একজন বিচারপতি দিয়ে চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল

মুহাম্মদ ফজলুল হক
মুহাম্মদ ফজলুল হক মুহাম্মদ ফজলুল হক , জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৯:১৮ এএম, ২০ জানুয়ারি ২০২২

একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের জন্য গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম চলছে ২০১০ সালের ২৫ মার্চ থেকে। মামলায় রায় ঘোষণা, সাক্ষ্যগ্রহণ, যুক্তি-তর্ক উপস্থাপনসহ (আর্গুমেন্ট) বর্তমানে ট্রাইব্যুনালে ৩৭টি মামলার বিভিন্ন পর্যায়ে বিচার কার্যক্রম চলমান।

ট্রাইব্যুনালের দুজন বিচারপতি অসুস্থ থাকায় বাকি একজন বিচারপতিকে দিয়েই আসামিদের সাক্ষ্যগ্রহণ ও বিভিন্ন মামলার দিন-তারিখ ধার্যের কাজ চলছে। এছাড়া, ট্রাইব্যুনালের রেজিস্ট্রারের পদটি শূন্য গত তিন মাস ধরে।

স্বাধীনতার ৩৯ বছর পর ২০১০ সালের মার্চ মাসে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়। এরপর আসামির সংখ্যা ও মামলার চাপ বেড়ে যাওয়ায় আরও একটি ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়। ২০১২ সালের ২২ মার্চ ট্রাইব্যুনাল-১ ও ট্রাইব্যুনাল-২ নামে দুটি ট্রাইব্যুনালে বিচার কার্যক্রম চলে। এরপর ২০১৫ সালে ট্রাইব্যুনাল-২ নিষ্ক্রিয় করে ট্রাইব্যুনাল-১ বিচারকাজ চালিয়ে যায়। একই বছরের ১৫ সেপ্টেম্বর দুটি ট্রাইব্যুনালকে একীভূত করা হয়।

এর মধ্যে প্রসিকিউশন টিম থেকে চাকরি ছেড়ে অনেকেই চলে গেছেন, কেউ গেছেন বিদেশে, করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারাও গেছেন একজন প্রসিকিউটর। এছাড়া একজন বিচারপতি মারা যাওয়ার পরে নতুন করে বিচারপতি নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। গত ১৭ অক্টোবর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারপতি হিসেবে প্রথম কর্মদিবস অফিস করেন বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলম। তিনিসহ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে এখন মোট বিচারপতি তিনজন। তবে এর মধ্যে দু’জনের অনুপস্থিতিতে একাই বিচার কাজ চালাচ্ছেন তিনি।

jagonews24

ট্রাইব্যুনাল সূত্রে জানা যায়, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠন হওয়ার পর থেকে গত ১১ বছরে মোট ৪৩টি মামলায় রায় ঘোষণা করা হয়েছে। যেখানে দণ্ডিত আসামির সংখ্যা শতাধিক। এর মধ্যে রায়ে ৭২ জন আসামির মৃত্যুদণ্ড, ২২ জনের আমৃত্যু কারাদণ্ড এবং খালাস পেয়েছেন একজন।

এখন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট ও মামলার তারিখ নির্ধারণ এবং বিভিন্ন মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ করা ছাড়া আর তেমন কোনো কাজ চলছে না। কারণ, নিয়ম অনুযায়ী তিনজন বিচারক নিয়ে এই ট্রাইব্যুনালের বিচারিক কাজ চলার কথা। সেই নিয়মে ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনালে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। অপর সদস্য হলেন- বিচারপতি আবু আহমেদ জমাদার।

গত ২৮ আগস্ট আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সদস্য বিচারপতি আমির হোসেন মারা যান। তার মৃত্যুতে ট্রাইব্যুনালের তিন সদস্যের বেঞ্চের বিচারপতির পদ শূন্য হয়। এর পরেই ট্রাইব্যুনাল পুনর্গঠনে গত ১৪ অক্টোবর সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলমকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সদস্য হিসেবে নিয়োগ দেয় সরকার

নেই রেজিস্ট্রার, করোনা আক্রান্ত বিচারপতি
ট্রাইব্যুনালের রেজিস্ট্রার (সিনিয়র জেলা জজ) মো. সাঈদ আহমেদ অবসরে চলে গেছেন গত সেপ্টেম্বর মাসের শেষ দিকে। এখন পর্যন্ত নতুন করে কাউকে রেজিস্ট্রার নিয়োগ দেওয়া হয়নি। আবার অবকাশ যাপন করতে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন  আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. শাহিনুর ইসলাম।

jagonews24

টিনশেডে বিচারকাজ, ভবন সংস্কারের অপেক্ষা
অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ভবনের সংস্কার কাজ চালানোর জন্য সেই ভবনের পাশেই টিনশেড ঘর তৈরি করে সেখানে ট্রাইব্যুনালের আদলে এজলাস কক্ষ, হাজতখানা, বিচারপতির বসার স্থান, রেজিস্ট্রার, ডেপুটি রেজিস্ট্রার, প্রসিকিউশন টিমের বসার ব্যবস্থা, তদন্ত সংস্থার বসার স্থান, আইটি কক্ষ, গবেষণা কক্ষ, লাইব্রেরি ও প্রয়োজনীয় অফিস কক্ষ তৈরি করে বিচারকাজ চলছে গত ১২ ডিসেম্বর থেকে।

