ইউনিভার্সিটি পুত্রা মালয়েশিয়ার ডক্টরেট ডিগ্রি পেলেন ড. ইউনূস

আহমাদুল কবির
আহমাদুল কবির আহমাদুল কবির , মালয়েশিয়া প্রতিনিধি মালয়েশিয়া
প্রকাশিত: ১২:০৮ পিএম, ০৪ ডিসেম্বর ২০২২
ইউনিভার্সিটি পুত্রা মালয়েশিয়ার ৪৬তম সমাবর্তন অনুষ্ঠানের প্রথম অধিবেশনে অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে সম্মানসূচক ডিগ্রি প্রদান করছেন, ইউনিভার্সিটি পুত্র মালয়েশিয়ার চ্যান্সেলর, সেলাঙ্গরের সুলতান শরাফুদ্দিন ইদ্রিস শাহ।

নোবেল বিজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ব্যবসায় অর্থনীতিতে সম্মানসূচক ডক্টরেট দিয়েছে ইউনিভার্সিটি পুত্রা মালয়েশিয়া। ইউনিভার্সিটি পুত্রা মালয়েশিয়ার চ্যান্সেলর, সেলাঙ্গরের সুলতান শরাফুদ্দিন ইদ্রিস শাহ, বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৬তম সমাবর্তন অনুষ্ঠানের প্রথম অধিবেশনে তাকে এ সম্মানসূচক ডিগ্রি দেওয়া হয়।

বুধবার (৩০ নভেম্বর) শুরু হওয়া ইউনিভার্সিটি পুত্রা মালয়েশিয়া চারদিনের সমাবর্তন অনুষ্ঠান শেষ হয় ৩ ডিসেম্বর। এর আগে অধ্যাপক মুহম্মদ ইউনূস শান্তিতে নোবেল পুরস্কার, ইউনাইটেড স্টেটস প্রেসিডেন্সিয়াল মেডেল অব ফ্রিডম এবং কংগ্রেশনাল গোল্ড মেডেল পুরস্কৃত করা সাত ব্যক্তির মধ্যে একজন, গান্ধী শান্তি পুরস্কারসহ ১০টি দেশের ব্যবসায়িক ও অর্থনীতির ক্ষেত্রে পুরস্কার লাভ করেন। এ ছাড়াও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে পিটার্সবার্গ পুরস্কার লাভ করেছেন।

মালয়েশিয়ার সরকারি সংবাদ সংস্থা বারনামার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস একজন বাংলাদেশি ব্যাংকার, অর্থনীতিবিদ এবং সুশীল সমাজের নেতা, যিনি ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশের দুর্ভিক্ষ সংকটের পর গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠা এবং দরিদ্র ব্যক্তিদের দীর্ঘমেয়াদি ব্যবসা শুরু করার জন্য ক্ষুদ্রঋণ প্রদানে নোবেল শান্তি পুরস্কারে ভূষিত হন।

Malaysia

তাকে সম্মানসূচক ডিগ্রি দেওয়ার পর ইউপিএম স্কুল অব বিজনেস অ্যান্ড ইকোনমিক্স জানিয়েছে, অধ্যাপক মুহম্মদ ইউনূসকে ব্যবস্থাপনা, ব্যবসা এবং অর্থনীতির ক্ষেত্রে গবেষণা ও শিক্ষাদানে নেতৃত্বের বিকাশের জন্য তিন বছর মেয়াদে মন্ত্রী বেসার সেলাঙ্গর চেয়ার হোল্ডার হিসাবে নিযুক্ত করবে।

অনুষ্ঠানের ভাষণে ডিন প্রফেসর ড. ব্যানি আরিফিন আমিন নুরদিন বলেন, মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সহযোগিতা ইউনূস সোশ্যাল বিজনেস ফ্রেমওয়ার্ক ভিত্তিক সামাজিক ব্যবসায়িক কার্যক্রম এবং কমিউনিটি প্রোগ্রামে ইউনিভার্সিটি পুত্রা মালয়েশিয়াকে সাহায্য করবে।

তিনি বলেন, বিশাল জ্ঞান এবং অভিজ্ঞতাসম্পন্ন এমন একজন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বের উপস্থিতিতে সামনে আমাদের স্কুল এবং বিশ্ববিদ্যালয়কে শিক্ষা এবং শিল্প নেটওয়ার্ক শক্তিশালী করতে সহায়তা করবে।

এমআরএম/এমএস

প্রবাস জীবনের অভিজ্ঞতা, ভ্রমণ, গল্প-আড্ডা, আনন্দ-বেদনা, অনুভূতি, স্বদেশের স্মৃতিচারণ, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক লেখা পাঠাতে পারেন। ছবিসহ লেখা পাঠানোর ঠিকানা - [email protected]