করোনায় মারা গেলে গোসল ও জানাজার ইসলামি মূলনীতি

ধর্ম ডেস্ক
ধর্ম ডেস্ক ধর্ম ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৭:২০ পিএম, ২২ মার্চ ২০২০

সাধারণত কোনো মুসলমান মারা গেলে উপস্থিত মুসলিমদের ওপর ওই মৃত ব্যক্তির গোসল, জানাজা ও দাফন করা ফরজে কেফায়া। কিন্তু মুসলমানদের মধ্যে কেউ যদি মহামারি করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যায় তবে ইসলামের বিধান বা মূলনীতি কী হবে?

বর্তমান সময়ে করোনাভাইরাস আক্রান্ত হয়ে মারা গেলে ওই ব্যক্তিকে গোসল দেয়া, জানাজা দেয়া এবং দাফন করা নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে জটিলতা। এ ক্ষেত্রে ইসলামের মূলনীতি কী?

চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের মতে, করোনাভাইরাস ছোঁয়াচে হওয়ার কারণে এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করলে তার গোসল, জানাজা ও দাফনে সংক্রমণ হয়ে এ ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার সুযোগ রয়েছে।

তাই বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর কল্যাণের কথা বিবেচনা করে মহামারি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত মৃত ব্যক্তির গোসল দেয়া, জানাজা ও দাফনের মূলনীতি হলো-
হাদিসে মহামারিতে আক্রান্ত মৃত ব্যক্তিকে শহীদ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত মৃত ব্যক্তি ঈমানদার হলে সেও শহীদি মর্যাদা লাভ করবে। আর এ ব্যক্তিকে শহীদ হিসেবে মনে করে গোসল, জানাজা না দিয়েই দাফন করা যাবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞ আলেমরা। অনেক ওলামায়ে কেরাম বলেছেন-

ড. আব্দুল হাদি যারের ফতোয়া
আল ওয়াত্বান অনলাইন গণমাধ্যমে মিসরের আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ের ফতোয়া বোর্ডের প্রধান এবং সর্বোচ্চ ওলামা পরিষদের সদস্য ড. আব্দুল হাদি যারে, তার একটি ফতোয়ায় উল্লেখ করা হয়েছে যে-
`করোনাভাইরাসের সংক্রমণ অথবা এ জাতীয় কোনো অসুস্থতা বা রোগ-বালাই; যা ছড়িয়ে পড়তে পারে এ রকম আশংকা যদি থাকে এবং গোসল করানোর কোনো ব্যবস্থাই যদি না থাকে অর্থাৎ সতকর্তামূলকভাবেও যদি গোসল করানোর কোনো ব্যবস্থা না থাকে বা করতে গেলেই সমাজের অন্য মানুষের জন্য যদি তা ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে যায় তবে সেক্ষেত্রে বিকল্প ব্যবস্থা হতে পারে ‘তায়াম্মুম’।

আর তায়াম্মুম হলো কোনো ব্যক্তি তার হাত মাটিতে ফেলে সে হাত মৃত ব্যক্তির মুখ মাসেহ করে দেবে, হাত মাসেহ করে দেবে। এভাবে মৃত ব্যক্তিকে বিদায় জানাবে এবং দাফনের ব্যবস্থা করবে।

আর যদি তায়াম্মুমটাও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে যায় এবং কোনোভাবেই তায়াম্মুম করানো না যায় তাহলে সেক্ষেত্রে এ ব্যক্তিকে গোসল এবং তায়াম্মুম ছাড়াও যদি দাফন করা হয় তাহলে কোনো অসুবিধা হবে না। আল্লাহ তাআলা কুরআনে বলেছেন-
‘অতএব তোমরা যথাসাধ্য আল্লাহকে ভয় কর, শুন, আনুগত্য কর এবং ব্যয় কর। এটা তোমাদের জন্যে কল্যাণকর। যারা মনের কার্পন্য থেকে মুক্ত, তারাই সফলকাম। (সুরা তাগাবুন : আয়াত ১৬)

