উদ্ধার অভিযানের সঙ্গে আমার বদলির কোনো সম্পর্ক নেই

সায়েম সাবু
সায়েম সাবু সায়েম সাবু , জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১০:৫০ এএম, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

কমডোর এম মোজাম্মেল হক। বিআইডব্লিউটিএ’র সদ্য বিদায়ী চেয়ারম্যান। সম্প্রতি সদরঘাট সংলগ্ন বুড়িগঙ্গা নদীর পাড়ের অবৈধ স্থাপনার উচ্ছেদ অভিযান নিয়ে মুখোমুখি হন জাগো নিউজ’র। অভিজ্ঞতার আলোকে নদী দখল ও ব্যবস্থাপনার নানা বিষয় উল্লেখ করেন। আলোচনায় গুরুত্ব পায় নদী শাসন ও উন্নয়নের অন্যান্য প্রসঙ্গও।

সাক্ষাৎকার নিয়েছেন সায়েম সাবু।

জাগো নিউজ : দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করলেন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) চেয়ারম্যান পদে। জানতে চাইব নদী দখল প্রসঙ্গে। নদী দখল নিয়ে কোনো জরিপ আছে কি-না?

এম মোজাম্মেল হক : নদী দখল নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক জরিপ নেই। তবে দখলমুক্ত করার জন্যই অভিযান চালানো হচ্ছে। সারাদেশেই তো নদী দখল হয়ে গেছে। আমি মনে করি, নদী দখল নিয়ে জরিপ দরকার এবং পিলার স্থাপন এখন সময়ের দাবি। পিলার স্থাপনের দায়িত্ব হচ্ছে ভূমি মন্ত্রণালয়ের।

জাগো নিউজ : বিআইডব্লিউটিএ’র পক্ষ থেকে এ নিয়ে কোনো তাগিদ আছে কি-না?

এম মোজাম্মেল হক : নদী দখলমুক্ত করে পিলার স্থাপন নিয়ে উচ্চ আদালতের রায় আছে। ঢাকাকে ঘিরে থাকা চারটি নদ-নদী এবং কর্ণফুলী নদী নিয়ে ১০ বছরের মাস্টার প্ল্যান করা হয়েছে। নদী দখলমুক্ত করাও এ প্ল্যানের অন্তর্ভুক্ত। এজন্য প্রথমত দরকার, নদীর ম্যাপ তৈরি করা। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, নদীর জমি বন্দোবস্ত নিয়ে। নদীর জমি খাস দেখিয়ে বন্দোবস্ত হচ্ছে। ঢাকার অদূরে পুরাতন বুড়িগঙ্গা নামে একটি নদ আছে। তার অনেক জায়গা এখন বেদখলে। আমরা উদ্ধার অভিযান চালাতে গিয়ে অবাক করা একটা বিষয় দেখতে পেলাম।

আরও পড়ুন >> দুর্নীতিবাজ যেই হোক টুঁটি চেপে ধরবই

একেবারে নদীগর্ভে একটি হাসপাতাল করা হয়েছে। কামরাঙ্গীরচরে গেলেই দেখতে পাবেন। ভরাট হওয়া নদীর মাঝে ২০ শয্যাবিশিষ্ট একটি হাসপাতাল। এটা কীভাবে সম্ভব হলো! ঢাকা জেলা প্রশাসক এ বন্দোবস্ত বা ছাড়পত্র দিয়েছেন। পুরাতন ব্রহ্মপুত্রে হাসপাতাল! ডিসির অনুমতি ছিল।

জাগো নিউজ : তাহলে নদী দখলে তো রাষ্ট্র নিজেও দায়ী?

এম মোজাম্মেল হক : নদী তার গতিপথ পরিবর্তন করবেই। নতুন গতিপথ পেলে তা চিহ্নিত করতে হয়। পুরনো গতিপথ এবং নতুন গতিপথ- উভয়ই সরকারের অংশ।

নদীর জমি কোনোভাবেই সরকারি অন্য কোনো প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তিপর্যায়ে বরাদ্দ দেয়ার সুযোগ নেই। অথচ বরাদ্দ দেয়া হচ্ছে। ব্যক্তিপর্যায়ে বরাদ্দ পেয়ে খাজনা দিচ্ছে, দলিল করে নিচ্ছে। নদীর মধ্যে আবাসিক, কলকারখানা তৈরি হচ্ছে। মূলত এটি ভূমি অধিদফতরের দেখা উচিত। এসি ল্যান্ডের (ভূমি কমিশনার) পক্ষ থেকে তদারকি দরকার। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য যে, এটি হচ্ছে না। আর নদী দখলে এটিই সবচেয়ে দুর্বলতা। আমরা অভিযান চালাতে গিয়ে এ সমস্যাগুলো দেখেছি। কিন্তু বিআইডব্লিউটিএ তো ভূমির মালিক নয়। এটি ভূমি অধিদফতরের বিষয়।

জাগো নিউজ : তাহলে বিআইডব্লিউটিএ’র পক্ষ থেকে অভিযান...

