বিশ্বনবি ঘোষিত সব রোগের ৫ প্রতিষেধক

ধর্ম ডেস্ক
ধর্ম ডেস্ক ধর্ম ডেস্ক
প্রকাশিত: ০১:১৬ পিএম, ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দুনিয়াতে বিভিন্ন ধরনের রোগ-বালাই থেকে সুস্থ থাকার ও নিরাপদ জীবনের জন্য চিকিৎসা ও প্রতিষেধক হিসেবে ৫টি জিনিসের কথা বলেছেন। যেভাবে তিনি পরকালের সফলতার জন্য মানুষকে সত্যের পথে ডেকেছেন এবং পথনির্দেশ করেছেন।

প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের এসব চিকিৎসা ও প্রতিষেধক গ্রহণের বিষয়টি সত্যতার সর্বোচ্চ মানদণ্ডে প্রমাণিত সত্য। কেননা মহান আল্লাহ তাআলা তাঁর ব্যাপারে কুরআনুল কারিমে ঘোষণা দিয়েছেন-
وَمَا يَنطِقُ عَنِ الْهَوَى - إِنْ هُوَ إِلَّا وَحْيٌ يُوحَى - عَلَّمَهُ شَدِيدُ الْقُوَى
‘আর (রাসুলুল্লাহ) প্রবৃত্তির তাড়নায় (নিজ থেকে) কোনো কথা বলেন না। কুরআন ওহি হিসেবে যা প্রত্যাদেশ হয় তা ব্যতিত। তাঁকে শিক্ষা দান করে এক শক্তিশালী ফেরেশতা।’ (সুরা নাজম ৩-৫)

সুতরাং রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দুনিয়ার জীবনে মানুষের জন্য যেসব চিকিৎসা পদ্ধতি ও প্রতিষেধকের কথা বলেছেন, তা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে ওহি।

সুতরাং মানুষের জীবনে যদি দুনিয়ার সব চিকিৎসা বা প্রচেষ্টা শেষও হয়ে যায়, তারপরও একজন মুমিনের জন্য প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের দেয়া দিকনির্দেশনাগুলো মেনে চলা জরুরি। চিকিৎসা ও প্রতিষেধক হিসেবে প্রত্যেক মুমিনের জন্য সেসব নববি চিকিৎসা অনেক বড়। আর এসব প্রতিষেধক, চিকিৎসা, দোয়া, আমল ও আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়ার মাধ্যমে সুস্থতা লাভের সুযোগ থেকে যায়।

চিকিৎসা ও প্রতিষেধক হিসেবে ৫ দিকনির্দেশনা
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয় সাল্লাম ঘোষিত সেসব চিকিৎসা, প্রতিষেধকের তথ্যই তুলে ধরা হবে; যা মানুষকে সব ধরনের রোগ-বালাই থেকে সব অসুস্থতা থেকে সুস্থ ও নিরাপদ থাকার কল্যাণ নিহিত রেখেছেন। তাহলো-
> কালোজিরা
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কালোজিরাকে শুধু মৃত্যু ছাড়া সব রোগের মহৌষধ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। কালো জিরার উপকারিতা চিকিৎসাবিজ্ঞানেও প্রমাণিত। হাদিসে এসেছে-
হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, ‘রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘কালোজিরা ব্যবহার কর। কালো জিরায় রয়েছে ‘শাম’ ছাড়া প্রত্যেক রোগের প্রতিষেধক। আর ‘শাম’ হলো মৃত্যু।’ (বুখারি)
সুতরাং হাদিসের ওপর আমল করে সরাসরি কালো জিরা যেমন খাওয়া যেতে পারে তেমনি তা থেকে তেল বের করে পান করাও যেতে পারে। কিংবা যে কোনো খাবারের সঙ্গে মিশিয়েও খাওয়া যেতে পারে।

> মধু
মধুতে রয়েছে রোগের প্রতিষেধক। মধু পানে কোনো মৌসমি রোগ হবে না। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিজেও মধু পান করা পছন্দ করতেন। মধু প্রসঙ্গে কুরআন-সুন্নায় সুস্পষ্ট বর্ণনা রয়েছে। চিকিৎসা বিজ্ঞানেও মধুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার বিষয়টি প্রমাণিত। মধু সম্পর্কে আল্লাহ তাআলা বলেন-
‘আপনার পালনকর্তা মৌমাছিকে আদেশ দিলেন পাহাড়, গাছ ও উঁচু চালে আবাসস্থল তৈরি কর, তারপর সব ধরনের ফল থেকে খাও আর আপন পালনকর্তার উম্মুক্ত পথসমূহে চলাচল কর। তার পেট থেকে বিভিন্ন রঙের পানীয় নির্গত হয়। তাতে মানুষের জন্য রয়েছে রোগের প্রতিকার। নিশ্চয়ই এতে চিন্তাশীল সম্প্রদায়ের জন্য নিদর্শন রয়েছে।’ (সুরা নাহল : আয়াত ৬৮-৬৯)

