আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচার কার্যক্রম পুরোদমে চলার আশা

মুহাম্মদ ফজলুল হক
মুহাম্মদ ফজলুল হক মুহাম্মদ ফজলুল হক , নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৭:৪২ পিএম, ১৪ জুন ২০২১ | আপডেট: ০৮:২৯ পিএম, ১৪ জুন ২০২১

বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) কারণে দেশজুড়ে চলছে সরকার ঘোষিত বিধিনিষেধ। সরকারি আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে করোনার সংক্রমণ রোধে ভার্চুয়ালি সুপ্রিম কোর্টের আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারিক কাজ চলছে। একইভাবে চলছে নিম্ন আদালতের বিচারকাজ। একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের জন্য গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারকাজও চলছে একেবারে সীমিত আকারে।

গত বছর ট্রাইব্যুনালে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা ২২ সদস্যের ক্রমান্বয়ে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এরপর পুরো ট্রাইব্যুনাল লকডাউন ঘোষণা করা হয়। চলতি বছরের মে মাস পর্যন্ত ছয়জন প্রসিকিউটর করোনায় আক্রান্ত হন। যদিও বর্তমানে প্রসিকিউটর জেয়াদ আল মালুম ছাড়া অন্যরা এখন সুস্থ। গত বছরের মতো এবার লকডাউন ঘোষণা করা না হলেও ট্রাইব্যুনাল থাকছে বিধিনিষিধের আওতায়।

এ পরিস্থিতিতে দেশে করোনার প্রাদুর্ভাব কমলে বা সরকার বিধিনিষেধ তুলে নিলে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালেও বিচারকাজ পুরোদমে শুরু হবে বলে আশা ট্রাইব্যুনাল সংশ্লিষ্ট আইনজীবী ও কর্মকর্তাদের।

jagonews24

২০২০ সালে মহামারি শুরু হলে এবং একজন বিচারক অসুস্থ থাকার কারণে ট্রাইব্যুনালের বিচার কার্যক্রমে ব্যাপক প্রভাব পড়েছিল। সে বছর কোনো মামলার রায় ঘোষণা করা হয়নি।

তখন যেসব মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ, অভিযোগ গঠন ও আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেয়ার পর্যায়ে ছিল, সেগুলোতে পরবর্তী দিন ধার্য করা ছাড়া কোনো বিচারিক আদেশ দেয়া হয়নি। দীর্ঘ বিরতির পর ২০২০ সালের মাঝামাঝি করোনা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলে ৩১ মে থেকে সীমিত পরিসরে ট্রাইব্যুনালের বিভিন্ন মামলার শুনানি চলবে বলে জানানো হয়। সেই সীমিত আকারেই চলছিল কার্যক্রম। এ বছরের শুরুর দিকেও সীমিত পরিসরে ট্রাইব্যুনালে বিচারকাজ চলছিল।

গত ১১ ফেব্রুয়ারি একটি মামলার রায় ঘোষণা করেন ট্রাইব্যুনাল। মুক্তিযুদ্ধের সময় সংঘটিত হত্যা, লুণ্ঠন, অগ্নিসংযোগ, অপহরণ, আটক, নির্যাতনসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের ওই মামলায় ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ের ৯ আসামির মধ্যে তিনজনের আমৃত্যু কারাদণ্ড, পাঁচজনের ২০ বছর করে কারাদণ্ড ও আব্দুল লতিফ নামে একজনকে খালাস দেন ট্রাইব্যুনাল।

এরপর ১৮ ফেব্রুয়ারি মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার আসামি ঠাকুরগাঁওয়ের আবেদ হোসেনকে চিকিৎসার শর্তে জামিন দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। আসামির জামিন আবেদনের শুনানি নিয়ে ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এ আদেশ দেন।

এর মধ্যে মার্চের শেষ দিকে দেশে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ হানা দেয়। থমকে যায় ট্রাইব্যুনালের বিচার কার্যক্রম। সেই অবস্থা এখনো স্থবির করে রেখেছে ট্রাইব্যুনালকে।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ উদ্বেগজনক হারে বাড়তে থাকায় গত ৫ এপ্রিল সকাল ৬টা থেকে দেশে লকডাউন শুরু হয়। সেই শিথিল লকডাউন ছিল অনেকটাই অকার্যকর। পরে গত ১৪ এপ্রিল ভোর ৬টা থেকে আট দিনের কঠোর লকডাউন শুরু হয়। পরে আরও কয়েক দফা লকডাউনের মেয়াদ বাড়ানো হয়। সর্বশেষ গত ৬ জুন মধ্যরাত থেকে ১৬ জুন মধ্যরাত পর্যন্ত বিধিনিষেধের মেয়াদ বাড়িয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা করা হয়। অবশ্য, জাতীয়ভাবে ঘোষিত বিধিনিষেধে কিছুটা শিথিলতা থাকলেও সীমান্তবর্তী বিভিন্ন এলাকার লকডাউনে কড়াকড়ি রাখছে স্থানীয় প্রশাসন।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর ব্যারিস্টার তাপস কান্তি বল জাগো নিউজকে বলেন, ‘গত বছরের মতো এবার নিরাপত্তাকর্মীরা করোনায় আক্রান্ত না হলেও আমাদের প্রসিকিউশনের কয়েকজন সদস্য করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। যদিও তারা এখন সুস্থ। ট্রাইব্যুনালের বিচারকাজ আগের মতোই চলছে।’