সবশেষ গত বুধবার (১২ জানুয়ারি) দুটি মামলার শুনানি হয়েছে। এক মামলায় তারিখ পিছিয়ে দিন ঠিক করা হয়েছে, অপর মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়েছে। এর পরের দিন বৃহস্পতিবার (১৩ জানুয়ারি) এক মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য থাকলেও আসামির করোনা পজিটিভ হওয়ায় তাকে আদালতে হাজির করতে না পারায় সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়নি।

তদন্ত ও বর্তমান মামলা
রাষ্ট্রপক্ষের একাধিক আইনজীবীর তথ্যমতে, বিচার ও প্রাক-বিচার পর্যায়ে থাকা ৩৭টি মামলায় আসামির সংখ্যা ২৩০ জনেরও বেশি। এর মধ্যে কারাগারে ১২৩ জন, পলাতক ৮০ জন। তাদের মধ্যে ১৯ জন মারা গেছেন। আর চারজন জামিনে আছেন।

এছাড়া এখন পর্যন্ত ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থায় অভিযোগ এসেছে ৭৭৮টি, যার মধ্যে ৭৯টি অভিযোগের তদন্ত শেষ হয়েছে। ২৬টি অভিযোগ তদন্তাধীন, যাতে আসামির সংখ্যা ৩৪ জন। এর বাইরে ৩ হাজার ৮৩৯ জনের বিরুদ্ধে থাকা ৬৯৪টি অভিযোগ গ্রহণ করেছে তদন্ত সংস্থা, যা তদন্ত শুরুর অপেক্ষায়।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের জন্য রয়েছে যেসব মামলা
ময়মনসিংহের আনিসুর রহমানসহ অন্যান্য আসামি ও সাতক্ষীরার মো. আব্দুল খালেক মণ্ডলসহ অন্যান্য আসামির বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে মামলা যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের জন্য রয়েছে। এছাড়া মৌলভীবাজারের আব্দুল আজিজ ওরফে হাবলুসহ অন্যান্য আসামি, খুলনার আমজাদ হাওলাদারসহ অন্যান্য আসামি ও খলিলুর রহমানসহ অন্যদের বিষয়ে যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের জন্য রয়েছে।

jagonews24

আইনজীবী ও তদন্ত সংস্থার কর্মকর্তারা যা বলছেন
রেজিস্ট্রারবিহীন ও এক বিচারক নিয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের অন্যতম প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট সৈয়দ হায়দার আলী জাগো নিউজকে বলেন, ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস ট্রাইব্যুনালের তিনজন মেম্বারের (বিচারপতির) মধ্যে চেয়ারম্যানসহ দুজনের অনুপস্থিতিতে একজনই (বিচারপতি কে এম হাফিজুল ইসলাম) বিচার কাজ পরিচালনা করে আসছেন। চেয়ারম্যান মো. শাহিনুর ইসলাম বিদেশে আছেন। আর ট্রাইব্যুনালের বিচার কাজ ঠিকঠাক মতোই চলছে। একজন বিচারপতি তার এখতিয়ার অনুযায়ী বিচারিক কাজ করছেন। মামলায় অভিযোগ গঠন, যুক্তিতর্ক (আর্গুমেন্ট) এবং রায় বাদে অন্যান্য কাজ তিনি চালিয়ে যাচ্ছেন। আদালতের কার্যক্রম চলছে, আমরাও আমাদের কার্যক্রম করে যাচ্ছি।

নতুন বছরের প্রত্যাশা জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমাদের ওপর যে দায়িত্ব ন্যস্ত আছে সেটি চালিয়ে যাবো। এ ব্যাপারে আমরা খুবই সচেতন ও গুরুত্ব সহকারে চিন্তা করছি।

তিনি বলেন, আপনারাও জানেন, অভিযোগ আমলে নেওয়া, অভিযোগ গঠন, আগুর্মেন্ট ও জাজমেন্ট ছাড়া আর সবই করা যায় তাই সাক্ষ্যগ্রহণ করছেন তিনি। আর্গুমেন্ট করা যেত কিন্তু দুই বিচারপতির অনুপস্থিতিতে যুক্তিতর্ক হলে আবারও করতে হবে বিধায় আমরা সেটি করছি না।

অপর প্রসিকিউটর রানা দাশগুপ্ত জাগো নিউজকে বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের একজন বিচারপতি বিদেশে আছেন, ওনার করোনাও হয়েছে। আরেকজন দেশে অসুস্থ। এখন বিচারপতি আছেন মাত্র একজন।

তিনি বলেন, ওনার দ্বারা এখন মামলা আমলে নেওয়া, রায় দেওয়া কোনোটাই সম্ভব হবে না, শুধু কোনো মামলায় সাক্ষী এলে জবানবন্দি নেওয়া ছাড়া।

jagonews24

এদিকে, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের ভবন পুরোনো হওয়ায় সেটির সংস্কার কাজও করা দরকার। তাই এখন টিনশেডে বিচারিক কাজ চলছে। ভবনের সংস্কার কাজ কবে শেষ হবে সেটি বলতে পারবেন একমাত্র সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বলেও জানান প্রসিকিউটর রানা দাশগুপ্ত।