হাদিসের নির্দেশনা থেকে জানা যায়, প্রত্যেক ব্যক্তির উচিত প্রতিদিন এক চামচ করে মধু পান করা। এটা মানুষকে রোগ-ব্যধি থেকে মুক্তি দেবে। হাদিসে এসেছে-
- রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘দুইটি শেফা বা আরোগ্য লাভের উপায় অবলম্বন করবে। তার একটি হলো- মধু আর অপরটি হলো- কুরআনের তেলাওয়াত।’ (বুখারি ও মুসলিম)

- হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি প্রত্যেক মাসে তিন দিন সকালবেলা মধু পান করবে যে যে কোনো মারাত্মক মৌসুমি রোগে আক্রান্ত হবে না।’ (ইবনে মাজাহ)

- হজরত ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, ‘তিনটি জিনিসের মধ্যে রোগমুক্তি আছে- মধু পানে, শিঙ্গা লাগানোয় এবং আগুন দিয়ে দাগ লাগানোয়। তবে আমি আমার উম্মাতকে আগুন দিয়ে দাগ দিতে নিষেধ করছি।’ (বুখারি)

> হিজামা
হিজামা বা শিঙ্গা লাগানো সব রোগে মহৌষধ। হাদিসে পাকে প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হিজামাকেও রোগের প্রতিষেধক বলেছেন। তিনি নিজে হিজামা গ্রহণ করতেন। তবে হিজামা গ্রহণের বিশেষ কিছু সময় রয়েছে। হাদিসে এসেছে-
- রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘বিশেষ কিছু সময় রয়েছে যে সময়টিতে হিজামা গ্রহণ করলে আল্লাহ তাআলা তাকে সব রোগ থেকে মুক্তি দেবেন।’ (জামে)

- হজরত ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, ‘তিনটি জিনিসের মধ্যে রোগমুক্তি আছে- মধু পানে, শিঙ্গা লাগানোয় এবং আগুন দিয়ে দাগ লাগানোয়। তবে আমি আমার উম্মাতকে আগুন দিয়ে দাগ দিতে নিষেধ করছি।’ (বুখারি)

> জমজমের পানি
সহিহ মুসলিমরে এক বর্ণনায় এসেছে, ‘রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জমজমের পানিকে রোগের জন্য ঔষধ বলেছেন। যেহেতু প্রিয় নবি কোনো রোগের জন্য তা নির্দিষ্ট করে বলেননি; সেহেতু বোঝা যায় যে, সব রোগের জন্যই জমজমের পানি ঔষধ।

হাদিসের অন্য বর্ণনায় এসেছে, ‘জমজমের পানি যে নিয়ত বা উদ্দেশ্যে পান করা হয়, যদি তো কোনো রোগ-বালাই থেকে বাঁচার জন্য হয় তবে আল্লাহ তাআলা সে নিয়ত বা উদ্দেশ্য পূরণ করেন। রোগ থেকে মুক্তি দান করেন। যুগ যুগ ধরে এ পানির উপকারিতা প্রমাণিত ও সত্য।

জমজমের পানির মধ্যে বিদ্যমান বিশুদ্ধ উপাদান ও উপকারিতা ওঠে এসেছে বিজ্ঞানীদের গবেষণায়। জমজমের পানি পৃথিবীর সেরা বিশুদ্ধতম পানি। জাপানি বিজ্ঞানী ইমোতো মাসারুর গবেষণা তা ওঠে এসেছে-
- এক ফোঁটা জমজমের পানিতে যে পরিমাণ আকরিক পদার্থ থাকে তা পৃথিবীর অন্য কোনো পানিতে থাকে না।
- জমজমের পানির গুণগত মান কখনো পরিবর্তন হয় না।
- জমজমের পানিতে এন্টিমনি, বেরিলিয়াম, ব্রোমাইন, কোবাল্ট, বিস্মুথ, আয়োডিন আর মলিবডেনামের মতো পদার্থগুলোর মাত্রা ছিল ০.০১ পিপিএম থেকেও কম। ক্রোমিয়াম, ম্যাংগানিজ আর টাইটানিয়াম এর মাত্রা ছিল একেবারেই নগণ্য।
- জাপানি বিজ্ঞানীর পরীক্ষা অনুযায়ী জমজমের পানির পিএইচ হচ্ছে ৭ দশমিক ৮। যেটি সামান্য ক্ষারজাতীয়। বিজ্ঞানী তার পরীক্ষায় আর্সেনিক, ক্যাডমিয়াম, সীসা এবং সেলেনিয়ামের মতো ক্ষতিকর পদার্থগুলো ঝুঁকিমুক্ত মাত্রায় পেয়েছেন। যে মাত্রাগুলোতে মানুষের কোনো ক্ষতি হয় না।
- সাধারণত পানির কূপে জলজ উদ্ভিদ জন্মালেও জমজম কূপে তা জন্মায় না।