জানা যায়, চলতি বছর ট্রাইব্যুনালের অন্যতম প্রসিকিউটর সৈয়দ হায়দার আলী করোনা আক্রান্ত হন। চিকিৎসা শেষে তিনি এখন বাসায়। ২০২০ সালে প্রসিকিউটর সুলতান মাহমুদ সিমন সস্ত্রীক করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর তার স্ত্রী মারা গেছেন। ওই বছরের জুনে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট রানা দাশগুপ্ত ও তার স্ত্রী। চিকিৎসা শেষে সুস্থ আছেন তারা। প্রসিকিউটর ঋষিকেশ সাহা, সাঈদুর রহমান, আবুল কালাম ও মো. মোশফেকুর রহমান করোনা আক্রান্ত হওয়ার পর সুস্থ হয়েছেন।

jagonews24

বর্তমানে লাইফ সাপোর্টে রয়েছেন প্রসিকিউটর ও বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট জেয়াদ আল মালুম (৬৭)। তিনি সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন।

ট্রাইব্যুনালে ৩৬ মামলা
জানা গেছে, এখনো আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ৩৬টির বেশি মামলার বিচারিক কাজ চলমান। ট্রাইব্যুনাল গঠনের পর বিচার চললেও ২০১৩ সাল থেকে রায় ঘোষণার কার্যক্রম শুরু হয়। এরপর থেকে পর্যায়ক্রমে মোট ৪২টি মামলার রায় আসে। বর্তমানে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আরও ৩৬টি মামলা অভিযোগ আমলে নেয়া, অভিযোগ গঠন (ফরমাল চার্জ), সাক্ষ্যগ্রহণের মতো অবস্থায় বিচারাধীন। ইতোমধ্যে ৭৮টি মামলার তদন্ত শেষ হয়েছে। আরও দু-তিনটি মামলায় তদন্ত শেষে প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়েছে।

আপিল বিভাগে প্রক্রিয়াধীন আবেদন
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল থেকে রায় ঘোষণার পরে ওইসব রায়ের বিরুদ্ধে করা আবেদনগুলোর মধ্যে এখন পর্যন্ত ৯টির চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হয়েছে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে। আরও দুটি মামলা সর্বোচ্চ আদালতে চূড়ান্ত নিষ্পত্তির অপেক্ষায়।

লকডাউনের কারণে মৃত্যুদণ্ডের রায়ের বিরুদ্ধে জামায়াত নেতা এটিএম আজহারুল ইসলাম ও জাতীয় পার্টির সাবেক প্রতিমন্ত্রী সৈয়দ মোহাম্মদ কায়সারের পক্ষে করা রিভিউ (রায় পুনর্বিবেচনা) আবেদন বিচারাধীন। এই দুজনের মৃত্যুদণ্ডের রায়ের রিভিউ আবেদন শুনানি পেন্ডিং রয়েছে। এছাড়া আপিল রয়েছে ২০টিরও বেশি।

প্রসিকিউটররা জানান, করোনার প্রভাব কমার পরে দেশের আদালতের কার্যক্রম সীমিত আকারে শুরু হলেও গত ৮ আগস্ট থেকে ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রমও শুরু হয়। তখন থেকে জামিন শুনানিসহ মামলাগুলোর সাক্ষ্যগ্রহণ, যুক্তিতর্কসহ অন্যান্য আইনি বিষয়ের জন্য নতুন করে শুনানির তারিখ নির্ধারণ হচ্ছিল। এখন সেই কার্যক্রমও বিঘ্নিত হচ্ছে।