তিনি এ আয়াত থেকে মত ব্যক্ত করেছেন যে, মানুষের সাধ্যের বাইরে চলে গেলে অন্যদের ক্ষতি নিশ্চিত হয়ে গেলে সে কাজ না করলে কোনো গোনাহগার হবো না।

শায়খ আহমদ মামদুহ-এর ফতোয়া
একই মত ব্যক্ত করেছেন, দারুল ইফতাহ আল মাসরিয়ার আমির শায়খ আহমদ মামদুহ এক ভিডিও বার্তা উল্লেখ করেছেন, গোসল করানোর চেষ্টা করতে হবে। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে গোসল করাতে পানি স্প্রে করার মাধ্যমে তার শরীর ধুয়ে দেয়া যায় তাতেই চলবে। এ চেষ্টা করতে হবে। নতুবা তায়াম্মুম করাবে। একান্তই না পারলে কোনো অসুবিধা হবে না।

শেখ আব্দুল হামিদ আল-আতরাশ-এর ফতোয়া
আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ের ফতোয়া বিভাগের সাবেক প্রধান শেখ আব্দুল হামিদ আল-আতরাশ কিছুটা ভিন্ন কথা বলেছেন। তিনি বলেছেন বিনা অজুহাতে কোনো মুসলমানকে গোসল দেয়া ছাড়া বিদায়/দাফন দেয়া জায়েজ হবে না। নিয়ম মোতাবেক অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তার গোসল ও জানাজা দিতে হবে।

উল্লেখ্য যে, মৃতু্যর আগে জীবিত অবস্থায় ওই ব্যক্তিকে যে সতর্কতায় চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। তার মৃতু্যর পরে সেই সতর্কতা ব্যবস্থা গ্রহণ করে তার গোসল ও জানাজা দেয়া যেতে পারে। আর যদি মৃতু্যর পর গোসল ও জানাজা দেয়া ক্ষতিকর বলে জানা যায় এবং তায়াম্মুম ও ক্ষতির হবে বলে চিকিৎসকরা জানান তবে গোসল ও তায়াম্মুম ছাড়াই দাফন দেয়া যাবে। এতে কেউ গোনাহগার হবে না।

সুতরাং যদি চিকিৎসা বিজ্ঞানে বিশেষজ্ঞ ব্যক্তিরা বলেন যে, করোনা বা মহামারিতে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়ার কারণে ওই মৃত ব্যক্তির শরীরে এ ভাইরাস রয়েছে এবং তার কাছাকাছি গেলে, তার গোসল দিলে কিংবা তার জানাজা দিলে অন্য সুস্থ ব্যক্তিদের আক্রান্ত হওয়ার আশংকা রয়েছে, ক্ষয়ক্ষতির আশংকা রয়েছে বা প্রাণনাশের আশংকা রয়েছে তবে সে ক্ষেত্রে গোসল, জানাজা স্থগিত হতে পারে।

ইসলামের মূলনীতি
মহামারি করোনায় আক্রান্ত ব্যক্তির জন্য কোনো সামাজিক কিংবা ধর্মীয় জনসমাগমে যাওয়া যেমন বৈধ নয়, তেমনি অন্য মুসলমানের ক্ষতি বা কষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকে এমন মৃত ব্যক্তির গোসল, জানাজা ও দাফন দেয়া ছাড়া দাফনেও কোনো বাধা নেই। কেননা, মানুষের ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ব্যাপারে ইসলামের মূলনীতি হলো-
>> ‘যারা বিনা অপরাধে মুমিন পুরুষ ও মুমিন নারীদেরকে কষ্ট দেয়, তারা মিথ্যা অপবাদ ও প্রকাশ্য পাপের বোঝা বহন করে।’ (সুরা আহজাব : আয়াত ৫৮)
>> لا ضرر ولا ضرار
(নিজে) ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া ও (অন্যকে) ক্ষতিগ্রস্ত করার কোনো অবকাশ নেই।
>> أن الضرر يدفع قدر الإمكان
যতটা সম্ভব ক্ষয়-ক্ষতি প্রতিহত করতে হবে।
>> কষ্টকর বিধান সহজ বিধানকে আকর্ষণ করে।
>> ওজরের কারণে।