- জমজমের পানিতে যেসব আকরিক পদার্থ পাওয়া গেছে তার মধ্যে ক্যালসিয়াম, ফ্লোরাইড, সোডিয়াম, ক্লোরাইড, সালফেট, নাইট্রেট, ম্যাগনেসিয়াম এবং পটাশিয়াম উল্লেখযোগ্য। ফ্লোরাইড ছাড়া বাকি মিনারেলগুলোর মাত্রা অন্যসব স্বাভাবিক খাবার পানিতে পাওয়ার মাত্রা থেকে বেশি।
- মাসারু তার পরীক্ষায় জমজমের পানির এমন এক ব্যতিক্রমধর্মী মৌলিক আকার পেয়েছেন যেটি খুবই চমকপ্রদ। পানির দুইটি স্ফটিক সৃষ্টি হয়- একটি আরেকটির উপরে কিন্তু সেগুলো একটি অনুপম আকার ধারন করে।

> আজওয়া খেজুর
আজওয়া মদিনা মুনাওয়ারার এক ধরবের বিশেষ খেজুর। দামি এ খেজুরটি সারা দুনিয়ার মানুষের কাছে বরকতময় ও ফজিলতপূর্ণ। কেননা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিজ হাতে এ খেজুর রোপন করেছিলেন। আর তা রোপনের পেছনে ছিল আশ্চর্যজনক ও বিস্ময়কর ঘটনা। আর তাতে রয়েছে শেফা বা আরোগ্য।
- চিকিৎসা বিজ্ঞানের তথ্য মতে আজওয়ায় খেজুরে আছে-
'আমিষ, শর্করা, প্রয়োজনীয় খাদ্য আঁশ ও স্বাস্থ্যসম্মত ফ্যাট। এছাড়া ভিটামিন এ, বি সিক্স, সি এবং কে দ্বারা ভরপুর। ভিটামিন 'এ'-এর গুরুত্বপূর্ণ উপাদান 'ক্যারোটিন'ও রয়েছে এতে। ক্যারোটিন চোখের সুস্থতার জন্য অত্যন্ত উপকারী। আরও রয়েছে স্বাস্থ্যকর উপাদান ফলেট, নিয়াসিন, থিয়ামিন ও রিবোফ্লেভিন।

- হাদিসের নির্দেশনায় আজওয়া খেজুর
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘কোনো ব্যক্তি যদি প্রতিদিন সকালে সাতটি আজওয়া খেজুর খায় তবে ওইদিন মৃত্যু ছাড়া অন্য কোনো রোগ তার কোনো ক্ষতি করতে পারে না।’ (বুখারি)

অন্যবর্ণনায় এসেছে- রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি প্রতিদিন সকালে কয়েকটি আজওয়া খেজুর খাবে, সেই দিন ও রাত পর্যন্ত কোনো বিষ ও যাদু তার কোনো ক্ষতি করবে না।

হজরত সাদ রাদিয়াআল্লাহু আনহু একবার হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে পড়েন। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে দেখতে যান এবং হৃদরোগের চিকিৎসার নসিহত পেশ করেন-
হজরত সাদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, ‘আমি অসুস্থ ছিলাম এবং রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাকে দেখতে এসেছিলেন। তিনি আমার বুকের ওপর হাত রাখলেন তখন আমি হৃদয়ে শীতলতা অনুভভ করলাম।
তিনি বলেন, তোমার হৃদরোগ হয়েছে।
এরপর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে আজওয়া খেঁজুর খেতে দিয়ে বললেন, তুমি সাতদিন আজওয়া খেজুর খাবে তাহলে তুমি পরিপূর্ণ সুস্থ হয়ে যাবে।’ (আবু দাউদ)

মহান আল্লাহ তাআলা উল্লেখিত পাঁচটি জিনিসের মধ্যে বিশেষ শেফা বা রোগ-মুক্তি রেখেছেন। এ সবই নববি চিকিৎসা বা প্রতিষেধক।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে যথাসাধ্য নিয়মিত উল্লেখিত নববি চিকিৎসা গ্রহণ করার মাধ্যমে সুস্বাস্থ্য ও সুস্থ থাকার তাওফিক দান করুন। হাদিসের ওপর যথাযথ আমল করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