এ বিষয়ে আরেক প্রসিকিউটর সুলতান মাহমুদ সীমন জাগো নিউজকে বলেন, ট্রাইব্যুনাল আইন অনুযায়ী একজন বিচারপতির যেসব কাজের বিচারিক এখতিয়ার আছে সেগুলো তিনি করছেন।

তিনি জানান, যেসব মামলার আসামি গ্রেফতার হয়ে কারাগারে আছেন তাদের হাজিরার নতুন দিন নির্ধারণ, যেসব মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ অব্যাহত ছিল ওইসব মামলায় সাক্ষীর জবানবন্দি নেওয়ার তারিখ ধার্য এবং পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারি সংক্রান্ত আদেশ দেওয়া হচ্ছে।

‘রেজিস্ট্রার নিয়োগ দেওয়া না দেওয়া সরকারের ইচ্ছে। আশা করি, সুস্থ হয়ে বিচারপতিরা আদালতে আসবেন এবং রেজিস্ট্রার নিয়োগ দেওয়ার পরে যথারীতি আগের মতো ট্রাইব্যুনালের বিচার কার্যক্রম চলবে।’

বিষয়টি নিয়ে ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার প্রধান সমন্বয়ক এম. সানাউল হক জাগো নিউজকে বলেন, তিন বিচারপতির মধ্যে দুজন বিচারপতি অনুপস্থিত থাকায় ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রমে মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণ, তারিখ নির্ধারণ ও গ্রেফতারি পরোয়ানা সংক্রান্ত আবেদন ও আদেশ এসব চলছে। আশা করি, শিগগির ট্রাইব্যুনালের শুনানি পুরোদমে চালানো সম্ভব হবে। এছাড়া আমাদের কাজ পুরোদমে চলছে, কোনো বন্ধ নেই। আশা করি ট্রাইব্যুনাল অচিরেই আবার পুরোদমে চলবে।

প্রসিকিউটর ব্যারিস্টার তাপস কান্তি বল জাগো নিউজকে বলেন, ট্রাইব্যুনালে মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ, তারিখ নির্ধারণ ও অন্যান্য কাজ হচ্ছে। আমাদের আইনজীবী, তদন্ত সংস্থার সদস্যরা, সাক্ষী ও অন্য সবাই সুস্থ আছেন। তাদের খোঁজ-খবর রাখা হচ্ছে।

jagonews24

কর্মকর্তা-কর্মচারীর অসুস্থতাসহ সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে ট্রাইব্যুনালের আইটি এক্সপার্ট খন্দকার মেহেদী মাসুদ জাগো নিউজকে বলেন, বর্তমানে আমাদের কেউ অসুস্থ বোধ করলে তাদের কোর্টে আসতে নিষেধ করা হয়। স্বাস্থ্যবিধি পালন করে ট্রাইব্যুনালের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অফিস করেন। আমরা নিয়মিত অফিস করছি। আর বাকি সবকিছু গণমাধ্যম অবগত।

২০০৯ সালের ২৯ জানুয়ারি জাতীয় সংসদে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের প্রস্তাব পেশ করলে তা সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়। বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৩৯ বছর পর মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে অভিযুক্তদের বিচারের জন্য ২০১০ সালের ২৫ মার্চ ট্রাইব্যুনাল গঠনের পাশাপাশি বিচারক নিয়োগ, আইনজীবী প্যানেল ও তদন্ত সংস্থা গঠন করা হয়।

বিচারকাজ শুরুর পর টাইব্যুনালে এখন পর্যন্ত ৪৩টি মামলার রায় হয়েছে। এসব মামলার রায়ে ৭২ জন আসামির মৃত্যুদণ্ড, ২২ জনের আমৃত্যু কারাদণ্ড এবং খালাস পেয়েছেন একজন।

রায়ের বিরুদ্ধে আনা আপিল শুনানির পর ছয়জনের মৃত্যুদণ্ড বহাল এবং পরবর্তীসময়ে রায় কার্যকর করা হয়েছে। ফাঁসির রায় কার্যকর হওয়া ছয় আসামি হলেন- জামায়াতের সাবেক আমির মতিউর রহমান নিজামী, সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ, জামায়াত নেতা আবদুল কাদের মোল্লা, মুহাম্মদ কামারুজ্জামান, বিএনপি নেতা সালাহ্ উদ্দিন কাদের (সাকা) চৌধুরী ও জামায়াত নেতা মীর কাশেম আলী।

