ফেসবুক ইউটিউব ওয়ার্ল্ড ব্যাংক এখন বাংলাদেশের পেছনে ঘোরে

সায়েম সাবু
সায়েম সাবু সায়েম সাবু , আদনান রহমান আদনান রহমান
প্রকাশিত: ০১:০১ পিএম, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮

মোস্তাফা জব্বার। মন্ত্রী, তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক মন্ত্রণালয়। ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্নযাত্রায় একজন সারথি। মহাজোট সরকারের তথ্যপ্রযুক্তির উন্নয়নে কাজ করছেন শুরু থেকেই।

প্রযুক্তির উন্নয়ন ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে মুখোমুখি হন জাগো নিউজ’র। কথা হয় তথ্যপ্রযুক্তি আইন, ফেসবুকে গুজব, মোবাইল অপারেটরগুলোর কলরেটসহ নানা বিষয়ে। দীর্ঘ আলোচনায় রাজনীতির প্রসঙ্গও উঠে আসে। উন্নয়ন প্রশ্নে ‘শেখ হাসিনার হাতেই বাংলাদেশ নিরাপদ’ বলে মত দেন। দুই পর্বের সাক্ষাৎকারের আজ থাকছে শেষটি।

সাক্ষাৎকার নিয়েছেন সায়েম সাবু আদনান রহমান

জাগো নিউজ : বাংলাদেশের প্রতি ফেসবুক, ইউটিউবের মতো সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটের দৃষ্টিভঙ্গি কেমন? ডিজিটাল অপরাধ বন্ধে ফেসবুক আমাদের সাহায্য করছে কিনা?

মোস্তাফা জব্বার : এতোদিন ফেসবুক, ইউটিউবের দ্বারে দ্বারে আমাদের ঘুরতে হয়েছে। তাদের কাছে যাওয়া যেত না, কথা বলা যেত না। তারা আমাদের নমঃশূদ্র মনে করতো। এখন ফেসবুক আমার বাড়িতে এসে কথা বলে, ইউটিউব বাংলাদেশে অফিস খুলছে। এর মানে তারা বাংলাদেশকে গুরুত্ব দিচ্ছে।

যেদিন শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের গুজব ছড়ানো হলো, আমি ফেসবুকের আমাদের রিজিয়ন প্রধানকে ফোন দিয়ে বলি, আমাদের সাহায্য করো, না হলে বাংলাদেশে স্থায়ীভাবে ফেসবুক বন্ধ করে দেব। ফলাফল, পরদিন ফেসবুকের একজন প্রতিনিধি আমার সঙ্গে কথা বলেন। আমাকে বলা হয়, তোমরা যেভাবে চাও, সেভাবেই হবে।

আগে আমরা যে জায়গাগুলোতে আলোচনাই করতে পারতাম না, এখন সেসব জায়গায় তারা আমাদের সঙ্গে টকিং টেবিলে বসছে। আমি ফেসবুককে স্পষ্ট করে বলেছি, আমার কমিউনিটির স্ট্যান্ডার্ড আর তোমার (যুক্তরাষ্ট্র) স্ট্যান্ডার্ড এক নয়। আমার দেশে ফেসবুক চালাতে হলে আমার স্ট্যান্ডার্ড এবং বাংলাদেশের আইন মানতে হবে। তারা এসব বিষয়ে আমাদের সঙ্গে একমত হয়েছে।

ফেসবুক আপাতত বাংলাদেশের ভুয়া আইডি, জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস কিংবা হেট স্পিচমূলক পোস্টগুলো বন্ধ করছে। সম্প্রতি আমাদের প্রচুর সাহায্য করছে তারা।

জাগো নিউজ : আলিবাবা, অ্যামাজনের মতো দুনিয়া কাঁপানো প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে আসছে। তাদের কার্যক্রম আমাদের দেশের যুবসমাজ ও অর্থনীতির ওপর কেমন প্রভাব ফেলবে?

মোস্তাফা জব্বার : প্রথমত, তাদের বাংলাদেশে আসা এবং অফিস খোলার মাধ্যমে প্রমাণ হয় যে, বাংলাদেশ এখন আর শিশু নয়। আমরা সক্ষমতা অর্জন করেছি। বড় বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে আমরা সক্ষম ক্রেতাগোষ্ঠী হিসেবে পরিচিতি পেয়েছি। স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানগুলো বাংলাদেশকে এখন বিনিয়োগের ক্ষেত্র হিসেবে বিবেচনা করে।

তারা কিন্তু আমাদের অনুরোধে বাংলাদেশে আসেনি, চেহারা দেখে আসেনি। সম্ভাবনা দেখে তারা এই দেশে ব্যবসা করতে আসছে।

জাগো নিউজ : তাদের কারণে বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠানগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হবে কিনা?

