ঢাকায় প্রকাশ্যে চুমুর আহ্বান নিয়ে বিতর্ক স্যোশাল মিডিয়ায়


প্রকাশিত: ১২:১০ পিএম, ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৬

জার্মানিতে নির্বাসিত দুই বাংলাদেশি অ্যাক্টিভিস্ট শাম্মী হক ও অনন্য আজাদ গত সপ্তাহে একটি ফেসবুক ইভেন্টে ভালোবাসা দিবসে ঢাকায় প্রকাশ্যে চুমু খাওয়ার জন্য প্রেমিক যুগলদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। ইভেন্টের নাম দিয়েছেন ভালোবাসা দিবসে পুলিশি পাহারায় প্রকাশ্যে চুমু খাব।’এই আহ্বানের পর থেকেই স্যোশাল মিডিয়ায় বিতর্কের ঝড় উঠেছে।

যদিও আহ্বায়করা ইভেন্টের কারণ জানিয়েছেন, ‘প্রতিবছরই এই দিনকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশের পুলিশ বিভিন্ন রকম হয়রানি করে৷ এর প্রতিবাদে সকল জুটিকে স্ব-স্ব প্রেমিক প্রেমিকাকে প্রকাশ্যে চুমু খাবার আহ্বান জানানো যাচ্ছে।’

তবে ফেসবুক এই ইভেন্ট নিয়ে ইতোমধ্যে ব্যাপক বিতর্ক শুরু হয়েছে। প্রকাশ্যে চুমুর ইতিবাচক, নেতিবাচক নানা দিকের আলোচনা হচ্ছে ফেসবুক ব্লগসহ নানা জায়গায়।

কানাডা প্রবাসী বাংলাদেশি সাংবাদিক শওগাত আলী সাগর ফেসবুকে লিখেছেন, ‘জার্মানিতে বসবাসরত দুইজন প্রবাসী বাংলাদেশি ভালোবাসা দিবসে প্রকাশ্য চুমু খাওয়ার একটি ইভেন্ট পেজ খুলেছেন ফেসবুকে। প্রকাশ্যে চুমু খাওয়ার আয়োজনটি আবার ঢাকায় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে। নিজেরা জার্মানিতে বসে ঢাকায় চুমু খাওয়ার ইভেন্ট কেন?’

এদিকে শাম্মী হকের এই ‘ওড়না ছাড়া’ ছবির সমালোচনা করে তার ফেসবুক প্রোফাইলের বিরুদ্ধে রিপোর্টও করা হচ্ছে।

যদিও ফেসবুক ইভেন্টের অন্যতম আয়োজক শাম্মী হক প্রকাশ্যে চুমুর বিষয়টিকে দেখছেন প্রতিবাদের ভাষা হিসেবে, যেমনটা কিছুদিন আগে ভারতে করা হয়েছিল।

তবে এই প্রতিবাদ করতে গিয়ে বেশ বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়ার কথা জানিয়েছেন তিনি। তাঁকে ‘ধর্ষণের হুমকি।’ দেয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

নিজের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত শাম্মী দাবি করেন, ‘আওয়ামী লীগের এক নেতা ইভেন্ট খুলেছে, টাকা তোলার জন্য। সেই টাকা দিয়ে জার্মানি এসে আমাকে ধর্ষণ করবে।’

যদিও ইতোমধ্যে ফেসবুক ইভেন্টে সাড়া দিয়েছেন এক হাজারের বেশি মানুষ। সেখানে যেতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন আরো আড়াই হাজার ফেসবুক ব্যবহারকারী। তবে ভালোবাসা দিবসে ঢাকায় ‘প্রকাশ্যে চুমু’ ঠেকাতে পুলিশের পক্ষ থেকে বাড়তি কোনো ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানা যায়নি।

পুলিশ সদর  হেড কোয়ার্টার্সের তথ্য কর্মকর্তা কামরুল আহসান জানান, এ ধরনের কোনো নির্দেশনার কথা আমার জানা নেই।’

সূত্র : ডিডব্লিউ

এসএইচএস/আরআইপি

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]