মিরপুর টেস্ট
নাহিদ রানার গতিতে হার মানলেন পাকিস্তান অধিনায়ক
মিরপুর টেস্টে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ৯ উইকেটে ২৪০ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ। লিড ২৬৭ রানের। অর্থাৎ পাকিস্তানকে জিততে হলে করতে হবে ২৬৮ রান।
এই লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খেয়েছে পাকিস্তান। তাসকিন আহমেদের দুর্দান্ত এক ডেলিভারি ইমাম উল হকের (২) ব্যাট ছুঁয়ে চলে গেছে উইকেটরক্ষক লিটন দাসের গ্লাভসে। ৩ রানে প্রথম উইকেট হারায় পাকিস্তান। ৬ রান নিয়ে যায় লাঞ্চ বিরতিতে।
বিরতির পর প্রথম ইনিংসের সেঞ্চুরিয়ান আজান আওয়াইসকে (১৫) বোল্ড করেন মেহেদী হাসান মিরাজ। ৫৭ রানে ঘটে পাকিস্তানের দ্বিতীয় উইকেটের পতন।
এরপর পাকিস্তান অধিনায়ক শান মাসুদকে থিতু হতে দেননি নাহিদ রানা। তার দুর্দান্ত গতিতে ব্যাট ছুঁইয়ে দিয়ে উইকেটরক্ষকের ক্যাচ হয়েছেন মাসুদ (২)। ৬৮ রানে ৩ উইকেট হারিয়েছে পাকিস্তান।
এর আগে চতুর্থ দিন শেষে বাংলাদেশের রান ছিল ৩ উইকেট হারিয়ে ১৫২। লিড ১৭৯ রানের। দিন শেষে ৫৮ রানে অপরাজিত ছিলেন নাজমুল হোসেন শান্ত এবং ১৬ রানে মুশফিকুর রহিম।
এই টেস্টে জিততে হলে শেষ দিনে আক্রমণাত্মক ব্যাটিং দরকার ছিল বাংলাদেশের। পঞ্চম ও শেষ দিনে শুরুটা সেভাবেই হয়েছিল। তবে মুশফিকুর রহিম পারেননি ইনিংস বড় করতে।
পাকিস্তানি পেসার হাসান আলির বলে তুলে মারতে গিয়ে মিডঅফে ক্যাচ তুলে দেন তিনি, ফেরেন ২২ রান করে। পারেননি লিটন দাসও। ১১ রান করে বড় শট খেলতে গিয়ে আউট হয়েছেন তিনিও। শাহিন শাহ আফ্রিদির বলে বাউন্ডারিতে ক্যাচ হন লিটন।
প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ক্যারিয়ারে তিনবার এক টেস্টের দুই ইনিংসে সেঞ্চুরির সুযোগ মিস ছিল নাজমুল হোসেন শান্তর। ১৩ রানের জন্য হলো না বিরল রেকর্ড।
নোমান আলীর ঘূর্ণিতে রিভার্স সুইপ খেলতে গিয়ে বলের লাইন মিস করে এলবিডব্লিউ হন শান্ত। ১৫০ বলে ৭ বাউন্ডারিতে ৮৭ রানে থেমেছে তার ইনিংস। প্রথম ইনিংসে শান্ত করেছিলেন ১০১ রান। এরপর মেহেদী হাসান মিরাজ আউট হন ২৭ বলে ২৪ রানের ইনিংস খেলে। তারপর আর বেশি রান যোগ করতে পারেনি বাংলাদেশ।
পাকিস্তানের হাসান আলি আর নোমান আলি দ্বিতীয় ইনিংসে নিয়েছেন ২টি করে উইকেট।
টেস্টের প্রথম ইনিংসে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশ অলআউট হয়েছিল ৪১৩ রানে। জবাবে পাকিস্তান সংগ্রহ করে ৩৮৬ রান। ২৭ রানের লিড পেয়েছিল বাংলাদেশ।
এমএমআর