এফএইচ/এমআরআর/এএ/জিকেএস

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

৫২,৭৩,৭৪,৪৯১
আক্রান্ত

৬৩,০০,০৭১
মৃত

৪৯,৭৩,৩৩,৭৭৭
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ১৯,৫৩,২৩৩ ২৯,১২৮ ১৯,০০,৯৬৪
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৮,৪৯,৮৪,৪৫৯ ১০,২৮,৯০২ ৮,১৫,৮৬,২৪৯
ভারত ৪,৩১,৩৬,৩৭১ ৫,২৪,৪১৩ ৪,২৫,৯৭,০০৩
ব্রাজিল ৩,০৭,৮০,০২৮ ৬,৬৫,৬৫৭ ২,৯৮,০১,২২৫
ফ্রান্স ২,৯৩,৩৭,৯৮৫ ১,৪৭,৭৮০ ২,৮৫,৩৪,২৩১
জার্মানি ২,৬০,৮২,৩১৭ ১,৩৮,৭০৯ ২,৪৬,০২,৫০০
যুক্তরাজ্য ২,২২,৩৮,৭১৫ ১,৭৭,৯৭৭ ২,১৮,১৯,২১১
স্পেন ১,৮৩,৪৮,০২৯ ১,৫৯,৬০৫ ১,১৬,২০,২৭৫
রাশিয়া ১,৮২,৯৩,৪৫০ ৩,৭৮,৩৫০ ১,৭৬,৮৮,৯০৩
১০ দক্ষিণ কোরিয়া ১,৭৯,৫৭,৬৯৭ ২৩,৯৬৫ ১,৭৩,৭১,৮৮০
১১ ইতালি ১,৭২,২৯,২৬৩ ১,৬৫,৯১৮ ১,৬২,০৬,৪৭৬
১২ তুরস্ক ১,৫০,৬১,৩৭৬ ৯৮,৯২১ ১,৪৯,৫৮,৮৮৭
১৩ ভিয়েতনাম ১,০৭,০৮,৮৮৭ ৪৩,০৭৫ ৯৪,০২,০৪৬
১৪ আর্জেন্টিনা ৯১,৩৫,৩০৮ ১,২৮,৭৭৬ ৮৮,৯৫,৯৯৯
১৫ জাপান ৮৫,৮৭,৪২১ ৩০,২৯২ ৮২,১০,৩৩৬
১৬ নেদারল্যান্ডস ৮০,৭৫,১৯৪ ২২,৩০৬ ৮০,১০,৬৬৯
১৭ ইরান ৭২,৩০,০৫৩ ১,৪১,২৭৪ ৭০,৩৩,৯৮৬
১৮ অস্ট্রেলিয়া ৬৯,৪৮,৯৬৭ ৮,০৯৭ ৬৫,২২,৮৪০
১৯ কলম্বিয়া ৬০,৯৯,১১১ ১,৩৯,৮৩৩ ৫৯,৩০,৫৪৫
২০ ইন্দোনেশিয়া ৬০,৫২,৫৯০ ১,৫৬,৫২২ ৫৮,৯২,৪১১
২১ পোল্যান্ড ৬০,০৫,৫৩১ ১,১৬,২৬৮ ৫৩,৩৫,২৫০
২২ মেক্সিকো ৫৭,৫২,৪৪১ ৩,২৪,৬১৭ ৫০,৫০,৪২০
২৩ ইউক্রেন ৫০,০৯,৩০১ ১,০৮,৪৯৭ ৪০,৫৮,০২০
২৪ মালয়েশিয়া ৪৪,৮৭,৪৮২ ৩৫,৬৩৮ ৪৪,২২,৬১৫
২৫ থাইল্যান্ড ৪৪,১১,৪৯৪ ২৯,৭৪৯ ৪৩,২৫,৯৫৬
২৬ অস্ট্রিয়া ৪২,৩৩,৪৩০ ১৮,৩৪৭ ৪১,৬৯,৩৭১
২৭ বেলজিয়াম ৪১,৩৪,২৯৩ ৩১,৬৭৫ ৩৯,৮৪,১১৬
২৮ ইসরায়েল ৪১,২০,৬২২ ১০,৮২৭ ৪০,৯৪,৬৫৭
২৯ পর্তুগাল ৪০,৬৬,৬৭৪ ২২,৫৮৩ ২৮,৭৬,১৭৭
৩০ দক্ষিণ আফ্রিকা ৩৯,২৬,৬৫২ ১,০০,৯৩১ ৩৭,৩৯,৫৪৩
৩১ চেক প্রজাতন্ত্র ৩৯,১৮,০৬৪ ৪০,২৬৬ ৩৮,৭৫,৭৫৪
৩২ কানাডা ৩৮,৪৫,৯৪৬ ৪০,৬৭৭ ৩৫,১৫,৪১৯
৩৩ ফিলিপাইন ৩৬,৮৮,৭৫১ ৬০,৪৫৮ ৩৬,২৬,০৩৮
৩৪ সুইজারল্যান্ড ৩৬,৪২,৬০৪ ১৩,৯৩৪ ৩৫,৭৫,৯৯৯
৩৫ চিলি ৩৬,৩৬,৯৯৩ ৫৭,৭৯৪ ৩৪,৮১,০৬১
৩৬ পেরু ৩৫,৭৫,২৯১ ২,১৩,০৯৮ ১৭,২০,৬৬৫
৩৭ গ্রীস ৩৪,১৭,৬১৩ ২৯,৬৭৯ ৩৩,৩৪,৯৪০
৩৮ ডেনমার্ক ২৯,৭৯,২৩৮ ৬,৩১২ ২৯,৬৫,৩৪৩
