অবশেষে পাকিস্তানের শতরানের ওপেনিং জুটি ভাঙলেন মিরাজ

ক্রীড়া প্রতিবেদক
ক্রীড়া প্রতিবেদক ক্রীড়া প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৪:১১ পিএম, ০৯ মে ২০২৬

প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের ৪১৩ রানের জবাবে ওপেনিংয়ে শতরানের জুটি গড়েছেন পাকিস্তানি দুই ওপেনার আজান আওয়াইস আর ইমাম উল হক। কিছুতেই কিছু হচ্ছিল না। অবশেষে ১০৬ রানের ওপেনিং জুটি ভেঙেছেন মেহেদী হাসান মিরাজ।

মিরাজের বলে এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে পড়েন ইমাম। ৪৫ রানে সাজঘরের পথ ধরেছেন পাকিস্তানি ওপেনার।

এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পাকিস্তানের সংগ্রহ ১ উইকেটে ১০৭ রান। আজান ৫১ আর আবদুল্লাহ ফজল ০ রানে অপরাজিত আছেন।

এর আগে একটা সময় মনে হচ্ছিল, চারশ ছোঁয়াই কঠিন হয়ে যাবে বাংলাদেশের। তবে তাসকিন আহমেদের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ভালোভাবেই ৪০০ পার করে নাজমুল হোসেন শান্তর দল। মিরপুর টেস্টে প্রথম ইনিংসে ১১৭.১ ওভারে ৪১৩ রানে অলআউট হয়েছে টাইগাররা।

শনিবার ৪ উইকেটে ৩০১ রান নিয়ে দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু করে বাংলাদেশ। প্রথম দশ ওভার মুশফিকুর রহিম আর লিটন দাস দেখেশুনে কাটিয়ে দেন। কিন্তু বাংলাদেশের বোর্ডে ৩৩৮ রান উঠতেই মোহাম্মদ আব্বাসের শিকার হয়ে ফেরেন লিটন দাস। ব্যক্তিগত ৩৩ রানে অফস্টাম্পের বেশ বাইরের বল টেনে মারতে গিয়ে মিড অনে ধরা পড়েন তিনি।

আব্বাসের তৃতীয় শিকার হন মেহেদী হাসান মিরাজ (১০)। অফস্টাম্পের বাইরের বল পয়েন্ট দিয়ে বের করে দিতে চেয়েছিলেন তিনি, কিন্তু আটকা পড়েন ইমাম-উল-হকের হাতে। তার বিদায়ে ৩৫৬ রানে ষষ্ঠ উইকেট হারায় বাংলাদেশ।

তাইজুল ইসলামও মুশফিককে সঙ্গ দিতে পারেননি। আব্বাসের বাউন্সি ডেলিভারিতে চোখ বুজে ব্যাট চালিয়েছিলেন। বল চলে যায় উইকেটরক্ষকের গ্লাভসে। ২৩ বলে ১৭ করেন তাইজুল। ৭ উইকেটে ৩৮০ রান নিয়ে লাঞ্চ বিরতিতে যায় বাংলাদেশ।

বিরতির পর তৃতীয় বলেই সাজঘরের পথ ধরেন ৩৯তম জন্মদিনে ক্যারিয়ারের ২৯তম ফিফটি তুলে নেওয়া মুশফিক। শাহিন শাহ আফ্রিদির দুর্দান্ত এক ডেলিভারিতে বোল্ড হন তিনি। ১৭৯ বলে তার ধৈর্যশীল ৭১ রানের ইনিংসে ছিল ৮টি বাউন্ডারির মার।

এবাদত হোসেন রানের খাতা খুলতে পারেননি। তাকে শূন্য রানে ফিরিয়ে নিজের ৫ উইকেট শিকার করেন মোহাম্মদ আব্বাস। ৩৮৪ রানে ৯ উইকেট হারায় বাংলাদেশ।

প্রথম ইনিংসে চারশ হবে কিনা, সেটি নিয়ে ছিল সংশয়। তবে তাসকিন আহমেদের ব্যাটে ৪০০ রানের গণ্ডি পার করে টাইগাররা। মোহাম্মদ আব্বাসকে ছক্কা মেরেই দলের চারশ পূর্ণ করেন তাসকিন। শেষ পর্যন্ত ১৯ বলে ৩ চার আর ১ ছক্কায় শাহিন আফ্রিদির বলে দ্বিতীয় স্লিপে সউদ শাকিলের দুর্দান্ত ক্যাচ হন তিনি। ৪ রানে অপরাজিত থাকেন নাহিদ রানা।

পাকিস্তানের মোহাম্মদ আব্বাস ৫টি আর শাহিন আফ্রিদি নেন ৩টি উইকেট।

এমএমআর

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।