এম মোজাম্মেল হক : সারা বাংলাদেশেই নদীবন্দর রয়েছে। নদীবন্দরগুলো রক্ষার দায়িত্ব হচ্ছে বিআইডব্লিউটিএ’র। এগুলো রক্ষা করতে বিআইডব্লিউটিএ’র কাছে কিছু জমি হস্তান্তরের কথা। সেটি ঠিক মতো হচ্ছে না। যেখানেই জরিপ হচ্ছে, সেখানেই ভায়োলেন্স তৈরি হচ্ছে।

২০০৯ সালে উচ্চ আদালতের নির্দেশে জরিপ করে ঢাকার আশপাশের নদ-নদীগুলোতে ১০ হাজার পিলার স্থাপনের কথা ছিল। অথচ শতকরা ৫০ ভাগ পিলার ঠিক জায়গায় বসানো হলো না। সঠিকভাবে পিলার বসানো হলে আজ এমন সমস্যায় পড়তে হতো না। এ কারণে আমি মনে করি, সমাধানের আগে আমাদের সমস্যার মূলে পৌঁছানো দরকার।

জাগো নিউজ : অভিযান পরিচালনা করতে গিয়ে কী ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হচ্ছে?

এম মোজাম্মেল হক : সমস্যার মূলে যাওয়াটাই বড় চ্যালেঞ্জ। ২০০৫ সালের একটি ম্যাপ আছে। যৌথ জরিপের ভিত্তিতে ম্যাপটি করা। আমরা সেই ম্যাপ অনুযায়ী যাওয়ার চেষ্টা করছি এবং উচ্ছেদ অভিযান তার আলোকেই পরিচালিত হচ্ছে।

আমরা দেখেছি, রাজধানী ঢাকাকে বাঁচাতে হলে এর আশপাশের চারটি নদ-নদীকে যেকোনো মূল্যে রক্ষা করতে হবে। নদীর সীমানা উদ্ধার করে পিলার স্থাপন, নদী রক্ষা বাঁধ, তীর ঘেঁষে হাঁটার রাস্তা এবং প্রাচীর নির্মাণ জরুরি। আমরা এখন সেটাই করছি।

জাগো নিউজ : এ প্রকল্পের আওতায় কোন কোন এলাকা পড়েছে?

এম মোজাম্মেল হক : বলতে পারেন, গোটা ঢাকা ঘিরেই। ঢাকা যে চারটি নদ-নদী দ্বারা ঘেরা, তার ১১০ কিলোমিটার প্রটেকশন ওয়াল (সুরক্ষা দেয়াল) হবে। নদীর তীর সিসি ব্লক দিয়ে বাঁধাই করা হবে। তীর ঘেঁষে আট ফুটের একটি হাঁটার রাস্তা নির্মাণ হবে। রাস্তার দুপাশে রেলিং হবে। এরপর নদীর যত দূর পর্যন্ত পিলার থাকবে সম্ভব হলে সেখানে বনায়নও করা হবে। নদী বাঁচবে, বাণিজ্যিক কার্যক্রম চলবে, পরিবেশও বাঁচবে।

আরও পড়ুন >> মন্ত্রিত্ব হারিয়ে কোনো দুঃখ-ব্যথা নেই

আমরা ইতোমধ্যে ৫০ কিলোমিটারের প্রকল্প হাতে নিয়েছি। বাকিটাও পর্যায়ক্রমে শুরু হবে। তবে আমি মনে করি, নদী রক্ষার এ প্রকল্প শুধু ঢাকাকেন্দ্রিক হলে চলবে না। গোটা বাংলাদেশ এমন প্রকল্পের অধীনে আনতে হবে। বিআইডব্লিউটিএ’র কাজ মূলত উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা নয়। আমাদের অন্য কাজ আছে। উচ্ছেদ করবে জেলা প্রশাসন। মূলত জমির মালিক তারাই। কিন্তু তারা মাঠে নেই। জেলা প্রশাসন মাঠে থেকে তদারকি করলে নদীর জমি দখল হওয়ার কথা ছিল না।

জাগো নিউজ : উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করতে গিয়ে নদীর যে সংকট দেখলেন, তা কতটুকু ভাবায় আপনাকে?