এমএমএস/এএসএম

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

২৬,৩৫,৫৫,৬৩১
আক্রান্ত

৫২,৩৯,৬৪৯
মৃত

২৩,৭৯,০৩,২১৪
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ১৫,৭৬,৫৬৬ ২৭,৯৮৩ ১৫,৪১,৩৪৮
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৪,৯৪,৮৯,৬১৭ ৮,০৩,৮২১ ৩,৯২,৩৮,৬৮৪
ভারত ৩,৪৬,০৫,৪৩৯ ৪,৬৯,৫৩২ ৩,৪০,২৮,৫০৬
ব্রাজিল ২,২০,৯৪,৪৫৯ ৬,১৪,৭৫৪ ২,১৩,২১,৬৩১
যুক্তরাজ্য ১,০২,৭৬,০০৭ ১,৪৫,১৪০ ৯০,৯৫,৯৮৩
রাশিয়া ৯৬,৬৯,৭১৮ ২,৭৬,৪১৯ ৮৩,৬৪,৯৩২
তুরস্ক ৮৮,১৮,১৪৪ ৭৭,০৩৮ ৮৩,৫০,৪৯৪
ফ্রান্স ৭৬,৭৫,৫০৪ ১,১৯,১৩১ ৭১,২৫,০২৪
ইরান ৬১,২১,৭৫৭ ১,২৯,৯১২ ৫৮,৯২,৫৭৪
১০ জার্মানি ৫৯,৫৩,০৩৮ ১,০২,৫৫০ ৪৯,৩৭,৬০০
১১ আর্জেন্টিনা ৫৩,৩০,৭৪৮ ১,১৬,৫৮৯ ৫১,৯৩,৬৯১
১২ স্পেন ৫১,৭৪,৭২০ ৮৮,০৮০ ৪৯,২৪,৫৫১
১৩ কলম্বিয়া ৫০,৬৯,৬৪৪ ১,২৮,৫২৮ ৪৯,০৯,৫৭২
১৪ ইতালি ৫০,৪৩,৬২০ ১,৩৩,৯৩১ ৪৭,০৯,৯০৬
১৫ ইন্দোনেশিয়া ৪২,৫৬,৬৮৭ ১,৪৩,৮৪০ ৪১,০৪,৯৬৪
১৬ মেক্সিকো ৩৮,৮৭,৮৭৩ ২,৯৪,২৪৬ ৩২,৪৫,২১৯
১৭ পোল্যান্ড ৩৫,৬৯,১৩৭ ৮৪,১৫৩ ৩০,৪৮,৫২৮
১৮ ইউক্রেন ৩৪,৫০,৩৪১ ৮৬,৫৩২ ২৯,৭২,১৯২
১৯ দক্ষিণ আফ্রিকা ২৯,৭৬,৬১৩ ৮৯,৮৭১ ২৮,৫০,১৪২
২০ ফিলিপাইন ২৮,৩৩,০৩৮ ৪৮,৭১২ ২৭,৬৮,৯৯৯
২১ নেদারল্যান্ডস ২৬,৬১,৬৯১ ১৯,৪৫৯ ২১,২০,৩৩২
২২ মালয়েশিয়া ২৬,৩৮,২২১ ৩০,৪৭৪ ২৫,৪৪,০০৭
২৩ পেরু ২২,৩৬,৩৫১ ২,০১,১৭৬ ১৭,২০,৬৬৫
২৪ চেক প্রজাতন্ত্র ২১,৭২,০৮৪ ৩৩,১৮৬ ১৮,৬০,৯২০
২৫ থাইল্যান্ড ২১,২০,৭৫৮ ২০,৮১২ ২০,২৫,৭৫৪
২৬ ইরাক ২০,৮২,০৬১ ২৩,৮৪৪ ২০,৪৬,২২৪
২৭ কানাডা ১৭,৯৪,৬৩৪ ২৯,৬৯৬ ১৭,৩৯,০৬৮
২৮ রোমানিয়া ১৭,৮০,৮০৮ ৫৬,৬১৮ ১৬,৮৯,১৮৪
২৯ বেলজিয়াম ১৭,৬৬,০৩৫ ২৭,০১৫ ১৩,৪০,৯১৬
৩০ চিলি ১৭,৬৪,২৭৪ ৩৮,৩৫৬ ১৬,৫৮,৪৪০
৩১ জাপান ১৭,২৭,৩০৪ ১৮,৩৬০ ১৭,০৮,০৭৯
৩২ ইসরায়েল ১৩,৪৪,১০৩ ৮,১৯৯ ১৩,৩০,৩৬৬
৩৩ পাকিস্তান ১২,৮৫,২৫৪ ২৮,৭৩৭ ১২,৪২,৩৫৪
৩৪ সার্বিয়া ১২,৫৭,০২৫ ১১,৭৪৪ ১১,৯৬,৬৯৫
৩৫ ভিয়েতনাম ১২,৫২,৫৯০ ২৫,৪৪৮ ৯,৯২,০৫২
৩৬ সুইডেন ১২,০৭,৪৯৮ ১৫,১২৮ ১১,৫৯,১২৩
৩৭ অস্ট্রিয়া ১১,৭০,৩৬২ ১২,৫৫৩ ১০,২২,৬৬১
৩৮ পর্তুগাল ১১,৫১,৯১৯ ১৮,৪৫৮ ১০,৭৭,৬৮৩