৩৯ রোমানিয়া ২৯,০৬,০৫১ ৬৫,৬৫২ ২৬,০৬,৬৬০
৪০ সুইডেন ২৫,০৬,৬০৭ ১৮,৯০৮ ২৪,৮০,০৭০
৪১ ইরাক ২৩,২৭,১৯২ ২৫,২১৬ ২৩,০০,৭৫৪
৪২ সার্বিয়া ২০,১৪,৯০০ ১৬,০৬৩ ১৯,৯১,০৩৪
৪৩ হাঙ্গেরি ১৯,১৪,৬৯৭ ৪৬,৪৪৬ ১৮,৩০,৮০৩
৪৪ স্লোভাকিয়া ১৭,৮৮,৪৫২ ২০,০৮০ ১৭,৬৫,০৫৬
৪৫ জর্ডান ১৬,৯৪,২১৬ ১৪,০৪৮ ১৬,৭৮,৯৪১
৪৬ জর্জিয়া ১৬,৫৫,২২১ ১৬,৮১১ ১৬,৩৭,২৯৩
৪৭ আয়ারল্যান্ড ১৫,৫১,৮৩৫ ৭,২৪৪ ১৫,২৩,৯২৪
৪৮ পাকিস্তান ১৫,২৯,৭৮৫ ৩০,৪৩৬ ১৪,৯৪,১৪১
৪৯ নরওয়ে ১৪,৩১,২৩৩ ৩,০৯৪ ৮৮,৯৫২
৫০ তাইওয়ান ১৩,২০,৩৭১ ১,৩৯৬ ১,৪৯,৪৬০
৫১ কাজাখস্তান ১৩,০৫,৬৮৬ ১৩,৬৬১ ১২,৯১,৮৬৯
৫২ সিঙ্গাপুর ১২,৬৬,৮০৮ ১,৩৭৪ ১১,৮৪,৫২৫
৫৩ হংকং ১২,১০,৩৯৬ ৯,৩৭০ ১৩,২৩২
৫৪ মরক্কো ১১,৬৬,৫৩০ ১৬,০৭৫ ১১,৪৯,৪৭৬
৫৫ বুলগেরিয়া ১১,৬৩,৩১৭ ৩৭,০৯০ ১০,৪২,৫৮২
৫৬ ক্রোয়েশিয়া ১১,৩৪,২৩২ ১৫,৯৬৬ ১১,১৫,১৬০
৫৭ কিউবা ১১,০৪,৯৩৫ ৮,৫২৯ ১০,৯৬,০৬৮
৫৮ নিউজিল্যান্ড ১০,৯৯,২৫০ ১,০০৭ ১০,৪২,৬৭৮
৫৯ লেবানন ১০,৯৮,৫০৩ ১০,৪১৭ ১০,৮৫,৬৮২
৬০ ফিনল্যাণ্ড ১০,৮১,২২৫ ৪,৪০৬ ৪৬,০০০
৬১ লিথুনিয়া ১০,৬১,৫৩৩ ৯,১৩৪ ১০,৩৫,১৩৬
৬২ তিউনিশিয়া ১০,৪১,৭৮৯ ২৮,৬২৮ ৯,৮৩,৬৩০
৬৩ স্লোভেনিয়া ১০,২২,৩৫৬ ৬,৬২৮ ১০,০৮,১৬৩
৬৪ বেলারুশ ৯,৮২,৮৬৭ ৬,৯৭৮ ৯,৩১,১৫০
৬৫ নেপাল ৯,৭৯,০৬৮ ১১,৯৫২ ৯,৬৬,৯৭৫
৬৬ বলিভিয়া ৯,০৭,২২৪ ২১,৯৪৪ ৮,৬৫,৬৭৯
৬৭ সংযুক্ত আরব আমিরাত ৯,০৪,৮৩০ ২,৩০২ ৮,৮৮,৫৮৪
৬৮ উরুগুয়ে ৯,০২,৫৪০ ৭,২১৩ ৮,৯২,৪৩৪
৬৯ কোস্টারিকা ৮,৭৭,৫৩৩ ৮,৪৭২ ৮,৪৮,০৩৫
৭০ ইকুয়েডর ৮,৭৩,৬০৯ ৩৫,৬১৩ ৪,৪৩,৮৮০
৭১ গুয়াতেমালা ৮,৫৬,৩৭৬ ১৭,৯৪২ ৮,৩৫,৭২৪
৭২ পানামা ৮,২৮,১২০ ৮,২২১ ৭,৯০,৭৬৬
৭৩ লাটভিয়া ৮,২৬,৮৫৬ ৬,০০৮ ৮,১৮,২৫৭
৭৪ আজারবাইজান ৭,৯২,৭০৭ ৯,৭১০ ৭,৮২,৯৪৫
৭৫ সৌদি আরব ৭,৬৩,০৪২ ৯,১৩০ ৭,৪৭,৪৯২
৭৬ শ্রীলংকা ৬,৬৩,৭৪৯ ১৬,৫১২ ৬,৪৬,৯৩৫
৭৭ প্যারাগুয়ে ৬,৫০,২৮৩ ১৮,৮৮৫ ৬,২৪,৬৭৩
৭৮ কুয়েত ৬,৩২,৪৭৪ ২,৫৫৫ ৬,২৯,৩৯২
৭৯ মায়ানমার ৬,১৩,২১৯ ১৯,৪৩৪ ৫,৯২,১৭৪
৮০ ফিলিস্তিন ৫,৮২,২৪৬ ৫,৩৫৫ ৫,৭৬,৭৬৪
৮১ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ৫,৮১,১৫৩ ৪,৩৭৭ ৫,৭৬,১৪৭
৮২ বাহরাইন ৫,৮০,৭৯৭ ১,৪৯৮ ৫,৭৪,৮০৫
৮৩ এস্তোনিয়া ৫,৭৫,০৪৬ ২,৫৬১ ৫,১৬,৫৮৮
৮৪ ভেনেজুয়েলা ৫,২৩,২৬৬ ৫,৭১৬ ৫,১৬,৪৬৮