এছাড়া আল্লাহ তাআলা মানুষের ওপর কষ্টকর কোনো বিধান চাপিয়ে দেন না বলেও কুরআনে উল্লেখ করেন-
‘ আল্লাহ তাআলা কারো ওপর তার ক্ষমতার বাইরে দায়িত্ব চাপিয়ে দেন না।’ (সুরাবাকারা : আয়াত ২৮৬)
‘ আল্লাহ তাআলা চান তোমাদের বোঝা হালকা করে দিতে এবং মানুষকে দুর্বল করে সৃষ্টি করা হয়েছে।’ (সুরা নিসা : আয়াত ২৭)

চিকিৎসা বিজ্ঞানের উল্লেখিত মূলনীতির আলোকে বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর কল্যাণের কথা চিন্তা করেই করোনাভাইরাসে আক্রান্ত মৃত ব্যক্তির গোসল ও জানাজা ছাড়াই দাফন করা যাবে বলেছেন ওলামায়ে কেরাম। আবার মৃত ব্যক্তিকে তায়াম্মুম দিয়ে, লাশ ছাড়াই গায়েবানা জানাজা দেয়া যাবে বলেছেন অনেকে।

এমএমএস/এমএস

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

৭,৮৫,৭১২
আক্রান্ত

৩৭,৮১৪
মৃত

১,৬৫,৬০৬
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ৪৯ ১৯
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১,৬৪,২৪৮ ৩,১৬৪ ৫,৫০৬
ইতালি ১,০১,৭৩৯ ১১,৫৯১ ১৪,৬২০
স্পেন ৮৭,৯৫৬ ৭,৭১৬ ১৬,৭৮০
চীন ৮১,৫১৮ ৩,৩০৫ ৭৬,০৫২
জার্মানি ৬৬,৮৮৫ ৬৪৫ ১৩,৫০০
ফ্রান্স ৪৪,৫৫০ ৩,০২৪ ৭,৯২৭
ইরান ৪১,৪৯৫ ২,৭৫৭ ১৩,৯১১
যুক্তরাজ্য ২২,১৪১ ১,৪০৮ ১৩৫
১০ সুইজারল্যান্ড ১৫,৯২২ ৩৫৯ ১,৮২৩
১১ বেলজিয়াম ১১,৮৯৯ ৫১৩ ১,৫২৭
১২ নেদারল্যান্ডস ১১,৭৫০ ৮৬৪ ২৫০
১৩ তুরস্ক ১০,৮২৭ ১৬৮ ১৬২
১৪ দক্ষিণ কোরিয়া ৯,৭৮৬ ১৬২ ৫,৪০৮
১৫ অস্ট্রিয়া ৯,৬১৮ ১০৮ ৬৩৬
১৬ কানাডা ৭,৪৭৪ ৯২ ১,১১৪
১৭ পর্তুগাল ৬,৪০৮ ১৪০ ৪৩
১৮ ইসরায়েল ৪,৬৯৫ ১৬ ১৬১
১৯ ব্রাজিল ৪,৬৬১ ১৬৫ ১২৭
২০ নরওয়ে ৪,৪৬২ ৩২ ১২
২১ অস্ট্রেলিয়া ৪,৪৬০ ১৯ ২৪৪
২২ সুইডেন ৪,০২৮ ১৪৬ ১৬
২৩ আয়ারল্যান্ড ২,৯১০ ৫৪
২৪ মালয়েশিয়া ২,৬২৬ ৩৭ ৪৭৯
২৫ ডেনমার্ক ২,৫৭৭ ৭৭
২৬ চিলি ২,৪৪৯ ১৫৬
২৭ রোমানিয়া ২,১০৯ ৬৫ ২০৯
২৮ পোল্যান্ড ২,০৫৫ ৩১
২৯ লুক্সেমবার্গ ১,৯৮৮ ২২ ৪০
৩০ ইকুয়েডর ১,৯৬৬ ৬২
৩১ জাপান ১,৯৫৩ ৫৬ ৪২৪