মোস্তাফা জব্বার : বাংলাদেশে ই-কমার্স ব্যবসার প্রসার হয়েছে দুই বছর ধরে। তবে অতটা ডেভেলপ হয়নি। গ্লোবাল প্লেয়াররা আসলে দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলো প্রতিযোগিতার সুযোগ পাবে। যখন মনে হবে দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে রক্ষা করা দরকার, তখন আমরা ব্যবস্থা নেব। যেমনটা ইলেক্ট্রনিক আর সফটওয়্যার শিল্পের ক্ষেত্রে হয়েছে।

জাগো নিউজ : গত আট মাসের অভিজ্ঞতা এবং সরকারের সাড়ে নয় বছরের কার্যক্রম সম্পর্কে কী বলবেন?

মোস্তাফা জব্বার : অনেক ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সূচক ঊর্ধ্বমুখী। আমি আট মাস ধরে দায়িত্বে আছি। এখন আমার পেছনে বিশ্বব্যাংক ঘুরে বেড়াচ্ছে। আমাকে বলে, তুমি কি আমার কাছ থেকে টাকা নেবে?

আমার পেছনে চীন, ভিয়েতনাম, রাশিয়াসহ ইউরোপের দেশগুলো ঘুরে বেড়ায় টাকা দেয়ার জন্য। আমি এখন সাহস দেখাতে পারি, ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের প্রতিনিধিকে বলতে পারি, আমার টাইম নাই। অনেক নামীদামি ব্যবসায়ী, দেশ আর প্রতিষ্ঠান আমাদের সঙ্গে বসে, যারা আমাদের বিনিয়োগের প্রস্তাব দেয়, অর্থায়নের প্রস্তাব দেয়।

জাগো নিউজ : সম্প্রতি মোবাইল ফোনের প্রতি মিনিটে সর্বনিম্ন একক কলরেট ৪৫ পয়সা চালু হয়েছে। আপনার দৃষ্টিতে এটি জুলুম কিনা?

মোস্তাফা জব্বার : কলরেট বাড়ানো তো জুলুম নয় বরং আমরা একটা ভুল সংশোধন করেছি। ভুল হচ্ছে- পৃথিবীর কোথাও মোবাইলে অফনেট (অন্য অপারেটরে কল) ও অননেটে (নিজস্ব অপারেটরে কল) দুই ধরনের রেট নাই। সব কলের রেট একই। কোন অপারেটরে কল করেছেন সেটা বিবেচ্য নয়। গত দুই বছর বিটিআরসি এটা নিয়ে গবেষণা করেছে। আমি আসার পর এটার বাস্তবায়ন হয়েছে।

jagonews

এটাকে বাড়ানো বলা যাবে না, বলতে হবে; কলরেট সমন্বয় করা হয়েছে। গবেষণা রিপোর্ট অনুযায়ী ৫০ পয়সা করার কথা ছিল। আমরা পাঁচ পয়সা কমিয়ে দিয়েছি। এতোদিন যেটা চলছিল সেটা তো কোনো সিস্টেম নয়। আমরা কলরেট একটা শৃঙ্খলার মধ্যে এনেছি। এতে অনেকের মোবাইল খরচ কমেছে। অনেকে অফনেটে (অন্য অপারেটরে) কল বেশি করেন। সমন্বয়ের ফলে তাদের খরচ কমেছে।

সবাই এখন ২৫ পয়সা কলরেটে কথা বলেন, কিন্তু বাংলাদেশে এ যাবৎ কেউ এই রেটে কথা বলতে পারেননি। ২৫ পয়সার সঙ্গে ভ্যাট-সাবসিডিয়ারি-ডিউটিসহ সব মিলিয়ে ৩৯ পয়সা ছিল। আমরা এটাকে ৫৪ পয়সায় সমন্বয় করেছি।

জাগো নিউজ : অপারেটরগুলোর আশঙ্কা, এক রেটে জায়েন্ট প্রতিষ্ঠান গ্রামীণফোন (জিপি) বেশি লাভবান হবে। যেসব অপারেটরের গ্রাহক কম তারা ক্ষতিগ্রস্ত হবে...