এ বিষয়ে প্রসিকিউটর রানা দাশগুপ্ত জাগো নিউজকে বলেন, ‘করোনার প্রভাবে সরকার ঘোষিত লকডাউনের কারণে ট্রাইব্যুনালের মামলাগুলোর সাক্ষ্যগ্রহণ, যুক্তিতর্কসহ অন্যান্য আইনি বিষয়ের জন্য নতুন করে শুনানির তারিখ নির্ধারণ করা হচ্ছে আদালত থেকে। আশা করি শিগগিরই স্বাস্থ্যবিধি মেনে তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্য, জব্দ তালিকা শনাক্তকরণ, ব্যক্তির সাক্ষ্য, আসামিদের গ্রেফতারি পরোয়ানা সংক্রান্ত আবেদন ও আদেশ এবং জামিন শুনানি, এসব বিষয় পুরোপুরি চালানো সম্ভব হবে।’

এ বিষয়ে প্রসিকিউটর মো. মোখলেসুর রহমান জাগো নিউজকে বলেন, ‘করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের কারণে সরকার ঘোষিত লকডাউনে ট্রাইব্যুনালের মামলাগুলোর শুনানি না করে শুধু তারিখ নির্ধারণ করা হচ্ছে। আশা করি লকডাউন উঠে গেলে কোর্ট খুলতে পারে। আগে জীবন, পরে কাজ। জীবন বাঁচলে কাজ করা যাবে।’

jagonews24

ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার প্রধান সমন্বয়ক এম. সানাউল হক এ বিষয়ে জাগো নিউজকে বলেন, ‘লকডাউনের কারণে ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম তেমন চলছে না। শুধু মামলার তারিখ নির্ধারণ ও গ্রেফতারি পরোয়ানা সংক্রান্ত আবেদন ও আদেশ এসব চলছে। আশা করি শিগগিরই ট্রাইব্যুনালের শুনানি পুরোপুরি চালানো সম্ভব হবে। এছাড়া আমরা আরও দু-তিনটি মামলার তদন্ত চূড়ান্ত করেছি। সেগুলোর প্রতিবেদন প্রকাশ করা সম্ভব হবে।’

প্রসিকিউটর ব্যারিস্টার তাপস কান্তি বল জাগো নিউজকে বলেন, ‘করোনার প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়ায় সরকার ঘোষিত লকডাউনে ট্রাইব্যুনালের মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ সম্ভব না হলেও শুধু তারিখ নির্ধারণ করা হচ্ছে। আমাদের সাক্ষী ও অন্যান্য সবাই সুস্থ আছেন। তাদের খোঁজ রাখা হচ্ছে।’

এ বিষয়ে অন্য দুই প্রসিকিউটর সাবিনা ইয়াসমিন খান মুন্নি ও রেজিয়া সুলতানা চমন জাগো নিউজকে বলেন, ‘কোর্ট আগের মতো চলছে না। আশা করি লকডাউন তুলে নিলে আদালত আবারও আগের মতো স্বাস্থ্যবিধি মেনে চালু হবে।’

কর্মকর্তা-কর্মচারীর অসুস্থতাসহ সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে ট্রাইব্যুনালের আইটি এক্সপার্ট খন্দকার মেহেদী মাসুদ জাগো নিউজকে বলেন, ‘বর্তমানে প্রসিকিউটর জেয়াদ আল মালুমের শারীরিক অবস্থা খুবই খারাপ। এছাড়া আমাদের কেউ অসুস্থ বোধ করলে তাদের কোর্টে আসতে বারণ করা হয়। স্বাস্থ্যবিধি পালন করে ট্রাইব্যুনালের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অফিস করেন।’

