বিজয়ের দামামা বাজতে শুরু করেছে : এমাজউদ্দীন

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৮:২১ পিএম, ১৮ মার্চ ২০১৯

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমাজউদ্দীন আহমদ বলেছেন, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করে আগামী দিনে আমরা যে বিজয় দিবস পালন করতে যাচ্ছি, সেই বিজয় দিবসের দামামা একটু একটু করে বাজতে শুরু করেছে।

সোমবার সন্ধ্যায় জাতীয় প্রেস ক্লাবে অনুষ্ঠিত এক স্মরণসভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বিএনপির সাবেক মহাসচিব প্রয়াত খোন্দকার দেলোয়ার হোসেনের ৮ম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে খোন্দকার দেলোয়ার স্মৃতি ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এ সভার আয়োজন করা হয়।

এমাজউদ্দীন বলেন, সাড়ে চার হাজার বছরের এই দেশের সবচেয়ে বড় অর্জন হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা। ২৯ ডিসেম্বর হোক আর ৩০ ডিসেম্বর হোক, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট ডাকাতি করে গণতন্ত্র ধ্বংস করে সাড়ে চার হাজার বছরের অর্জন ব্যর্থ করে দেয়া হয়েছে।

এই রাষ্ট্রবিজ্ঞানী বলেন, বিএনপি ব্যর্থ হওয়ার সুযোগ পেল কোথায়? ভোট দিতে গিয়ে দেখে তার ভোট দেয়া হয়ে গেছে। এখানেই গণতন্ত্র ব্যর্থ হয়েছে।

ডাকসু নির্বাচন প্রসঙ্গে ঢাবির সাবেক এই ভিসি বলেন, কাউকে নির্বাচিত করার জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকরা অংশগ্রহণ করে এটা অকল্পনীয়। এটা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বয়সে কোনো দিন হয়নি। ২০১৯ সালে হয়েছে। এটা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলঙ্ক।

বিএনপির উদ্দেশ্যে এমাজউদ্দীন বলেন, দেশের জনগণ হতাশায় না পড়লেও হতাশার বাতাস লাগতে শুরু করেছে। হতাশার কালো মেঘ চারদিকে ছেঁয়ে আছে।

তিনি বলেন, এটা দূর করার একটি মাত্র উপায় আছে। তা হলো, এই বিএনপি যেটা এখনো দেশের মধ্যে বৃহৎ একটি দল, তাদের জনগণের দ্বারে দ্বারে যেতে হবে। তাদের দুঃখ-বেদনার কথা শুনতে হবে। বলতে হবে। তাহলে হতাশা দূর হবে। মানুষ গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করবে।

স্মরণসভায় অন্যদের মধ্যে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ভাইস চেয়ারম্যান চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ, শামসুজ্জামান দুদু, যুগ্ম-মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খোন্দকার দেলোয়ারের ছেলে ড. খোন্দকার আকবর হোসেন, অ্যাডভোকেট আখতার হামিদ ডাবলু, ডা. দেলোয়ারা পান্না, ছড়াকার আবু সালেহ, মানিকগঞ্জ বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট জামিল, খোন্দকার দেলোয়ার স্মৃতি ফাউন্ডেশন নেতা অ্যাডভোকেট তৌহিদ প্রমুখ বক্তৃতা করেন।

কেএইচ/এমএসএইচ/জেআইএম