৮৫ মলদোভা ৫,১৭,৭৫৩ ১১,৫০৩ ৫,০৪,১৪২
৮৬ মিসর ৫,১৫,৬৪৫ ২৪,৬১৩ ৪,৪২,১৮২
৮৭ লিবিয়া ৫,০১,৯০৪ ৬,৪৩০ ৪,৯০,৯৭৩
৮৮ সাইপ্রাস ৪,৭৭,৭১১ ১,০৩২ ১,২৪,৩৭০
৮৯ ইথিওপিয়া ৪,৭১,৩৪৩ ৭,৫১২ ৪,৫৫,৮১০
৯০ মঙ্গোলিয়া ৪,৬৯,৮৮৫ ২,১৭৯ ৩,১৩,২৫৬
৯১ হন্ডুরাস ৪,২৪,৭৭১ ১০,৮৯৬ ১,৩২,৪০১
৯২ আর্মেনিয়া ৪,২২,৯১৭ ৮,৬২৩ ৪,১২,০৭১
৯৩ রিইউনিয়ন ৪,১১,৩৬৩ ৭৭০ ৪,০৩,৭৯৫
৯৪ ওমান ৩,৮৯,৪৭৩ ৪,২৬০ ৩,৮৪,৬৬৯
৯৫ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ৩,৭৭,৭০৯ ১৫,৭৮৩ ১৫,৮১,১৬৪
৯৬ কাতার ৩,৬৭,০৯৯ ৬৭৭ ৩,৬৫,৪১৫
৯৭ কেনিয়া ৩,২৪,২২২ ৫,৬৪৯ ৩,১৮,২৬৩
৯৮ জাম্বিয়া ৩,২১,০৯৯ ৩,৯৮৪ ৩,১৬,৪৪৪
৯৯ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ৩,১১,১১৩ ৯,২৯৬ ৩,০১,২৭৫
১০০ বতসোয়ানা ৩,০৬,৬১৪ ২,৬৯২ ৩,০৩,৬১৯
১০১ আলবেনিয়া ২,৭৫,৮৩৮ ৩,৪৯৭ ২,৭২,০৯১
১০২ আলজেরিয়া ২,৬৫,৮৫১ ৬,৮৭৫ ১,৭৮,৩৮১
১০৩ নাইজেরিয়া ২,৫৫,৯৩৭ ৩,১৪৩ ২,৪৯,৯৯৬
১০৪ জিম্বাবুয়ে ২,৫০,৪৬৯ ৫,৪৮৯ ২,৪২,৯০৬
১০৫ লুক্সেমবার্গ ২,৪৪,১৮২ ১,০৭৩ ২,৩৫,৯৩৯
১০৬ উজবেকিস্তান ২,৩৮,৯২৯ ১,৬৩৭ ২,৩৭,১৪৬
১০৭ মন্টিনিগ্রো ২,৩৬,৬৮৮ ২,৭১৯ ২,৩৩,৭৭৮
১০৮ মোজাম্বিক ২,২৫,৫৬৩ ২,২০১ ২,২৩,২৭৯
১০৯ চীন ২,২৩,১৪৫ ৫,২২২ ২,১৩,৫১৮
১১০ লাওস ২,০৯,৭২৮ ৭৫৪ ৭,৬৬০
১১১ কিরগিজস্তান ২,০০,৯৯৩ ২,৯৯১ ১,৯৬,৪০৬
১১২ আইসল্যান্ড ১,৮৬,৯৬৯ ১৫৩ ৭৫,৬৮৫
১১৩ আফগানিস্তান ১,৭৯,৭১৬ ৭,৬৯৮ ১,৬২,৭৪১
১১৪ মালদ্বীপ ১,৭৯,৫৬০ ২৯৮ ১,৬৩,৬৮৭
১১৫ উগান্ডা ১,৬৪,০৬৯ ৩,৫৯৬ ১,০০,২০৫
১১৬ এল সালভাদর ১,৬২,০৮৯ ৪,১৩০ ১,৫০,৬৬২
১১৭ ঘানা ১,৬১,৩২৫ ১,৪৪৫ ১,৫৯,৮২৬
১১৮ নামিবিয়া ১,৬০,৬৪০ ৪,০৩১ ১,৫৫,৬৩৯
১১৯ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ১,৫৭,৮৮০ ৩,৮৯০ ১,৪৪,৮০৩
১২০ মার্টিনিক ১,৫৩,২৫৩ ৯২৬ ১০৪
১২১ ব্রুনাই ১,৪৬,৫০৬ ২২১ ১,৪৪,৬৭২
১২২ গুয়াদেলৌপ ১,৪০,১৩০ ৮৫৪ ২,২৫০
১২৩ কম্বোডিয়া ১,৩৬,২৬২ ৩,০৫৬ ১,৩৩,২০১
১২৪ জ্যামাইকা ১,৩৩,৯০৪ ৩,০২১ ৮৫,৭৭৯
১২৫ রুয়ান্ডা ১,২৯,৯৭১ ১,৪৫৯ ৪৫,৫২২
১২৬ ক্যামেরুন ১,১৯,৭৮০ ১,৯২৭ ১,১৭,৭৯১
১২৭ অ্যাঙ্গোলা ৯৯,১৯৪ ১,৯০০ ৯৭,১৪৯
১২৮ মালটা ৯৪,০৪৬ ৭১৭ ৯১,০৯৮
১২৯ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ৮৭,৬৩৩ ১,৩৩৮ ৫০,৯৩০