এফএইচ/এমএইচআর/এইচএ/এএসএম

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

১৯,৫৫,৮৫,৮০৫
আক্রান্ত

৪১,৮৭,৫৫৯
মৃত

১৭,৭৩,৭৮,৬৩৯
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ১১,৯৪,৭৫২ ১৯,৭৭৯ ১০,২২,৪১৪
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৩,৫৩,১১,৬৫১ ৬,২৭,০৪০ ২,৯৫,৪৮,৪৬৮
ভারত ৩,১৪,৪০,৯৫১ ৪,২১,৪১৪ ৩,০৬,২১,৪৬৯
ব্রাজিল ১,৯৭,০৭,৬৬২ ৫,৫০,৫৮৬ ১,৮৩,৯৮,৫৬৭
রাশিয়া ৬১,৭২,৮১২ ১,৫৫,৩৮০ ৫৫,২৬,৯৫০
ফ্রান্স ৫৯,৯৯,২৪৪ ১,১১,৬৬৭ ৫৬,৮২,৯৯৮
যুক্তরাজ্য ৫৭,২২,৮৬২ ১,২৯,১৭২ ৪৪,৫৯,২৩১
তুরস্ক ৫৬,১৮,৪১৭ ৫০,৯৯৭ ৫৪,২৬,৭৩৩
আর্জেন্টিনা ৪৮,৫৯,১৭০ ১,০৪,১০৫ ৪৫,০৮,১৩৭
১০ কলম্বিয়া ৪৭,৩৬,৩৪৯ ১,১৯,১৮২ ৪৫,০৫,১১২
১১ স্পেন ৪৩,৪২,০৫৪ ৮১,২৬৮ ৩৬,৯৬,২৭১
১২ ইতালি ৪৩,২০,৫৩০ ১,২৭,৯৭১ ৪১,২৪,৩২৩
১৩ জার্মানি ৩৭,৬৪,৪১৯ ৯২,০৫০ ৩৬,৪৭,৭০০
১৪ ইরান ৩৭,৫৮,১৯৭ ৮৯,৪৭৯ ৩২,৯১,৯৭৯
১৫ ইন্দোনেশিয়া ৩২,৩৯,৯৩৬ ৮৬,৮৩৫ ২৫,৯৬,৮২০
১৬ পোল্যান্ড ২৮,৮২,৩২৭ ৭৫,২৪৯ ২৬,৫৩,৪০৭
১৭ মেক্সিকো ২৭,৫৪,৪৩৮ ২,৩৮,৫৯৫ ২১,৬০,১৩০
১৮ দক্ষিণ আফ্রিকা ২৩,৮৩,৪৯০ ৭০,০১৮ ২১,৬৯,৪৫২
১৯ ইউক্রেন ২২,৪৯,৩৪৪ ৫২,৮৭৬ ২১,৮৪,৮৮০
২০ পেরু ২১,০৫,০০৫ ১,৯৫,৯৭৩ ১৭,২০,৬৬৫
২১ নেদারল্যান্ডস ১৮,৫১,৩২৯ ১৭,৮০৪ ১৬,৬৫,৪৭০
২২ চেক প্রজাতন্ত্র ১৬,৭২,৭৬৪ ৩০,৩৬২ ১৬,৩৯,৪২৯
২৩ চিলি ১৬,১০,৩৪৫ ৩৫,১১৯ ১৫,৬৪,৭৭৭
২৪ ইরাক ১৫,৭৭,০১৩ ১৮,৪১৮ ১৪,২৯,৫৪২
২৫ ফিলিপাইন ১৫,৬২,৪২০ ২৭,৩১৮ ১৪,৭৮,৬২৫
২৬ কানাডা ১৪,২৭,৩৭০ ২৬,৫৫৩ ১৩,৯৫,৭৫৬
২৭ বেলজিয়াম ১১,১৭,৬৯৭ ২৫,২২৮ ১০,৫৫,৮৪৪
২৮ সুইডেন ১০,৯৮,১৫৪ ১৪,৬১৭ ১০,৭৪,৭৮০
২৯ রোমানিয়া ১০,৮২,৫৫১ ৩৪,২৭৩ ১০,৪৭,৩৮৮
৩০ মালয়েশিয়া ১০,৪৪,০৭১ ৮,৪০৮ ৮,৬৫,৪৩৯
৩১ পাকিস্তান ১০,১১,৭০৮ ২৩,০৮৭ ৯,২৮,৭২২
৩২ পর্তুগাল ৯,৫৬,৯৮৫ ১৭,৩০৭ ৮,৮৮,৪২৩
৩৩ জাপান ৮,৭৫,৫০৬ ১৫,১৩৭ ৮,২০,১৩৮
৩৪ ইসরায়েল ৮,৬৩,৬৮০ ৬,৪৬১ ৮,৪৪,০৭২
৩৫ হাঙ্গেরি ৮,০৯,২৮৮ ৩০,০২১ ৭,৪৬,২১৯
৩৬ জর্ডান ৭,৬৬,১১৪ ৯,৯৭১ ৭,৪৭,৭১৯
৩৭ সার্বিয়া ৭,২০,৬৪৩ ৭,১০৮ ৭,১০,১৮৮