৩৯ হাঙ্গেরি ১১,১৪,২৬০ ৩৪,৭১৩ ৮,৯১,৬৯১
৪০ সুইজারল্যান্ড ১০,২০,৩১১ ১১,৫৪৮ ৮,৬২,৫৭০
৪১ কাজাখস্তান ৯,৭২,২৯২ ১২,৭০৩ ৯,৩৭,৩৮৩
৪২ কিউবা ৯,৬২,৬২৮ ৮,৩০৫ ৯,৫৩,৫৬৬
৪৩ জর্ডান ৯,৫৮,৯৯০ ১১,৬৩৩ ৮,৯০,৩৬৬
৪৪ মরক্কো ৯,৫০,০৮৮ ১৪,৭৭৯ ৯,৩২,৪২১
৪৫ গ্রীস ৯,৪৫,০৯৫ ১৮,২৩৪ ৮,৫০,৭১১
৪৬ জর্জিয়া ৮,৫০,১০২ ১২,১১৯ ৭,৯২,১৫৮
৪৭ নেপাল ৮,২১,৬৫১ ১১,৫২৯ ৮,০৩,১৬৮
৪৮ সংযুক্ত আরব আমিরাত ৭,৪২,১০৯ ২,১৪৮ ৭,৩৭,০২৪
৪৯ তিউনিশিয়া ৭,১৭,৫৭২ ২৫,৩৭৩ ৬,৯১,০৩১
৫০ বুলগেরিয়া ৬,৯৫,০৫৭ ২৮,৪৫৩ ৫,৬১,৪৮৫
৫১ স্লোভাকিয়া ৬,৮৯,৬১৮ ১৪,৫০৩ ৫,৬৩,৭৯০
৫২ লেবানন ৬,৭২,৫৪৮ ৮,৭৩৫ ৬,৩৩,৪৯০
৫৩ বেলারুশ ৬,৫৬,৫১০ ৫,০৯৮ ৬,৪৩,৭৮৬
৫৪ গুয়াতেমালা ৬,১৮,৪৩৬ ১৫,৯৫৬ ৬,০১,০৯৬
৫৫ ক্রোয়েশিয়া ৬,১৩,৯১৪ ১০,৯৬৭ ৫,৭০,৯৩৩
৫৬ আজারবাইজান ৫,৯০,১১৩ ৭,৮৮৪ ৫,৫৬,৭১৬
৫৭ আয়ারল্যান্ড ৫,৭৩,৯০৫ ৫,৭০৭ ৪,৪৪,৪৫৯
৫৮ কোস্টারিকা ৫,৬৬,৮৩৯ ৭,২৯৯ ৫,৪৮,০২০
৫৯ শ্রীলংকা ৫,৬৪,৭৩৩ ১৪,৩৭২ ৫,৪০,৭৮৩
৬০ সৌদি আরব ৫,৪৯,৭৮৬ ৮,৮৩৭ ৫,৩৮,৯৩৯
৬১ বলিভিয়া ৫,৩৭,৫৫৯ ১৯,১৭১ ৪,৯২,৯২১
৬২ ইকুয়েডর ৫,২৬,৮৭০ ৩৩,২৫০ ৪,৪৩,৮৮০
৬৩ মায়ানমার ৫,২২,৮২৫ ১৯,১১১ ৪,৯৮,০৫০
৬৪ ডেনমার্ক ৪,৯২,৫২১ ২,৯০৯ ৪,০৩,১১৮
৬৫ পানামা ৪,৭৭,৭৪২ ৭,৩৬৫ ৪,৬৭,৮২৬
৬৬ লিথুনিয়া ৪,৭২,২৩৯ ৬,৭৫৯ ৪,৩৭,৫৬৯
৬৭ প্যারাগুয়ে ৪,৬৩,০৫৮ ১৬,৪৭২ ৪,৪৫,৭৯৩
৬৮ দক্ষিণ কোরিয়া ৪,৫২,৩৫০ ৩,৬৫৮ ৩,৯৮,৩২৩
৬৯ ভেনেজুয়েলা ৪,৩১,৯৪৫ ৫,১৫৫ ৪,১৯,১৩১
৭০ ফিলিস্তিন ৪,৩০,৪৪৩ ৪,৫৩৫ ৪,২২,৭৮১
৭১ স্লোভেনিয়া ৪,২৩,১৬২ ৫,২৪০ ৩,৮২,৮০৩
৭২ কুয়েত ৪,১৩,৩৬২ ২,৪৬৫ ৪,১০,৬২৭
৭৩ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ৪,০৭,৪৭৪ ৪,২১০ ৪,০০,৬৫০
৭৪ উরুগুয়ে ৩,৯৯,৬৯৫ ৬,১৩১ ৩,৯১,৪৮৯
৭৫ মঙ্গোলিয়া ৩,৮২,০৮২ ২,০০৫ ৩,১৩,২৫৬
৭৬ হন্ডুরাস ৩,৭৭,৮৮৮ ১০,৪০৩ ১,২০,৩০৮
৭৭ লিবিয়া ৩,৭৩,২১০ ৫,৪৬৬ ৩,৪৮,২৩০
৭৮ ইথিওপিয়া ৩,৭১,৬৭২ ৬,৭৭১ ৩,৪৯,১২৪
৭৯ মলদোভা ৩,৬৪,৪৩৩ ৯,১৪১ ৩,৬৩,৭৭৪
৮০ মিসর ৩,৫৮,৫৭৮ ২০,৪৭৪ ২,৯৭,৫৩৬
৮১ আর্মেনিয়া ৩,৩৯,০২০ ৭,৬১০ ৩,১৭,৭৬৫
৮২ ওমান ৩,০৪,৫৭২ ৪,১১৩ ৩,০০,০১১