১৩০ সেনেগাল ৮৬,০৭৩ ১,৯৬৭ ৮৪,০৮৬
১৩১ মালাউই ৮৫,৯২৯ ২,৬৩৮ ৮২,৭৯৯
১৩২ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ৮২,৩১৩ ৩৯৭ ১১,২৫৪
১৩৩ আইভরি কোস্ট ৮২,০৪৪ ৭৯৯ ৮১,২১৩
১৩৪ সুরিনাম ৮০,২৪০ ১,৩৩৯ ৪৯,৪৬৬
১৩৫ বার্বাডোস ৭৮,৪৪৮ ৪৩৬ ৭৩,৫৮৫
১৩৬ চ্যানেল আইল্যান্ড ৭৫,৭৬৭ ১৭৬ ৭৪,৯৭৯
১৩৭ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ৭২,৮৫৮ ৬৪৯ ৩৩,৫০০
১৩৮ ইসওয়াতিনি ৭২,১২৫ ১,৪০৪ ৭০,১৯৬
১৩৯ ফিজি ৬৪,৮৪১ ৮৬২ ৬৩,৫৮০
১৪০ মাদাগাস্কার ৬৪,২৭৬ ১,৩৯৩ ৫৯,৩৭০
১৪১ গায়ানা ৬৪,২২৮ ১,২৩১ ৬২,৪৫৫
১৪২ সুদান ৬২,২১১ ৪,৯৩৭ ৪০,৩২৯
১৪৩ নিউ ক্যালেডোনিয়া ৬১,৫১৪ ৩১২ ৬০,৬২০
১৪৪ ভুটান ৫৯,৫৭৪ ২১ ৫৯,৫০৯
১৪৫ মৌরিতানিয়া ৫৯,০০৩ ৯৮২ ৫৭,৭৬২
১৪৬ বেলিজ ৫৮,৪১৯ ৬৭৭ ৫৬,৮৮৬
১৪৭ কেপ ভার্দে ৫৬,১৬৭ ৪০১ ৫৫,৮৮১
১৪৮ সিরিয়া ৫৫,৮৭৮ ৩,১৫০ ৫২,৫৯১
১৪৯ গ্যাবন ৪৭,৬২২ ৩০৪ ৪৭,৩০৩
১৫০ পাপুয়া নিউ গিনি ৪৪,৩৯৪ ৬৫১ ৪৩,৭২৬
১৫১ সিসিলি ৪৩,৭২৯ ১৬৭ ৪৩,০৪০
১৫২ কিউরাসাও ৪৩,৫২২ ২৭৬ ৪২,৬২২
১৫৩ এনডোরা ৪২,৫৭২ ১৫৩ ৪১,৭৫৭
১৫৪ বুরুন্ডি ৪১,৬০৬ ৩৮ ৭৭৩
১৫৫ মরিশাস ৩৭,৯৫৫ ৯৯৬ ৩৬,২৮৯
১৫৬ মায়োত্তে ৩৭,৫২৩ ১৮৭ ২,৯৬৪
১৫৭ টোগো ৩৭,০৪৪ ২৭৩ ৩৬,৭৪৪
১৫৮ গিনি ৩৬,৫৯৭ ৪৪২ ৩৬,১১৩
১৫৯ আরুবা ৩৬,৩১৬ ২১৩ ৩৫,৮০৮
১৬০ তানজানিয়া ৩৫,৩৫৪ ৮৪০ ১৮৩
১৬১ ফারে আইল্যান্ড ৩৪,৬৫৮ ২৮ ৭,৬৯৩
১৬২ বাহামা ৩৪,২১২ ৮১০ ৩৩,০৩২
১৬৩ লেসোথো ৩২,৯১০ ৬৯৭ ২৪,১৫৫
১৬৪ মালি ৩১,০৫৪ ৭৩৪ ৩০,১৫৬
১৬৫ হাইতি ৩০,৭৪৬ ৮৩৫ ২৯,৬৫১
১৬৬ আইল অফ ম্যান ২৮,৪১৬ ১০৫ ২৬,৭৯৪
১৬৭ বেনিন ২৬,৯৫২ ১৬৩ ২৫,৫০৬
১৬৮ সোমালিয়া ২৬,৫২১ ১,৩৫০ ১৩,১৮২
১৬৯ সেন্ট লুসিয়া ২৪,৮৭৩ ৩৬৮ ২৩,৬৫১
১৭০ কেম্যান আইল্যান্ড ২৪,৪৭৭ ২৮ ৮,৫৫৩
১৭১ কঙ্গো ২৪,০৭৯ ৩৮৫ ২০,১৭৮
১৭২ পূর্ব তিমুর ২২,৮৯০ ১৩১ ২২,৭৪৮
১৭৩ বুর্কিনা ফাঁসো ২০,৮৫৩ ৩৮২ ২০,৪৩৯
১৭৪ নিকারাগুয়া ১৮,৪৯১ ২২৫ ৪,২২৫
১৭৫ জিব্রাল্টার ১৮,২৭৩ ১০২ ১৬,৫৮৩
১৭৬ সলোমান আইল্যান্ড ১৮,১৭৪ ১৪৬ ১৬,৩৫৭
১৭৭ দক্ষিণ সুদান ১৭,৫৭৩ ১৩৮ ১৩,৫১৪
১৭৮ লিচেনস্টেইন ১৭,৩৯২ ৮৫ ১৭,২৪৮
১৭৯ তাজিকিস্তান ১৭,৩৮৮ ১২৪ ১৭,২৬৪
১৮০ গ্রেনাডা ১৭,১৪৬ ২২৩ ১৫,৭৯২
১৮১ সান ম্যারিনো ১৬,৯৯১ ১১৫ ১৬,৬৮০