৩৮ সুইজারল্যান্ড ৭,১৫,২৬৭ ১০,৯০৩ ৬,৯১,৬০৫
৩৯ নেপাল ৬,৮৫,৬৭৩ ৯,৭৫৮ ৬,৪৭,০৭৯
৪০ সংযুক্ত আরব আমিরাত ৬,৭৪,৭২৪ ১,৯২৯ ৬,৫২,১৮০
৪১ অস্ট্রিয়া ৬,৫৬,৯৪৯ ১০,৭৩৭ ৬,৪১,৫৪১
৪২ মরক্কো ৫,৮১,৪৭৭ ৯,৬১১ ৫,৪৬,৪২৬
৪৩ তিউনিশিয়া ৫,৭৩,৩৯৪ ১৮,৮০৪ ৪,৭১,১৯৬
৪৪ লেবানন ৫,৫৫,৬৪৩ ৭,৮৯৪ ৫,৩৬,৩৯৭
৪৫ কাজাখস্তান ৫,৪২,৭০৩ ৫,৫৩৮ ৪,৫২,০০২
৪৬ থাইল্যান্ড ৫,২৬,৮২৮ ৪,২৬৪ ৩,৫০,৬৪৩
৪৭ সৌদি আরব ৫,২০,৭৭৪ ৮,১৮৯ ৫,০১,৪৪৯
৪৮ ইকুয়েডর ৪,৮০,৭২০ ৩০,৭৯৭ ৪,৪৩,৮৮০
৪৯ গ্রীস ৪,৭৭,৯৭৫ ১২,৮৭৯ ৪,৩৪,৮৪৪
৫০ বলিভিয়া ৪,৬৯,১৮২ ১৭,৬৭২ ৪,০২,০৩১
৫১ প্যারাগুয়ে ৪,৪৯,৯০২ ১৪,৭০১ ৪,১৪,১২৫
৫২ বেলারুশ ৪,৪১,৮৮১ ৩,৪১৩ ৪,৩৫,৮৪২
৫৩ পানামা ৪,৩০,৪৪৪ ৬,৭৬৮ ৪,১০,৬৭৮
৫৪ বুলগেরিয়া ৪,২৩,৮৭৯ ১৮,১৯৯ ৩,৯৮,২২৪
৫৫ জর্জিয়া ৪,০৭,৬৮৯ ৫,৭৩১ ৩,৭৬,০৮৮
৫৬ কোস্টারিকা ৩,৯৮,৬০৮ ৪,৯৪১ ৩,২২,৪২৩
৫৭ কুয়েত ৩,৯৩,৬০৫ ২,২৯৩ ৩,৭৭,৪৩৪
৫৮ স্লোভাকিয়া ৩,৯২,৪০৬ ১২,৫৩৪ ৩,৭৯,৪১৯
৫৯ উরুগুয়ে ৩,৮০,৫৮৪ ৫,৯৩৬ ৩,৭২,১৮১
৬০ ক্রোয়েশিয়া ৩,৬২,৮৪১ ৮,২৪৭ ৩,৫৩,৬২৩
৬১ গুয়াতেমালা ৩,৫২,৫৮৪ ১০,১১২ ৩,০৮,৯০৮
৬২ আজারবাইজান ৩,৪১,১৮৩ ৫,০১১ ৩,৩২,২৫৯
৬৩ কিউবা ৩,৪১,১৫২ ২,৪১৭ ২,৯৬,৩৪১
৬৪ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ৩,৪০,২৩০ ৩,৯৩৭ ৩,০৫,০২৫
৬৫ ফিলিস্তিন ৩,১৬,১৮৯ ৩,৬০০ ৩,১১,৫৬০
৬৬ ডেনমার্ক ৩,১২,৮৫১ ২,৫৪৬ ২,৯৮,৯৫৩
৬৭ ভেনেজুয়েলা ৩,০০,৯১৯ ৩,৫০৯ ২,৮৪,৪৩৫
৬৮ শ্রীলংকা ২,৯৮,১৮১ ৪,১৪৭ ২,৬৯,০০৭
৬৯ ওমান ২,৯৫,০১৭ ৩,৭৮৮ ২,৭৭,০১০
৭০ আয়ারল্যান্ড ২,৯৪,২৭২ ৫,০২৬ ২,৬৫,৮৯৪
৭১ হন্ডুরাস ২,৯০,৪৪৭ ৭,৬৫০ ৯৭,৭১১
৭২ মিসর ২,৮৪,০৫৯ ১৬,৪৯৪ ২,২৭,৯৭০
৭৩ লিথুনিয়া ২,৮১,২৮৪ ৪,৪১১ ২,৬৮,৭৬৯
৭৪ ইথিওপিয়া ২,৭৮,৭১৭ ৪,৩৭১ ২,৬২,৯২৫
৭৫ মায়ানমার ২,৭৪,১৫৫ ৭,৫০৭ ১,৮৯,৭২৯
৭৬ বাহরাইন ২,৬৮,৬২৬ ১,৩৮৩ ২,৬৬,৪১৭
৭৭ স্লোভেনিয়া ২,৫৮,৭৮০ ৪,৪২৮ ২,৫৩,৪৮০
৭৮ মলদোভা ২,৫৮,৭১৩ ৬,২৪৫ ২,৫১,৫৫৩
৭৯ লিবিয়া ২,৪০,৩০৯ ৩,৪২২ ১,৮৭,৯৬০
৮০ আর্মেনিয়া ২,২৯,০৯০ ৪,৫৯৭ ২,১৯,২৮০
৮১ কাতার ২,২৫,৫২২ ৬০০ ২,২৩,২১০
