কৃষক কার্ড পেয়ে ভাইরাল হওয়া কবির সত্যিই কৃষক

জাগো নিউজ ডেস্ক
জাগো নিউজ ডেস্ক জাগো নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৪:৪৩ পিএম, ১৫ এপ্রিল ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত থেকে কৃষক কার্ড গ্রহণ করেন টাঙ্গাইলের কবির হোসেন। এ সংবাদ প্রচারের পর পরই অনেকে তার কিছু ছবি প্রচার করে তাকে বিত্তশালী এবং কৃষক নন বলে দাবি করেছেন। ফলে আলোচনা-সমালোচনা চলতে থাকে সোশ্যাল মিডিয়ায়। একই সঙ্গে তার এআই জেনারেটেড কিছু ছবিও ছড়িয়ে পড়ে।

এ খবর পেয়ে কয়েকজন কনটেন্ট ক্রিয়েটর পৌঁছে যান টাঙ্গাইলে। সেখানে গিয়ে তারা সরেজমিনে ভিডিও করেন। ভিডিওতে দেখা যায়, কবির হোসেন সত্যিই একজন কৃষক। তবে ২০২৫ সালে তিনি এআই দিয়ে তৈরি করা কিছু ছবি নিজের টাইমলাইনে পোস্ট করেন। সেই ছবিগুলো হঠাৎ ছড়িয়ে পড়ে। আর সেসব ছবি পোস্ট করেই তার বিরুদ্ধে সমালোচনা শুরু হয়।

জানা যায়, টাঙ্গাইলে কৃষক কার্ড পেয়ে ভাইরাল হওয়া কবির হোসেন তার কৃষিকাজের প্রমাণ দেখিয়েছেন। কবির হোসেন টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ঘারিন্দা ইউনিয়নের উত্তর তারুটিয়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি কৃষিকাজের পাশাপাশি কৃষকদের জীবন ও বিচিত্রা নিয়ে কন্টেন্ট তৈরি করে ফেসবুকে আপলোড করেন।

এ বিষয়ে সেকেন্দার আলী লিখেছেন, ‌‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে কৃষক কার্ড গ্রহণ করেছেন কবির হোসেন। তিনি অরজিনাল কৃষক। ১২ মাস কৃষিকাজ করেন। খোঁজ নিয়ে দেখেন।’

জিম রাকিব লিখেছেন, ‘কবির ভাই কৃষক। তার একটা প্রমাণ আছে। আমি কবির হোসেন ভাইয়ের স্যালো মেশিনে গোসল করে আসছি। তার জমিও আছে চাষাবাদের।’

মির্জা ফজলে রাব্বি লিখেছেন, ‘টাঙ্গাইলে ভাইরাল কৃষক কাবির হোসেন ভাই সত্যিই একজন প্রকৃত কৃষক।’

ফজলু লিখেছেন, ‘আসসালামু আলাইকুম প্রিয় সম্মানিত দেশবাসী। আপনাদের জানাচ্ছি যে, কবির হোসেন একজন পাকা কৃষক এবং সচেতন একজন সৎ মানুষ। আমি ওনার প্রতি শুভ কামনা জানাই।’

রিফাত ইসলাম লিখেছেন, ‘ভাইরাল কৃষক কবির হোসেন কাকাকে নিয়ে তো পিনাকী পর্যন্ত পোস্ট করে ফেলছে। হোক তা নেগেটিভ বা পজিটিভ। কাকা তো এখন সোশ্যাল মিডিয়াতে হট টপিক। তবে যে তিনটা ছবি পিনাকী পোস্ট করছে, সবগুলাই এআই দিয়ে বানানো।’

কবির হোসেন তার টাইমলাইনে কৃষিকাজের একটি ভিডিও পোস্ট করে লিখেছেন, ‘আপনারাই দেখেন আমি কৃষক, নাকি বড় কোনো অফিসার। ভিডিওটা সবাই শেয়ার করবেন।’

এসইউ

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।