেটে যায় এবং শরীর জখম হয়।
সালাম বলেন, হামলাকারীদের উদ্দেশ্য ভালো ছিল না। তারা সম্ভবত প্রাণনাশের পরিকল্পনা করেছিল। কারণ, তাদের কাছে ছুড়ি ও অন্যান্য অস্ত্রও ছিল। মনে হচ্ছে, কার্যালয়ের পরিস্থিতি বুঝতে পেরে দুই মিনিটের মধ্যে তারা চলে যায়।
ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালের মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ইকবাল হোসেন চৌধুরীর সার্বিক তত্ত্বাবধায়নে সালামের চিকিৎসা চলছে। তার শারীরিক অবস্থা এখন মোটামুটি ভালো বলে জানান সালাম। তার মাথায় চারটি সেলাই দিতে হয়েছে। তিনি বাম হাত ও পায়ের অংশে বেশ ব্যাথা অনুভব করছেন।
এমএম/বিএ/আরআই