৮২ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ২,০৫,৫২৩ ৯,৬৮৬ ১,৮৯,০৬৩
৮৩ কেনিয়া ১,৯৭,৯৫৯ ৩,৮৭২ ১,৮৬,৫৯৪
৮৪ জাম্বিয়া ১,৯২,৯৫৬ ৩,৩১৬ ১,৮৩,৫৩৪
৮৫ দক্ষিণ কোরিয়া ১,৯১,৫৩১ ২,০৭৯ ১,৬৮,৬২৯
৮৬ নাইজেরিয়া ১,৭১,৩২৪ ২,১৩৪ ১,৬৪,৭৯৮
৮৭ আলজেরিয়া ১,৬৩,৬৬০ ৪,০৮৭ ১,১১,৩২২
৮৮ মঙ্গোলিয়া ১,৫৯,১০১ ৭৮৯ ১,৫৬,৪০৫
৮৯ কিরগিজস্তান ১,৫৯,০৮৯ ২,২৭৫ ১,৩৮,৩১৬
৯০ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ১,৫৬,১২৪ ৫,৪৯১ ১,৫০,৩০৭
৯১ আফগানিস্তান ১,৪৫,৫৫২ ৬,৫৭৭ ৯৪,৮১৪
৯২ লাটভিয়া ১,৩৮,৫৭২ ২,৫৫২ ১,৩৫,৪৩১
৯৩ নরওয়ে ১,৩৬,০৯৭ ৭৯৯ ৮৮,৯৫২
৯৪ আলবেনিয়া ১,৩২,৮৯১ ২,৪৫৬ ১,৩০,১৫২
৯৫ এস্তোনিয়া ১,৩২,৭১৭ ১,২৭১ ১,২৮,৫৪১
৯৬ উজবেকিস্তান ১,২৫,৭৮৪ ৮৪৫ ১,২০,৩২০
৯৭ নামিবিয়া ১,১৭,২৯৩ ২,৮৭১ ৯৩,৫০৮
৯৮ মোজাম্বিক ১,১১,৭২৩ ১,৩০৭ ৮৪,৯৯৩
৯৯ ভিয়েতনাম ১,০৯,১১১ ৫২৪ ২১,৩৪৪
১০০ ফিনল্যাণ্ড ১,০৩,৮৫১ ৯৭৮ ৪৬,০০০
১০১ বতসোয়ানা ১,০২,১২৪ ১,৪৮৫ ৮৭,৫১৭
১০২ ঘানা ১,০২,১০৩ ৮২৩ ৯৬,৭৫৯
১০৩ মন্টিনিগ্রো ১,০১,২০৭ ১,৬২৭ ৯৮,৮৩৮
১০৪ জিম্বাবুয়ে ৯৯,৯৪৪ ৩,১৭৩ ৬৭,৮২৭
১০৫ সাইপ্রাস ৯৮,৫৬৯ ৪০৪ ৭৮,৪০৮
১০৬ উগান্ডা ৯২,৭৯৫ ২,৫৯০ ৭৮,৪১৫
১০৭ চীন ৯২,৬৭৬ ৪,৬৩৬ ৮৭,২৪৫
১০৮ এল সালভাদর ৮৫,৭৭৯ ২,৫৭৭ ৭৫,৯৫৭
১০৯ ক্যামেরুন ৮২,০৬৪ ১,৩৩৪ ৮০,৪৩৩
১১০ মালদ্বীপ ৭৬,৮৪৮ ২১৯ ৭৪,০২০
১১১ কম্বোডিয়া ৭৪,৩৮৬ ১,৩২৪ ৬৬,৭২৫
১১২ লুক্সেমবার্গ ৭৩,৫৫১ ৮২২ ৭১,৪৯০
১১৩ রুয়ান্ডা ৬৬,০১৮ ৭৫৭ ৪৪,৭৫৪
১১৪ সিঙ্গাপুর ৬৪,৪৫৩ ৩৭ ৬২,৬১৭
১১৫ সেনেগাল ৫৮,৫২৩ ১,৩০০ ৪৫,৭৬৮
১১৬ জ্যামাইকা ৫২,০৮৯ ১,১৭৮ ৪৬,৮৬৮
১১৭ আইভরি কোস্ট ৪৯,৬৪৭ ৩২৪ ৪৮,৯০১
১১৮ মালাউই ৪৯,০০৯ ১,৫১৩ ৩৬,৬৭২
১১৯ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ৪৮,৫০৩ ১,০২৩ ২৯,৪৯৭
১২০ মাদাগাস্কার ৪২,৬০৭ ৯৪১ ৪১,০৬৬
১২১ অ্যাঙ্গোলা ৪১,৮৭৯ ৯৯১ ৩৫,৬৮৬
১২২ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ৩৭,৬৬৩ ১,০৪৩ ৩০,৭২৬
১২৩ সুদান ৩৭,১৩৮ ২,৭৭৬ ৩০,৮৬৭
১২৪ রিইউনিয়ন ৩৪,৬১৫ ২৬৬ ৩২,০৩৬
