বাংলাদেশও কি ‘বাজবল’ খেলবে? বাশারের কথায় কী ইঙ্গিত!
টেস্ট ক্রিকেটেও যে ধ্বংসাত্মক ব্যাটিং করা যায়, সেটা কয়েক বছর ধরেই দেখাচ্ছে ইংল্যান্ড। কোচ ব্রেন্ডন ম্যাককালাম ও অধিনায়ক বেন স্টোকসের অধীনে টেস্ট ক্রিকেটের ধরনই বদলে ফেলেছে ইংলিশরা। ম্যাককালামের ডাক নাম বাজ। সেই অনুসারে এটাকে বলা হচ্ছে ‘বাজবল’ ক্রিকেট। বাংলাদেশও কি এবার সেই পথেই হাঁটবে!
পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে প্রথমবারের মতো ডাকা হয়েছে ওপেনার তানজিদ হাসান তামিমকে। টি-টোয়েন্টি, ওয়ানডে, দুই ফরম্যাটেই ইতিমধ্যে নিজেকে প্রমাণ করেছেন তিনি। ব্যাট হাতে আগ্রাসী, রান তোলার সামর্থ্যও আছে। এমন একজন ক্রিকেটারকে ডাকার কারণ ব্যাখায় সোমবার সংবাদ সম্মেলনে প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশার সুমন বলেন, ‘আমরা যখন কোনো খেলোয়াড় নির্বাচন করি, তখন তার খেলার ধরনটাকেই গুরুত্ব দিই। যাকে দলে নেওয়া হচ্ছে, তার কাছ থেকে সেই ধরনের ক্রিকেটই খেলতে চাই। আমরা কীভাবে খেলব, সেটা পরে নির্ধারণ করা হবে। তবে এটা আমাদের পরিকল্পনারই অংশ যে আমরা এমন ক্রিকেট খেলতে পারি। আক্রমণাত্মক ক্রিকেট খেলতে হলে সেই ধরনের খেলোয়াড়ই প্রয়োজন।’
বাশারের কথাতেই স্পষ্ট, আগ্রাসী ক্রিকেট খেলার জন্যই তামিমকে ডাকা হয়েছে। তাহলে কি বাংলাদেশও এখন থেকে টেস্ট ক্রিকেটে আক্রমণাত্মক খেলবে, তখন বাকি ওপেনারের ভূমিকা কি হবে! উত্তরে হাবিবুল বলেন, ‘আমি বলছি না যে যেভাবে একজন খেলোয়াড় খেলে, তাকে ঠিক সেভাবেই খেলতে বাধ্য করা হবে। আমাদের দুই ওপেনারেরই নিজস্ব স্টাইল আছে। আমি চাই না তারা তাদের স্বাভাবিক খেলার ধরন থেকে বেরিয়ে গিয়ে খেলুক। কারণ এতে সাফল্যের সম্ভাবনা কমে যায়। তারা এখন ফর্মে আছে, আর ম্যানেজমেন্টও তাদেরকেই পছন্দ করছে।’
বাশার আরও যোগ করে বলেন, ‘আমি যেটা বলতে চাইছি, সেটা হলো ভবিষ্যতে যদি পরিকল্পনা বদলানোর প্রয়োজন হয়, সেই জন্য আমাদের হাতে অপশন রাখা দরকার। আমি সাদমানকে তামিমের মতো খেলতে বলব না, আবার তামিমকেও সাদমানের মতো খেলতে বলব না।’
বোলিং নিয়ে সন্তুষ্ট হাবিবুল বাশারের চাওয়া ব্যাটিংয়ে ধারাবাহিকতা, ‘আমাদের বোলিং ইউনিট মোটামুটি ঠিক আছে, ২০ উইকেট নেওয়ার সক্ষমতাও আছে। ব্যাটিংয়ে যদি আমরা ধারাবাহিক হতে পারি, তাহলে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশ ভালো করবে। হয়তো আমাদের খেলার স্টাইলে কিছু পরিবর্তন আসতে পারে—‘বাজবল’ বলছি না, তবে স্টাইলটা অবশ্যই একটু বদলাতে পারে।’
এসকেডি/এমএমআর