৩২ রাশিয়া ১,৮৩৬ ৬৬
৩৩ পাকিস্তান ১,৭১৭ ২১ ৭৬
৩৪ ফিলিপাইন ১,৫৪৬ ৭৮ ৪২
৩৫ থাইল্যান্ড ১,৫২৪ ২২৯
৩৬ সৌদি আরব ১,৪৫৩ ১১৫
৩৭ ইন্দোনেশিয়া ১,৪১৪ ১২২ ৭৫
৩৮ ফিনল্যাণ্ড ১,৩৫২ ১৩ ১০
৩৯ দক্ষিণ আফ্রিকা ১,৩২৬ ৩১
৪০ ভারত ১,২৫১ ৩২ ১০২
৪১ গ্রীস ১,২১২ ৪৬ ৫২
৪২ মেক্সিকো ১,০৯৪ ২৮ ৩৫
৪৩ আইসল্যান্ড ১,০৮৬ ১৫৭
৪৪ পানামা ১,০৭৫ ২৭
৪৫ আর্জেন্টিনা ৯৬৬ ২৪ ২২৮
৪৬ পেরু ৯৫০ ২৪ ৫৩
৪৭ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ৯০১ ৪২
৪৮ সিঙ্গাপুর ৮৭৯ ২২৮
৪৯ কলম্বিয়া ৭৯৮ ১৪ ১৫
৫০ কলম্বিয়া ৭৯৮ ১৪ ১৫
৫১ ক্রোয়েশিয়া ৭৯০ ৬৭
৫২ সার্বিয়া ৭৮৫ ১৬ ৪২
৫৩ স্লোভেনিয়া ৭৫৬ ১১ ১০
৫৪ এস্তোনিয়া ৭১৫ ২০
৫৫ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদতরী) ৭১২ ১০ ৬০৩
৫৬ কাতার ৬৯৩ ৫১
৫৭ হংকং ৬৮৩ ১১৮
৫৮ মিসর ৬৫৬ ৪১ ১৫০
৫৯ নিউজিল্যান্ড ৬৪৭ ৭৪
৬০ ইরাক ৬৩০ ৪৬ ১৫২
৬১ সংযুক্ত আরব আমিরাত ৬১১ ৬১
৬২ আলজেরিয়া ৫৮৪ ৩৫ ৩৭
৬৩ মরক্কো ৫৫৬ ৩৩ ১৫
৬৪ ইউক্রেন ৫৪৮ ১৩
৬৫ বাহরাইন ৫১৫ ২৯৫
৬৬ লিথুনিয়া ৪৯১
৬৭ আর্মেনিয়া ৪৮২ ৩০
৬৮ চেক রিপাবলিক ৪৬৪
৬৯ হাঙ্গেরি ৪৪৭ ১৫ ৩৪
৭০ লেবানন ৪৪৬ ১১ ৩৫
৭১ লাটভিয়া ৩৭৬
৭২ এনডোরা ৩৭০ ১০
৭৩ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ৩৬৮ ১০ ১৭
৭৪ তিউনিশিয়া ৩৬২
৭৫ বুলগেরিয়া ৩৫৯ ১৭
৭৬ স্লোভাকিয়া ৩৩৬
৭৭ কোস্টারিকা ৩৩০
৭৮ উরুগুয়ে ৩২০ ২৫
৭৯ কাজাখস্তান ৩০৮ ২১
৮০ তাইওয়ান ৩০৬ ৩৯
৮১ মলদোভা ২৯৮ ১৫
৮২ চেক রিপাবলিক ২৯৩
৮৩ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ২৮৫ ১২
৮৪ আজারবাইজান ২৭৩ ২৬
৮৫ জর্ডান ২৬৮ ২৬
৮৬ কুয়েত ২৬৬ ৭২
৮৭ বুর্কিনা ফাঁসো ২৪৬ ১২ ৩১
৮৮ সান ম্যারিনো ২৩০ ২৫ ১৩
৮৯ সাইপ্রাস ২৩০ ২২
৯০ রিইউনিয়ন ২২৪
৯১ আলবেনিয়া ২২৩ ১১ ৪৪
৯২ ভিয়েতনাম ২০৪ ৫৫
৯৩ ওমান ১৭৯ ২৯
৯৪ আফগানিস্তান ১৭০
৯৫ কিউবা ১৭০
৯৬ ফারে আইল্যান্ড ১৬৮ ৭০
৯৭ আইভরি কোস্ট ১৬৮
৯৮ সেনেগাল ১৬২ ২৭
৯৯ মালটা ১৫৬
১০০ বেলারুশ ১৫২ ৩২
১০১ ঘানা ১৫২