মোস্তাফা জব্বার : আমার ধারণা, বড় অপারেটররা বরং ক্ষতির মুখোমুখি হবে। কারণ জিপির মতো অপারেটররা অননেটে (নিজস্ব অপারেটরে কল) রেট কমে দিতে পারতো। এখন আমরা এটা সমন্বয় করেছি।

জাগো নিউজ : কল ড্রপে অতিষ্ঠ গ্রাহকরা। নেটওয়ার্ক দুর্বল, কথা শোনা যায় না। দীর্ঘদিনের এসব সমস্যার প্রতিকারে কোনো পরিকল্পনা…

মোস্তাফা জব্বার : এটা ঠিক যে, আট মিনিট কথা বললে ছয়বার কল ড্রপ হয়। নেটওয়ার্কের দুর্বলতায় কথা শোনা যায় না। এখন আমরা একটা অপারেটরের কাছে বন্দি। চাইলেও বদলাতে পারি না। কিন্তু অক্টোবর থেকে গ্রাহকরা এই সুবিধা পাবেন। তখন কল ড্রপ হলে তারা ইচ্ছামতো অপারেটর বদলাতে পারবেন।

এছাড়া আমরা মোবাইল ও ইন্টারনেট অপারেটরদের কোয়ালিটি অব সার্ভিসের ওপর একটি নীতিমালা তৈরি করছি। আশা করছি, সহসাই তা প্রয়োগ হবে। কোয়ালিটি-ই আমাদের বড় কনসার্ন। নীতিমালা চূড়ান্ত পর্যায়ে। মন্ত্রিসভায় অনুমোদন পেলেই কাজ শুরু করবো।

নীতিমালায় অপারেটরদের কোয়ালিটি নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি নিশ্চিত করা হবে। না মানলে শাস্তি হবে।

জাগো নিউজ : পর্নো আর অনলাইনে জুয়া খেলার সাইট কোনোভাবেই বন্ধ হচ্ছে না। বন্ধ করলেও ফের চালু হচ্ছে। প্রতিকার কী?

মোস্তাফা জব্বার : নভেম্বরে আমাদের একটা প্রকল্প চালু হচ্ছে। এতে আমরা স্থায়ীভাবে এসব সাইট বন্ধ করতে সক্ষম হবো।

জাগো নিউজ : প্রযুক্তি ব্যবহারে আমরা কতটুকু এগিয়েছি? ইউরোপ-আমেরিকার সমপর্যায়ে যেতে পারবো কিনা?

মোস্তাফা জব্বার : ১৭৬০ সালে গ্রাম থেকে যারা লন্ডনে এসেছিল, তারাও জানতো জেব্রা ক্রসিং দিয়ে রাস্তা পার হতে হয়। আমি ২০১৮ সালেও জেব্রা ক্রসিং চিনি না। ১৪৫৪ সাল থেকে জার্মানিতে প্রিন্টিং মেশিন ব্যবহার হয়েছে, বাংলাদেশে ১৭৭৮ সালে। প্রযুক্তিগত দিক থেকে আমরা ৩২৪ বছর পিছিয়ে।

আমাদের মধ্যে বড় একটা গ্যাপ রয়েছে। গ্যাপ এতো তাড়াতাড়ি মুছে ফেলা যাবে- এটা মনে করার কোনো কারণ নেই। কিন্তু সাড়ে নয় বছরে বর্তমান সরকার যে গতিতে উন্নয়ন করেছে, অন্য যেকোনো দেশ আমাদের কাছ থেকে এখন শিক্ষা গ্রহণ করতে পারে।

জাগো নিউজ : ডিজিটাল অপরাধ মোকাবেলায় আমরা কতটা প্রস্তুত, বিশেষ করে ব্যাংক খাতে…

মোস্তাফা জব্বার : ডিজিটাল অপরাধ বিশ্বজুড়ে একটি থ্রেটে পরিণত হয়েছে। কয়েক মাস আগে সাইবার হামলায় ব্রিটেনের পুরো স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছিল। বিশ্বের কোনো ব্যাংক বলতে পারবে না যে, তারা আক্রান্ত হয়নি। এই থ্রেট থাকবেই। এটা মোকাবেলাই বড় চ্যালেঞ্জ।

প্রাথমিকভাবে এই থ্রেট মোকাবেলায় ২০১৩ সালে আমরা আইসিটি অ্যাক্টে কিছু বিষয় সংযোজন করি। এই অপরাধ মোকাবেলায় আমাদের পুলিশ বাহিনীও উল্লেখযোগ্য অবদান রাখছে। বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সময় গুজব ছড়ানো হয়েছিল। অভিযুক্তদের ধরে অসাধারণ দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে তারা।

jagonews

ডিজিটাল অপরাধ বন্ধে ডিপার্টমেন্ট অব টেলিকমের একটি নিরাপত্তা বিষয়ক প্রকল্প আমরা হাতে নিয়েছি। এর মাধ্যমে আমরা সোশ্যাল মিডিয়াসহ ডিজিটাল মিডিয়া মনিটরিং করতে পারবো। এই প্রকল্প নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে কার্যকর হবে বলে আশা করছি। এটা কার্যকর হলে গ্রাহকরা নিরাপদে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবেন। তবে এ ধরনের অপরাধ মোকাবেলায় সবাইকে নিজ নিজ জায়গা থেকে সচেতন হতে হবে।

