কেঁপে উঠল কেপটাউন

ফারুক আস্তানা
ফারুক আস্তানা ফারুক আস্তানা , দক্ষিণ আফ্রিকা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ০৩:৪৯ পিএম, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০

দক্ষিণ আফ্রিকার কেপটাউন শহর দুই দফা ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে। শনিবার রাত আটটায় ৬.২ এবং রোববার সকাল নয়টার দিকে ২.৫ মাত্রার ভূমিকম্প হয় কেপটাউন শহরসহ আশপাশের এলাকায়। তবে ক্ষয়ক্ষতির কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

কেপটাউন কাউন্সিল ফর জিওসায়েন্স (সিজিএস) এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। সংস্থাটি বলেছে, দক্ষিণ আফ্রিকার জাতীয় সিসমোগ্রাফ নেটওয়ার্ক দ্বারা ভূকম্পনটি রেকর্ড করা হয়েছিল। এটির স্থায়িত্ব ছিল ২৫ সেকেন্ড এবং ১৩ সেকেন্ড।

এই সময় শহরবাসী ভূমিকম্প অনুভব করতে পেরেছিল বলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করেছে। এর আগে ২০১৯ সালে আরেকবার ভূমিকম্প হয়েছিল কেপটাউনে যার মাত্রা ছিল ১.৬ ডিগ্রি। এই নিয়ে দ্বিতীয় বারের মতো ভূমিকম্পে কাঁপলো কেপটাউন।

কেপটাউন সার্ভিস এবং পরিবেশ বিজ্ঞানীরা বলছে, সম্প্রতি কেপটাউনের আবহাওয়া বেশ পরিবর্তন হওয়ার কারণে একের পর এক প্রাকৃতিক দুর্যোগ লেগেই আছে। তবে আটলান্টিক মহাসাগরের উপকূলে অবস্থিত এই শহরটিতে ভূমিকম্প পরবর্তী সুনামির কোনো আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছেন, কেপটাউন কাউন্সিল ফর জিওসায়েন্স।

ভূমিকম্পের সময় করণীয়:
সরকারি পদক্ষেপের বাইরে সাধারণ নাগরিক হিসেবে আমাদেরও কিছু বিষয় জানা থাকা প্রয়োজন। ভূমিকম্পের সময় মোটেই আতঙ্কিত হবেন না। এই দুর্যোগ থেকে রক্ষা পেতে সাধারণভাবে কিছু সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নিন।

নিজেকে এবং পরিবারকে রক্ষা করুন
ভূমিকম্পের স্থায়িত্ব কয়েক সেকেন্ড হতে সর্বোচ্চ মিনিটখানেক। এই সময়ে ঘরে অবস্থান করলে টেবিল বা ডেস্কের নিচে সপরিবারে অবস্থান নিন। আপনার মাথায় কোনকিছুর আঘাত পাওয়া থেকে রক্ষা পাবেন।

গ্যাস, তেল বা ইলেক্ট্রিক চুলা দ্রুত বন্ধ করুন
ভূমিকম্পের সময় আগুন লেগে ক্ষয়-ক্ষতির পরিমাণ অনেক বেড়ে যেতে পারে। এমন পরিস্থিতি থেকে রক্ষা পেতে যত দ্রুত সম্ভব রান্না ঘরের গ্যাস, তেল বা ইলেক্ট্রিক চুলা বন্ধ করুন। মনে রাখবেন যত ছোট ভূমিকম্পই হোক না কেন চুলা অবশ্যই বন্ধ করতে হবে।

তাড়াহুড়ো করে বাইরে বের হবেন না
ভূমিকম্পের সময় তাড়াহুড়ো করে বাইরে বের হতে গেলে ভিড়ে চাপা পড়ে বা উপর হতে মাথায় কিছু পড়ে আহত হতে পারেন। এই জন্য তাড়াহুড়ো না করে ধীর স্থিরভাবে আশপাশ পর্যবেক্ষণ করে তারপর বাইরে বেড় হবার চেষ্টা করুন।

এমআরএম/পিআর

প্রবাস জীবনের অভিজ্ঞতা, ভ্রমণ, গল্প-আড্ডা, আনন্দ-বেদনা, অনুভূতি, স্বদেশের স্মৃতিচারণ, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক লেখা পাঠাতে পারেন। ছবিসহ লেখা পাঠানোর ঠিকানা - [email protected]