১০২ উজবেকিস্তান ১৪৯
১০৩ হন্ডুরাস ১৪১
১০৪ ক্যামেরুন ১৩৯
১০৫ ভেনেজুয়েলা ১৩৫ ৩৯
১০৬ নাইজেরিয়া ১৩১
১০৭ ব্রুনাই ১২৭ ৩৮
১০৮ শ্রীলংকা ১২২ ১৫
১০৯ ফিলিস্তিন ১১৭ ১৮
১১০ কম্বোডিয়া ১০৭ ২১
১১১ গুয়াদেলৌপ ১০৬ ১৭
১১২ জর্জিয়া ১০৩ ২০
১১৩ বলিভিয়া ৯৭
১১৪ কিরগিজস্তান ৯৪
১১৫ মার্টিনিক ৯৩
১১৬ মন্টিনিগ্রো ৯১
১১৭ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ৮৩
১১৮ মায়োত্তে ৮২ ১০
১১৯ রুয়ান্ডা ৭০
১২০ জিব্রাল্টার ৬৯ ৩৪
১২১ প্যারাগুয়ে ৬৫
১২২ লিচেনস্টেইন ৬২
১২৩ কেনিয়া ৫০
১২৪ আরুবা ৫০
১২৫ মোনাকো ৪৯
১২৬ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ৪৩
১২৭ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ৪৩
১২৮ পুয়ের্তো রিকো ৩৯
১২৯ ম্যাকাও ৩৮ ১০
১৩০ গুয়াতেমালা ৩৬ ১০
১৩১ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ৩৬
১৩২ জ্যামাইকা ৩৬
১৩৩ বার্বাডোস ৩৪
১৩৪ গুয়াম ৩২
১৩৫ টোগো ৩০
১৩৬ নাইজার ২৭
১৩৭ ইথিওপিয়া ২৩
১৩৮ গিনি ২২
১৩৯ কঙ্গো ১৯
১৪০ তানজানিয়া ১৯
১৪১ মালদ্বীপ ১৭ ১৩
১৪২ বাহামা ১৪
১৪৩ মঙ্গোলিয়া ১২
১৪৪ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ১২
১৪৫ কেম্যান আইল্যান্ড ১২
১৪৬ ডোমিনিকা ১২
১৪৭ নামিবিয়া ১১
১৪৮ গ্রীনল্যাণ্ড ১০
১৪৯ সেন্ট লুসিয়া
১৫০ সুরিনাম
১৫১ সিসিলি
১৫২ গায়ানা
১৫৩ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা
১৫৪ গ্যাবন
১৫৫ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা
১৫৬ ভ্যাটিকান সিটি
১৫৭ মৌরিতানিয়া
১৫৮ সুদান
১৫৯ বেনিন
১৬০ ভ্যাটিকান সিটি
১৬১ নেপাল
১৬২ মন্টসেরাট
১৬৩ ভুটান
১৬৪ গাম্বিয়া
১৬৫ তাজিকিস্তান
১৬৬ সেন্ট পিয়ের ও মিকুয়েলন
১৬৭ লাইবেরিয়া
১৬৮ সোমালিয়া
১৬৯ মার্কিন ভার্জিন আইল্যান্ড
১৭০ ক্রিস্টমাস আইল্যান্ড
১৭১ মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্র
১৭২ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।