জাগো নিউজ : ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে এখনও বিতর্ক রয়েছে। এ সম্পর্কে কিছু বলুন…

মোস্তাফা জব্বার : আইসিটি অ্যাক্টের ৫৭ ধারায় দোষ প্রমাণিত হলে বিচারক ইচ্ছা করলে সাত বছর সাজা দিতে পারেন, আবার সাজা কমও দিতে পারেন। এক মাস অথবা দুই মাসও সাজা হতে পারে। এছাড়া এটি জামিন অযোগ্য। এ ধারার অপরাধ ও সাজার বিষয়ে বিতর্ক ছিল। আমাদের চ্যালেঞ্জ ছিল ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে সাজা এবং এর অপপ্রয়োগের জায়গাগুলো সঠিকভাবে সন্নিবেশ করা।

জাগো নিউজ : ৫৭ ধারায় অপপ্রয়োগের সম্ভাবনা ছিল জেনেও কেন তাড়াহুড়া করে আইসিটি অ্যাক্টে এটি সংযোজন করা হলো?

মোস্তাফা জব্বার : ২০১৩ সালের প্রেক্ষাপট আর ২০১৮ সালের প্রেক্ষাপট ও পরিস্থিতি এক নয়। ২০১৩ সালে আমাদের রাষ্ট্র বিপন্ন ছিল। রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যে ধরনের অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্র করা হয়েছিল তাতে এই রাষ্ট্রের অস্তিত্ব বিপন্ন হতে চলেছিল। তাই আইনটি করা।

জাগো নিউজ : এটা কি তাহলে খণ্ডকালীন ছিল?

মোস্তাফা জব্বার : আমার হাতেই ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের সূত্রপাত, প্রথম লাইন থেকে আমার লেখা। ভাগ্যক্রমে সংসদেও আইনটি আমি তুলবো। এই ধরনের আইন দুনিয়াতে এক্সজিস্ট থাকে না। অর্থাৎ একই আইনে নিরাপত্তার বিধান, মত প্রকাশে স্বাধীনতার পাশাপাশি সাংবিধানিক অধিকার রক্ষা...; ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে সবকিছুর মধ্যে ব্যালেন্স আনা হয়েছে।

জাগো নিউজ : এখন তো আলোচনায় ৩২ ধারা…

মোস্তাফা জব্বার : এই ধারায় গুপ্তচরবৃত্তির একটি কথা আছে। এটির ক্ষেত্রে অফিসিয়াল সিক্রেসির বিষয় জড়িত। আপনি সরকারি অফিসে যেকোনো জিনিস নিয়ে যেতে পারেন না। মন্ত্রী হয়ে যে তথ্য আমি জানি তা পাবলিককে জানাতে পারি না। সংবিধানের অধীনে আমি শপথ নিয়েছি, আমি তো আইন ভঙ্গ করতে পারি না। একইভাবে সাংবাদিকরাও ইচ্ছা করলে অফিসিয়াল সিক্রেসি আইনের ডাটা প্রকাশ করতে পারেন না। ডাটা হলো দুই ধরনের তথ্য। ক্লাসিফাইড ও নন-ক্লাসিফাইড। ক্লাসিফাইড ডাটা প্রকাশের অধিকার কারো নাই। যদি কেউ ক্লাসিফাইড ডাটা প্রকাশ করেন, সেটি তো রাষ্ট্রের নিরাপত্তার বিপক্ষে যাবে।

এআর/এএসএস/এমএআর/আরআইপি

আমি এখন সাহস দেখাতে পারি, ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের প্রতিনিধিকে বলতে পারি, আমার টাইম নাই

কলরেট সমন্বয়ের ফলে বড় অপারেটররা বরং ক্ষতির মুখোমুখি হবে

সাড়ে নয় বছরে বর্তমান সরকার যে গতিতে উন্নয়ন করেছে, অন্য যেকোনো দেশ এখন আমাদের কাছ থেকে শিক্ষা গ্রহণ করতে পারে

সাংবাদিকরাও ইচ্ছা করলে অফিসিয়াল সিক্রেসি আইনের ডাটা প্রকাশ করতে পারেন না

যদি কেউ ক্লাসিফাইড ডাটা প্রকাশ করেন, সেটি তো রাষ্ট্রের নিরাপত্তার বিপক্ষে যাবে

আপনার মতামত লিখুন :