১২৫ মালটা ৩৩,৯০৪ ৪২১ ৩০,৮৫৭
১২৬ কেপ ভার্দে ৩৩,৫৯২ ২৯৮ ৩২,৮০৮
১২৭ অস্ট্রেলিয়া ৩৩,২৬৬ ৯২২ ২৯,৮৫৬
১২৮ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ২৯,৬৮৬ ১৭৭ ৯,৯৯৫
১২৯ সিরিয়া ২৫,৮৯২ ১,৯০৮ ২১,৯৫৫
১৩০ গ্যাবন ২৫,৩৪৪ ১৬৩ ২৫,১১৩
১৩১ গিনি ২৫,১২৬ ২০৫ ২৩,৯৪৬
১৩২ সুরিনাম ২৪,৯০৩ ৬৩৪ ২১,১৯১
১৩৩ ফিজি ২৪,৪২৪ ১৯৫ ৬,১৯১
১৩৪ মৌরিতানিয়া ২৪,০০৮ ৫৩৮ ২১,৫৩৬
১৩৫ ইসওয়াতিনি ২৩,৩৪৭ ৭৫৯ ২০,১৫৭
১৩৬ গায়ানা ২২,১৮১ ৫৩০ ২০,৬৬৫
১৩৭ মায়োত্তে ২০,১৭৬ ১৭৪ ২,৯৬৪
১৩৮ হাইতি ১৯,৮৭৬ ৫২৮ ১৩,৭৪৫
১৩৯ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ১৯,৩৯২ ১৪৬ ১৮,৯৮৯
১৪০ সিসিলি ১৮,০৬২ ৯০ ১৭,৩২৪
১৪১ গুয়াদেলৌপ ১৭,৭৭৯ ২৩৮ ২,২৫০
১৪২ পাপুয়া নিউ গিনি ১৭,৬৩৭ ১৯২ ১৭,২২২
১৪৩ মার্টিনিক ১৫,৬১২ ৯৯ ১০৪
১৪৪ তাইওয়ান ১৫,৫৯৯ ৭৮৭ ১৩,৯১৬
১৪৫ সোমালিয়া ১৫,২৫১ ৭৯৭ ৭,২৯০
১৪৬ টোগো ১৫,১৭৬ ১৪৮ ১৪,১০২
১৪৭ তাজিকিস্তান ১৪,৬৭৩ ১১৮ ১৪,১৬৭
১৪৮ এনডোরা ১৪,৫৭৭ ১২৭ ১৪,০৭৭
১৪৯ মালি ১৪,৫৪৬ ৫৩১ ১৩,৯২৮
১৫০ বাহামা ১৪,২৫২ ২৮৪ ১২,২৯৮
১৫১ বেলিজ ১৩,৯৮৩ ৩৩৩ ১৩,২৫৫
১৫২ বুর্কিনা ফাঁসো ১৩,৫৫০ ১৬৯ ১৩,৩৫৫
১৫৩ কিউরাসাও ১৩,৩০০ ১২৬ ১২,৫২৩
১৫৪ কঙ্গো ১৩,১৫৬ ১৭৭ ১১,৭৫৯
১৫৫ লেসোথো ১২,৮৮০ ৩৬৩ ৬,৬২১
১৫৬ হংকং ১১,৯৮০ ২১২ ১১,৭০৫
১৫৭ জিবুতি ১১,৬৩৭ ১৫৫ ১১,৪৭৫
১৫৮ আরুবা ১১,৪০৫ ১০৯ ১১,০৭১
১৫৯ দক্ষিণ সুদান ১১,০১৪ ১১৮ ১০,৫১৪
১৬০ পূর্ব তিমুর ১০,৩৫৪ ২৬ ৯,৬৭২
১৬১ নিকারাগুয়া ৯,১০৮ ১৯৪ ৪,২২৫
১৬২ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ৮,৮৬৩ ১২৩ ৮,৬৩৭
১৬৩ চ্যানেল আইল্যান্ড ৮,৭৯২ ৮৬ ৫,৪৮৯
১৬৪ বেনিন ৮,৩২৪ ১০৭ ৮,১২৫
১৬৫ গাম্বিয়া ৭,৩৩৩ ২০৮ ৬,২০৫
১৬৬ আইসল্যান্ড ৭,৩০৪ ৩০ ৬,৬৬৫
১৬৭ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ৭,১৪৮ ৯৮ ৬,৮৫৯
১৬৮ ইয়েমেন ৭,০১২ ১,৩৭৩ ৪,১৬৬
১৬৯ বুরুন্ডি ৬,৫৭৩ ৭৭৩
১৭০ ইরিত্রিয়া ৬,৫০৬ ৩৩ ৬,৩০১
১৭১ সিয়েরা লিওন ৬,২২৮ ১১৮ ৪,২২৯
১৭২ নাইজার ৫,৬০০ ১৯৫ ৫,৩০০
১৭৩ সেন্ট লুসিয়া ৫,৫২৯ ৮৮ ৫,৩৪৩