৮৩ বাহরাইন ২,৭৭,৬৯০ ১,৩৯৪ ২,৭৫,৯৫৩
৮৪ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ২,৭৫,৯৬৫ ১২,৬২৮ ১৩,৪৯,৯৫৬
৮৫ নরওয়ে ২,৬৭,৮৪৩ ১,০৫৪ ৮৮,৯৫২
৮৬ সিঙ্গাপুর ২,৬৬,০৪৯ ৭২৬ ২,৫৩,০৬৮
৮৭ কেনিয়া ২,৫৫,১৬৪ ৫,৩৩৫ ২,৪৮,৩৫০
৮৮ লাটভিয়া ২,৫৪,৬৯০ ৪,২১৩ ২,৩৮,০৪৩
৮৯ কাতার ২,৪৩,৬০৭ ৬১১ ২,৪০,৯৩২
৯০ এস্তোনিয়া ২,২৩,১৭১ ১,৮০৩ ২,০৩,৮৬৩
৯১ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ২,১৫,৯৯৫ ৭,৫৯২ ২,০০,২৯৩
৯২ নাইজেরিয়া ২,১৪,২১৮ ২,৯৭৭ ২,০৭,৩০৪
৯৩ অস্ট্রেলিয়া ২,১১,৬৫৪ ২,০১১ ১,৯২,৭৪৬
৯৪ আলজেরিয়া ২,১০,৭২৩ ৬,০৭৬ ১,৪৪,৬০২
৯৫ জাম্বিয়া ২,১০,১৯৫ ৩,৬৬৭ ২,০৬,৪১৩
৯৬ আলবেনিয়া ২,০০,১৭৩ ৩,১০১ ১,৯০,৩৭৮
৯৭ বতসোয়ানা ১,৯৫,০৬৮ ২,৪১৮ ১,৯২,০৪৮
৯৮ উজবেকিস্তান ১,৯৩,৪২৪ ১,৪০৬ ১,৯০,০২৮
৯৯ ফিনল্যাণ্ড ১,৮৮,১০৮ ১,৩৪৮ ৪৬,০০০
১০০ কিরগিজস্তান ১,৮৩,৪০৪ ২,৭৪৯ ১,৭৮,৩৩২
১০১ মন্টিনিগ্রো ১,৫৭,৬১১ ২,৩১০ ১,৫২,৮৯০
১০২ আফগানিস্তান ১,৫৭,৩৫৯ ৭,৩৬৫ ১,৪০,৫৮১
১০৩ মোজাম্বিক ১,৫১,৫৯৪ ১,৯৪১ ১,৫১,৩৮২
১০৪ সাইপ্রাস ১,৩৪,৯৬৫ ৫৯৮ ১,২৪,৩৭০
১০৫ জিম্বাবুয়ে ১,৩৪,৬২৫ ৪,৭০৭ ১,২৮,৭৪৭
১০৬ ঘানা ১,৩০,৯২০ ১,২০৯ ১,২৯,০৪২
১০৭ নামিবিয়া ১,২৯,১৯৮ ৩,৫৭৩ ১,২৫,৪৯০
১০৮ উগান্ডা ১,২৭,৫৫১ ৩,২৫২ ৯৭,৮৪৭
১০৯ কম্বোডিয়া ১,২০,১৬০ ২,৯৪৪ ১,১৬,৫২৯
১১০ এল সালভাদর ১,১৯,৮০৩ ৩,৭৭৬ ১,০২,৯৮২
১১১ ক্যামেরুন ১,০৬,৭৯৪ ১,৭৯১ ১,০২,৭১৬
১১২ রুয়ান্ডা ১,০০,৩৪৯ ১,৩৪২ ৪৫,৫২২
১১৩ চীন ৯৮,৮২৪ ৪,৬৩৬ ৯৩,৩২০
১১৪ মালদ্বীপ ৯১,৭৫০ ২৫১ ৮৯,৮১৩
১১৫ জ্যামাইকা ৯১,২৭২ ২,৩৯৬ ৬২,৬৬৬
১১৬ লুক্সেমবার্গ ৮৯,৭৬৬ ৮৭৬ ৮৪,০৫০
১১৭ লাওস ৭৫,১৬৩ ১৭৮ ৭,৩৩৯
১১৮ সেনেগাল ৭৩,৯৯০ ১,৮৮৫ ৭২,০৯৩
১১৯ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ৭১,৩৬১ ২,১৫৮ ৫৮,৩৬৩
১২০ অ্যাঙ্গোলা ৬৫,১৬৮ ১,৭৩৩ ৬৩,২১৪
১২১ মালাউই ৬১,৯২৬ ২,৩০৬ ৫৮,৮০৭
১২২ আইভরি কোস্ট ৬১,৭২৪ ৭০৪ ৬০,৭৩৯
১২৩ রিইউনিয়ন ৬১,১৮৮ ৩৮৪ ৫৭,৭৮১
১২৪ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ৫৮,২৩৪ ১,১০৭ ৫০,৯৩০
১২৫ গুয়াদেলৌপ ৫৫,১৪৭ ৭৪৬ ২,২৫০
১২৬ ফিজি ৫২,৫৩২ ৬৯৭ ৫১,০৭৭