এম মোজাম্মেল হক : মানুষের দেহে শিরা-উপশিরা আছে। কোনো একটি শিরায় যদি রক্ত চলাচল ব্লক হয়ে যায়, তাহলে শরীর অসুস্থ হয়ে পড়ে। তেমনি নদীও হচ্ছে একটি অঞ্চলের শিরা, উপশিরা। বাংলাদেশে সাতশ নদী আছে। নদীগুলোই বাংলাদেশের প্রাণ। নদী বাঁচলেই বাংলাদেশ বাঁচবে। এখানকার কৃষি, মৎস্য, জীবিকা- সবকিছুই নদী দ্বারা প্রভাবিত হওয়ার কথা। ৮০ শতাংশ পরিবহন হওয়ার কথা ছিল নদীপথে। অথচ নদী থেকে পরিকল্পিতভাবে মুখ ফিরিয়ে নেয়া হলো। একদিনে করা হয়নি এমনটি। দীর্ঘদিন ধরে চিন্তার অবক্ষয় থেকে এটি হয়েছে।

জাগো নিউজ : এখন কী বলবেন?

এম মোজাম্মেল হক : সরকার নদী বাঁচাতে বদ্ধপরিকর। পদক্ষেপ দেখতেও পাচ্ছেন। তবে আমি মনে করি, বিশেষ একটি পক্ষ উদ্যোগ নিলেই দায় শেষ হয়ে যাবে না। বাঁচা-মরার প্রশ্ন। সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়কে এখানে এগিয়ে আসতে হবে। দায় সবার। কৃষি মন্ত্রণালয়, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়, ভূমি মন্ত্রণালয় এখানে প্রত্যক্ষ ভূমিকা রাখতে পারে। ঢাকায় সবচেয়ে দায় রাজউকের বলে মনে করি। কারণ, রাজউক নদীর পাড়ে বাড়ি নির্মাণের অনুমোদন দিচ্ছে। নদী এমন একটি বড় বিষয়, যেখানে সবার অংশগ্রহণ জরুরি। অথচ সবাই মাঠে নেই। আন্তরিকতা না থাকলে কোনোভাবেই নদী বাঁচানো সম্ভব হবে না।

জাগো নিউজ : গণমাধ্যমে এসেছে, বুড়িগঙ্গায় অভিযান চালানোর নয়দিনের মাথায় আপনাকে বদলি করা হলো। এ প্রসঙ্গে কী বলবেন?

আরও পড়ুন >> বদলি হলেন বিআইডব্লিউটিএ চেয়ারম্যান

এম মোজাম্মেল হক : এ তথ্য সঠিক নয়। উদ্ধার অভিযানের সঙ্গে আমার বদলির কোনো সম্পর্ক নেই। আমি নৌবাহিনীর একজন কর্মকর্তা। আমাকে তিন বছরের জন্য প্রেষণে পাঠিয়ে বিআইডব্লিউটিএ’র চেয়ারম্যানের দায়িত্বে দেয়া হয়েছিল। তিন বছর পর আমার নৌবাহিনীতে ফিরে যাওয়ার কথা। একজন যাবেন, আরেকজন আসবেন। এটিই বিধান। যিনি আমার জায়গায় আসছেন, তিনিও দক্ষ, চৌকস। বদলি নিয়ে অন্যভাবে দেখার কোনো কারণ আছে বলে আমি মনে করি না।

জাগো নিউজ : যদি জানতে চাই, আপনার দায়িত্বের শেষ বেলায় বুড়িগঙ্গায় এমন অভিযান কেন?

এম মোজাম্মেল হক : আমি দায়িত্ব নেয়ার পর তিন হাজার স্থাপনা উচ্ছেদ হয়েছে। আমি এসে ঢাকাতেই ৩০০ একর জমি উদ্ধার করেছি। দুটি বাঁধ নির্মাণ করে ২০ কিলোমিটার হাঁটার রাস্তা তৈরি করেছি। এসব অভিযান এবং প্রকল্প চলমান প্রক্রিয়া। শেষ বেলায় অভিযান চালিয়েছি, তা নয়। সারা বাংলাদেশেই অভিযান চলছে। এটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার অংশ। হয়তো আগেরগুলো মিডিয়াতে আলোচনা সৃষ্টি করতে পারেনি। বুড়িগঙ্গার অভিযান ঢাকায় এবং অপেক্ষাকৃত দৃশ্যমান বলে মিডিয়ায় আলোচনা হচ্ছে।

জাগো নিউজ : বুড়িগঙ্গার অভিযান নিয়ে বিশেষ কোনো...

এম মোজাম্মেল হক : যেকোনো অভিযান টেকসই করতে প্রকল্প হাতে নিতে হয়। প্রকল্প যখন অনুমোদন পায়, তখনই কাজগুলো শুরু হয়। বুড়িগঙ্গার তীরে ৫০ কিলোমিটার পায়ে হাঁটার প্রকল্প চলছে। এরই অংশ হিসেবে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। আরও বড় প্রকল্প আসছে সামনে। অভিযান চলবেই। ঢাকার চারটি নদ-নদীর তীরে ১১০ কিলোমিটার দেয়াল করা হবে।

জাগো নিউজ : বুড়িগঙ্গায় উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করতে গিয়ে বিশেষ কোনো চাপ অনুভব করেছিলেন কি-না?