১৮২ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ১৫,৯১০ ১৮৩ ১৫,৭০৪
১৮৩ জিবুতি ১৫,৬৩১ ১৮৯ ১৫,৪২৭
১৮৪ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ১৪,৬৪৯ ১১৩ ৬,৮৫৯
১৮৫ বারমুডা ১৪,৪৪২ ১৩৭ ১৩,৯৪৫
১৮৬ ডোমিনিকা ১৩,১১৬ ৬৩ ১২,৪৬৫
১৮৭ সামোয়া ১২,৩৮২ ২৫ ১,৬০৫
১৮৮ মোনাকো ১২,০৩৫ ৫৪ ১১,৯২২
১৮৯ গাম্বিয়া ১১,৯৯৯ ৩৬৫ ১১,৫৯১
১৯০ গ্রীনল্যাণ্ড ১১,৯৭১ ২১ ২,৭৬১
১৯১ ইয়েমেন ১১,৮১৯ ২,১৪৯ ৯,০০৯
১৯২ টাঙ্গা ১১,৫০০ ১১ ১০,৮৭৫
১৯৩ সেন্ট মার্টিন ১০,৬০২ ৬৩ ১,৩৯৯
১৯৪ সিন্ট মার্টেন ১০,১৮৯ ৮৬ ১০,০৬৮
১৯৫ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস ৯,৯৮৬ ৩৫ ৯,৮৮৬
১৯৬ ইরিত্রিয়া ৯,৭৫৪ ১০৩ ৯,৬৪০
১৯৭ নাইজার ৯,০৩১ ৩১০ ৮,৬২৮
১৯৮ ভানুয়াতু ৮,৬৫৯ ১৪ ৮,২৮৭
১৯৯ গিনি বিসাউ ৮,২৪৬ ১৭১ ৮,০২৯
২০০ কমোরস ৮,১০০ ১৬০ ৭,৯৩৩
২০১ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ৭,৯৪২ ১৩৮ ৭,৬২৩
২০২ সিয়েরা লিওন ৭,৬৮২ ১২৫ ৪,৩৯৩
২০৩ লাইবেরিয়া ৭,৪৫৫ ২৯৪ ৫,৭৪৭
২০৪ চাদ ৭,৪১৫ ১৯৩ ৪,৮৭৪
২০৫ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড ৬,৮৪৩ ১০৬ ৬,৬৪১
২০৬ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ৬,৬৯০ ৬২ ২,৬৪৯
২০৭ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড ৬,০৯৭ ৩৬ ৬,০২৬
২০৮ সেন্ট কিটস ও নেভিস ৫,৬৬৯ ৪৩ ৫,৫৭০
২০৯ কুক আইল্যান্ড ৫,৫৪৩ ৫,৪৩৩
২১০ পালাও ৪,৯৬৭ ৪,২৪০
২১১ সেন্ট বারথেলিমি ৪,৬১১ ৪৬২
২১২ এ্যাঙ্গুইলা ৩,১১৬ ৩,০৪২
২১৩ কিরিবাতি ৩,০৯৮ ১৩ ২,৬০২
২১৪ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন ২,৭৪৮ ২,৪৪৯
২১৫ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড ১,৫১২ ৬৮
২১৬ মন্টসেরাট ৯১৫ ৭৪৯
২১৭ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১৩ ৬৯৯
২১৮ ওয়ালিস ও ফুটুনা ৪৫৪ ৪৩৮
২১৯ ম্যাকাও ৮২ ৮২
২২০ ভ্যাটিকান সিটি ২৯ ২৯
২২১ মার্শাল আইল্যান্ড ১৭ ১৪
২২২ পশ্চিম সাহারা ১০
২২৩ জান্ডাম (জাহাজ)
২২৪ নিউয়ে
২২৫ নাউরু
২২৬ সেন্ট হেলেনা
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।
করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]