১২৭ সুরিনাম ৫০,৮৪৮ ১,১৬৭ ২৯,৫৭৪
১২৮ সিরিয়া ৪৮,১৭০ ২,৭৪৯ ২৯,১৭২
১২৯ ইসওয়াতিনি ৪৬,৭৫৩ ১,২৪৮ ৪৫,২৪৩
১৩০ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ৪৬,০৬০ ৩২৮ ১১,২৫৪
১৩১ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ৪৫,৬০৯ ৬৩৬ ৩৩,৫০০
১৩২ মার্টিনিক ৪৫,৫০১ ৭১৮ ১০৪
১৩৩ মাদাগাস্কার ৪৪,৩৩০ ৯৬৭ ৪২,৯১৫
১৩৪ সুদান ৪৩,০৮৪ ৩,১৫৯ ৩২,৯০৫
১৩৫ মালটা ৩৯,৫৩০ ৪৬৮ ৩৭,৪৫৬
১৩৬ মৌরিতানিয়া ৩৯,৩৩৯ ৮৩৫ ৩৭,৬২৭
১৩৭ কেপ ভার্দে ৩৮,৩৭০ ৩৫০ ৩৭,৯৫৩
১৩৮ গায়ানা ৩৭,৮৭৪ ৯৯৪ ৩৫,৬৫১
১৩৯ গ্যাবন ৩৭,৩৪২ ২৭৯ ৩২,২৯৬
১৪০ পাপুয়া নিউ গিনি ৩৫,২৩৭ ৫৪৬ ৩৪,১১৫
১৪১ গিনি ৩০,৭৭০ ৩৮৭ ২৯,৭২৫
১৪২ বেলিজ ৩০,৪৩১ ৫৭৮ ২৮,৭৬৮
১৪৩ টোগো ২৬,২৭৩ ২৪৩ ২৫,৯১৫
১৪৪ তানজানিয়া ২৬,২৭০ ৭৩০ ১৮৩
১৪৫ বার্বাডোস ২৫,৪২৯ ২৩১ ২২,০২৯
১৪৬ হাইতি ২৫,১৭৫ ৭৩৮ ২১,২৬২
১৪৭ বেনিন ২৪,৮৫০ ১৬১ ২৪,৫৪৬
১৪৮ সিসিলি ২৩,৫৩৭ ১২৭ ২২,৯১২
১৪৯ সোমালিয়া ২৩,০১৬ ১,৩২৭ ১২,০৪৬
১৫০ বাহামা ২২,৮০২ ৬৭৭ ২১,৬১৪
১৫১ লেসোথো ২১,৭৭৯ ৬৬২ ১৩,৬৮৯
১৫২ মরিশাস ২১,৫৪৩ ৪৫৫ ১৯,৭১৬
১৫৩ মায়োত্তে ২০,৯৭৩ ১৮৫ ২,৯৬৪
১৫৪ বুরুন্ডি ২০,৪১৫ ৩৮ ৭৭৩
১৫৫ পূর্ব তিমুর ১৯,৮২২ ১২২ ১৯,৬৯৭
১৫৬ কঙ্গো ১৮,৯৭০ ৩৫৪ ১২,৪২১
১৫৭ চ্যানেল আইল্যান্ড ১৮,১৮২ ১০৩ ১৫,৯০৭
১৫৮ আইসল্যান্ড ১৮,০৫৫ ৩৫ ১৬,৪৮৮
১৫৯ মালি ১৭,৫০০ ৬১০ ১৫,১৭৫
১৬০ এনডোরা ১৭,৪২৬ ১৩১ ১৬,০২৯
১৬১ কিউরাসাও ১৭,৪০১ ১৭৮ ১৭,১১৯
১৬২ নিকারাগুয়া ১৭,২৫৪ ২১০ ৪,২২৫
১৬৩ তাজিকিস্তান ১৭,০৯৫ ১২৪ ১৬,৯৬৬
১৬৪ তাইওয়ান ১৬,৬০৯ ৮৪৮ ১৫,৬১৭
১৬৫ আরুবা ১৬,৩৫৪ ১৭৪ ১৫,৯৯৪
১৬৬ বুর্কিনা ফাঁসো ১৬,০০০ ২৮৬ ১৫,৩৪৫
১৬৭ ব্রুনাই ১৫,১১১ ৯৭ ১৪,৫৬৫
১৬৮ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ১৩,৫৯২ ১৭৫ ১৩,৩৪৩
১৬৯ জিবুতি ১৩,৫০৪ ১৮৬ ১৩,২৯৪
১৭০ সেন্ট লুসিয়া ১৩,০০০ ২৮০ ১২,৬০৭
১৭১ দক্ষিণ সুদান ১২,৭৫৮ ১৩৩ ১২,৪৬৩
১৭২ হংকং ১২,৪৪০ ২১৩ ১২,১৪০
১৭৩ নিউ ক্যালেডোনিয়া ১২,১৮৫ ২৭৬ ১১,৬০৪
১৭৪ নিউজিল্যান্ড ১১,৭২৩ ৪৪ ৫,৬৭১
১৭৫ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ১১,৭০৮ ১০১ ৬,৮৫৯