এম মোজাম্মেল হক : যেকোনো অভিযানেই প্রতিবন্ধকতা আসে। টেলিফোন আসে। প্রভাবশালী মহলের হস্তক্ষেপ থাকে। আইনি জটিলতাও থাকে। এক্ষেত্রেও হয়েছে। কিন্তু সচিব, মন্ত্রী এমনকি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শেই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। আমরা যেখানে অপারগ, সেখানে ওপর মহলের হস্তক্ষেপ প্রত্যাশা করি। সময় থাকলে কোনো চাপই আর শেষ পর্যন্ত ধোপে টেকে না।

জাগো নিউজ : উচ্ছেদ বা কোনো উদ্যোগ নিয়ে অতৃপ্তি আছে কি-না?

এম মোজাম্মেল হক : সরকার নদী নিয়ে মাস্টার প্ল্যান করেছে। ২০২১ ও ২০৪১ সালের যে ভিশন সেখানে নদী রক্ষা অগ্রাধিকার পেয়েছে। এ ভিশনে বিআইডব্লিউটিএ’র নেয়া উদ্যোগ স্ট্যাডি করলেই বোঝা যাবে আমাদের ভাবনা কী। আমি চেয়েছি, বাংলাদেশের নদীবন্দরগুলো বিশ্বমানের হোক। এ নিয়ে উদ্যোগও নেয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে আটটি নদীবন্দরে কাজ শুরু হয়ে গেছে। বাকিগুলো নিয়েও প্ল্যান হচ্ছে। আমি মনে করি, আগামী ১০ বছরের মধ্যে বাংলাদেশের সবগুলো নদীবন্দর আধুনিকমানের হবে। আমার কাজ নিয়ে তৃপ্ত। হয়তো আগামী দু’বছরের মধ্যে বন্দরগুলোর পরিবর্তন লক্ষ্য করতে পারব।

আরও পড়ুন >> ট্যাঙ্কের ওপর নাচানাচির ঘটনাই ঘটেনি

জাগো নিউজ : আপনি নদীবন্দরের উন্নয়নের কথা বলছেন। কিন্তু নদীই তো মারা যাচ্ছে…

এম মোজাম্মেল হক : নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে খনন কাজ চলছে। এ মুহূর্তে ৪০টি জায়গায় ড্রেজিং হচ্ছে। আরও বড় বড় প্রকল্প হাতে নেয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে চার হাজার ৩০০ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে। এটি হচ্ছে পুরাতন ব্রহ্মপুত্রের খনন কাজ। খুব দ্রুততম সময়ের মধ্যে এ কাজ শুরু হবে।

জাগো নিউজ : ড্রেজিংয়ের সক্ষমতা নিয়ে কী বলবেন?

এম মোজাম্মেল হক : ২০০৯ সালে আমাদের ড্রেজার ছিল মাত্র সাতটি। এ মুহূর্তে আছে ২৫টি। ২০১৯ সালের মধ্যে আমাদের ড্রেজার মেশিন হবে ৪৫টি। নির্বাচনের আগে আরও ৩৫টি ড্রেজারের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। ২০২১ সালের মধ্যে ৮৫টির মতো ড্রেজার হবে বলে ধারণা করছি। এর সঙ্গে আরও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা থাকবে। এক্ষেত্রে প্রায় সাড়ে ছয় হাজার কোটি টাকার প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে। এজন্য চারটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রও তৈরি হচ্ছে। এরপর বিশাল আকৃতির দুটি উদ্ধারকারী জাহাজও ক্রয় হচ্ছে। এ প্রকল্পগুলো শেষ করতে পারলে নদীপথ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে বলে মনে করি।

এএসএস/এমআরএম/এমএআর/আরআইপি

ভরাট হওয়া নদীর মাঝে ২০ শয্যার হাসপাতাল। এটা কীভাবে সম্ভব! ঢাকা জেলা প্রশাসকই এ বন্দোবস্ত দিয়েছেন

উচ্ছেদ করবে জেলা প্রশাসন। মূলত জমির মালিক তারাই। কিন্তু তারা মাঠে নেই

৮০ শতাংশ পরিবহন হওয়ার কথা নদীপথে। অথচ নদী থেকে পরিকল্পিতভাবে মুখ ফিরিয়ে নেয়া হলো

বাঁচা-মরার প্রশ্ন। সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়কে এখানে এগিয়ে আসতে হবে

আগামী ১০ বছরের মধ্যে বাংলাদেশের সবগুলো নদীবন্দর আধুনিকমানের হবে

আপনার মতামত লিখুন :