১৭৪ লাইবেরিয়া ৫,৩৯৬ ১৪৮ ২,৭১৫
১৭৫ লাওস ৫,১৫৪ ২,১৭৪
১৭৬ সান ম্যারিনো ৫,১৩০ ৯০ ৫,০০৫
১৭৭ চাদ ৪,৯৬৯ ১৭৪ ৪,৭৮২
১৭৮ জিব্রাল্টার ৪,৮২২ ৯৪ ৪,৩৯৩
১৭৯ বার্বাডোস ৪,৩৫৩ ৪৮ ৪,১৫৬
১৮০ গিনি বিসাউ ৪,২১২ ৭৪ ৩,৮১১
১৮১ আইল অফ ম্যান ৪,১৮৯ ২৯ ১,৬৮৬
১৮২ কমোরস ৪,০২৪ ১৪৭ ৩,৮৬৪
১৮৩ মরিশাস ৩,৭৮৫ ১৯ ১,৮৫৪
১৮৪ লিচেনস্টেইন ৩,০৭৬ ৫৯ ৩,০০০
১৮৫ নিউজিল্যান্ড ২,৮৬৩ ২৬ ২,৭৮৩
১৮৬ মোনাকো ২,৭৯৬ ৩৩ ২,৬৪৬
১৮৭ সিন্ট মার্টেন ২,৭২৩ ৩৪ ২,৬৩৪
১৮৮ বারমুডা ২,৫৩৮ ৩৩ ২,৪৮৮
১৮৯ ভুটান ২,৪৮৯ ২,২৫০
১৯০ সেন্ট মার্টিন ২,৪৮১ ৩৮ ১,৩৯৯
১৯১ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড ২,৪৬৬ ১৮ ২,৪১৮
১৯২ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ২,৩৮৯ ২৫ ১,২৫৫
১৯৩ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড ২,২৭৯ ১২ ২,১৯৯
১৯৪ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস ১,৬৯৩ ১৭ ৬,৪৪৫
১৯৫ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ১,২৮৮ ৪৩ ১,২২৯
১৯৬ সেন্ট বারথেলিমি ১,০০৫ ৪৬২
১৯৭ ফারে আইল্যান্ড ৯৭৯ ৯১৩
১৯৮ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১৩ ৬৯৯
১৯৯ কেম্যান আইল্যান্ড ৬৪০ ৬২৩
২০০ সেন্ট কিটস ও নেভিস ৫৭৩ ৫৩১
২০১ তানজানিয়া ৫০৯ ২১ ১৮৩
২০২ ওয়ালিস ও ফুটুনা ৪৪৫ ৪৩৮
২০৩ ব্রুনাই ৩৩৩ ২৭০
২০৪ ডোমিনিকা ২০৯ ১৯৬
২০৫ গ্রেনাডা ১৬৪ ১৬১
২০৬ নিউ ক্যালেডোনিয়া ১৩৩ ৫৮
২০৭ এ্যাঙ্গুইলা ১১৩ ১১১
২০৮ গ্রীনল্যাণ্ড ৯২ ৬১
২০৯ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড ৬৩ ৬৩
২১০ ম্যাকাও ৫৯ ৫৩
২১১ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন ২৮ ২৬
২১২ ভ্যাটিকান সিটি ২৭ ২৭
২১৩ মন্টসেরাট ২১ ১৯
২১৪ সলোমান আইল্যান্ড ২০ ২০
২১৫ পশ্চিম সাহারা ১০
২১৬ জান্ডাম (জাহাজ)
২১৭ মার্শাল আইল্যান্ড
২১৮ ভানুয়াতু
২১৯ সামোয়া
২২০ সেন্ট হেলেনা
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।
করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]