১৭৬ আইল অফ ম্যান ১১,৪৮৬ ৬৬ ১০,৬২৪
১৭৭ ইয়েমেন ১০,০০৬ ১,৯৫০ ৬,৮৯২
১৭৮ গাম্বিয়া ৯,৯৮৯ ৩৪২ ৯,৬৩৮
১৭৯ ইরিত্রিয়া ৭,৩৯৩ ৬০ ৭,১৩১
১৮০ জিব্রাল্টার ৭,২৮১ ৯৮ ৬,৬৯৮
১৮১ কেম্যান আইল্যান্ড ৭,২৩৫ ৩,২৯৪
১৮২ নাইজার ৭,০০৭ ২৫৯ ৬,৬১৩
১৮৩ গিনি বিসাউ ৬,৪৪০ ১৪৮ ৬,২৭১
১৮৪ সিয়েরা লিওন ৬,৪০২ ১২১ ৪,৩৯৩
১৮৫ ডোমিনিকা ৬,০২৮ ৩৮ ৫,৬১৫
১৮৬ সান ম্যারিনো ৫,৯৭৯ ৯৩ ৫,৬১০
১৮৭ লাইবেরিয়া ৫,৯১৫ ২৮৭ ৫,৫২৩
১৮৮ গ্রেনাডা ৫,৮৯৭ ২০০ ৫,৬২৪
১৮৯ বারমুডা ৫,৭৪৮ ১০৬ ৫,৬০৯
১৯০ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড ৫,৫২৫ ৭৪ ৪,৯৯১
১৯১ চাদ ৫,১০৫ ১৭৫ ৪,৮৭৪
১৯২ লিচেনস্টেইন ৪,৬৯৬ ৬১ ৪,২৪৬
১৯৩ সিন্ট মার্টেন ৪,৫৮৮ ৭৫ ৪,৪৮৮
১৯৪ কমোরস ৪,৫০৮ ১৫০ ৪,২৯৮
১৯৫ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ৪,১৪১ ১১৭ ৪,০১৮
১৯৬ সেন্ট মার্টিন ৩,৯৪৯ ৫৬ ১,৩৯৯
১৯৭ মোনাকো ৩,৭৯৭ ৩৬ ৩,৬১০
১৯৮ ফারে আইল্যান্ড ৩,৬৮৮ ১৩ ৩,১৯৩
১৯৯ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড ৩,০৯৬ ২৪ ৩,০২১
২০০ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস ২,৯৩৮ ২২ ৬,৪৪৫
২০১ সেন্ট কিটস ও নেভিস ২,৭৮৬ ২৮ ২,৭৩৮
২০২ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ২,৭৬৫ ৩৮ ২,৬৪৯
২০৩ ভুটান ২,৬৪০ ২,৬২৩
২০৪ সেন্ট বারথেলিমি ১,৬০১ ৪৬২
২০৫ গ্রীনল্যাণ্ড ১,৪৫৬ ১,১৫৬
২০৬ এ্যাঙ্গুইলা ১,৩৮৬ ১,২৭৩
২০৭ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১৩ ৬৯৯
২০৮ ওয়ালিস ও ফুটুনা ৪৪৫ ৪৩৮
২০৯ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড ৭৯ ৬৮
২১০ ম্যাকাও ৭৭ ৭৭
২১১ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন ৫৯ ৩২
২১২ মন্টসেরাট ৪৪ ৪৩
২১৩ ভ্যাটিকান সিটি ২৭ ২৭
২১৪ সলোমান আইল্যান্ড ২০ ২০
২১৫ পশ্চিম সাহারা ১০
২১৬ জান্ডাম (জাহাজ)
২১৭ পালাও
২১৮ ভানুয়াতু
২১৯ মার্শাল আইল্যান্ড
২২০ সামোয়া
২২১ সেন্ট হেলেনা
২২২ টাঙ্গা
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।
করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]