সংসদে নাহিদের বক্তব্যে প্রশংসার বন্যা সোশ্যাল মিডিয়ায়
জাতীয় সংসদ অধিবেশনে আধা ঘণ্টার বেশি বক্তব্য দিয়েছেন ঢাকা-১১ আসনের সংসদ সদস্য, জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ২৫তম দিন ৩০ এপ্রিল রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নেন তিনি। ৩৪ মিনিট ৬ সেকেন্ডের ওই বক্তব্য শুনে মুগ্ধ হয়েছেন নেটিজেনরা। তাই তো সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রশংসার বন্যা বয়ে যাচ্ছে।
হাসনাত আব্দুল্লাহ লিখেছেন, ‘আমার নেতা, আমাদের নেতা, বাংলাদেশের নেতা নাহিদ ইসলাম।’
আসাদ আল ইমরান লিখেছেন, ‘নাহিদ ইসলাম আজ সংসদে যে বক্তব্য দিলেন, এটা সম্ভবত সংসদ ইতিহাসের অন্যতম সেরা বক্তব্য হয়ে থাকবে। পরিমিতিবোধ, শিষ্টাচারপূর্ণ শব্দচয়ন, গঠনমূলক সমালোচনা, সমসাময়িক এবং অমীমাংসিত সকল সমস্যা সমাধানের আকাঙ্ক্ষা, বর্তমান রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের প্রতি শ্রদ্ধা কী নেই সেই ৩৩ মিনিটের বক্তব্যে? এমন পরিণত রাজনীতিবিদ বিরোধী হিসেবে থাকাটাও বর্তমান সরকারের জন্য আশীর্বাদের। বাংলাদেশের জন্য সৌভাগ্যের।’
মহিউদ্দিন রনি লিখেছেন, ‘আমাদের কথা যিনি বলেন সেই আমাদের নেতা। আমাদের নেতা নাহিদ ইসলাম। এ প্রজন্মের নেতা জনাব নাহিদ ইসলাম। আপনার আমার কথাগুলোই বলেছেন জনাব নাহিদ ইসলাম।’
মো. সারজিস আলম লিখেছেন, ‘বাংলাদেশের প্রত্যেকটা মানুষের এই বক্তব্যটা শোনা উচিত। নাহিদ ইসলামরাই আগামীর বাংলাদেশ।’
সাইফ হাসনাত লিখেছেন, ‘ইনক্রিডিবলি পাওয়ারফুল স্পিস বাই নাহিদ ইসলাম। আজকে মহান সংসদে জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম যে বক্তব্য দিয়েছেন, এইটা সম্ভবত স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসে সংসদে দেওয়া অন্যতম সেরা বক্তব্য হয়ে থাকবে। তার কথায় রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ছিল না; ছিল জাতীয় একতার আহ্বান। তার দলের, তার জোটের সদস্যরা তো বটেই, সরকারি দলের সদস্যরাও মন্ত্রমুগ্ধের মতো তার বক্তব্য শুনেছেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বিএনপির দুঃসময়ের অন্যতম কাণ্ডারি এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ; সবাই দৃশ্যত গভীর মনোযোগ দিয়ে নাহিদের বক্তব্য শুনেছেন। রাজনীতি সচেতন, দেশ ও দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তা করেন; এমন প্রতিটি নাগরিকের এই বক্তব্য শোনা উচিত। কমেন্টে লিংক থাকলো।’
এমজে মামুন লিখেছেন, ‘নাহিদের বক্তব্য চলাকালে কোনো সাংসদ নড়াচড়াও করেনি। কী যে বক্তব্য রেখেছে সে। সংসদের সেরা বক্তব্য জেনজি নেতার মুখে উচ্চারিত হয়েছে। ৩৪:০৬ মিনিটের বক্তব্যে ১ সেকেন্ডের জন্যও দেশের কেউই মনোযোগ সরায়নি। নাহিদের বক্তব্যটা বাংলাদেশের ঐতিহাসিক বক্তব্য। জুলাই বিপ্লবীদের কণ্ঠ কভু থেমে থাকে না, দেশ এবং জাতির জন্য সেই কণ্ঠ আরও শক্তিশালী হয়। সমালোচনা কিভাবে করা লাগে বাকিদের শেখা উচিত। তথ্য দিয়ে, যুক্তি দিয়ে, মেধা দিয়ে, কোনো প্রপাগাণ্ডা ছাড়াই।’
এসইউ