রয়ের তাণ্ডবে ছারখার অস্ট্রেলিয়া

স্পোর্টস ডেস্ক
স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৫:২৬ পিএম, ১৪ জানুয়ারি ২০১৮ | আপডেট: ০৫:৩৫ পিএম, ১৪ জানুয়ারি ২০১৮
রয়ের তাণ্ডবে ছারখার অস্ট্রেলিয়া

কি তাণ্ডবটাই না দেখালেন জেসন রয়! মারকাটারি ব্যাটিংয়ে ইংল্যান্ডের হয়ে রেকর্ড গড়লেন, জিতলো দলও। ডানহাতি এই ব্যাটসম্যানের ১৫১ বলে ১৮১ রানের বিধ্বংসী এক ইনিংসে মেলবোর্নে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে অস্ট্রেলিয়াকে খুব সহজেই হারিয়েছে ইংল্যান্ড। ম্যাচটি তারা জিতেছে ৭ বল আর ৫ উইকেট হাতে রেখে।

শেষ সময়ে এসে কয়েকটি উইকেট না হারালে জয়টা আরও বড় হতে পারতো ইংল্যান্ডের। রয়ের ব্যাটে জয়টা যে সময়ের ব্যাপার হয়ে গিয়েছিল সফরকারিদের। শেষ দিকে ২১ রানের মধ্যে ইংলিশদের ৩ উইকেট তুলে নিয়ে কিছুটা রোমাঞ্চ ছড়ান অস্ট্রেলিয়ার বোলাররা।

বড় সংগ্রহ পেরুতে শুরুটা যেমন দরকার ছিল, তেমনই করেছেন ইংল্যান্ডের ওপেনার জেসন রয়। জনি বেয়ারস্টোর সঙ্গে ২০ বলের উদ্বোধনী জুটিতে ৫৪ রান তুলেছেন এই ওপেনার, যার মধ্যে বেয়ারস্টোর অবদান মাত্র ১৪। জুটি ভেঙে বেয়ারস্টো আউট হওয়ার পর হেলসও ফিরেছেন ৪ রান করে।

৬০ রানে ২ উইকেট হারিয়ে তখন কিছুটা বিপাকে ইংল্যান্ড। তবে রয়ের যেন সেদিকে খেয়ালই ছিল না। নিজের মতোই চালিয়ে গেছেন তিনি। সঙ্গে সঙ্গী হিসেবে নিয়েছেন জো রুটকে। তাদের ২২১ রানের জুটিটিই মূলতঃ ম্যাচ থেকে ছিটকে দিয়েছে অস্ট্রেলিয়াকে।

শেষ পর্যন্ত মিচেল স্টার্কের শিকার হয়ে রয় যখন ফিরেছেন, তখন জয়টা কেবল সময়ের ব্যাপার ইংল্যান্ডের। ১৬টি চার আর ৫টি ছক্কায় সাজানো ১৮১ রানের ইনিংসে দেশের হয়ে রেকর্ড গড়েছেন রয়। এটি এখন ইংল্যান্ডের কোনো ব্যাটসম্যানের ওয়ানডেতে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ।

এর আগে, ইংল্যান্ডের পক্ষে ওয়ানডেতে সর্বোচ্চ ইনিংসের রেকর্ডটি ছিল এই ম্যাচেই তিন নাম্বারে খেলা অ্যালেক্স হেলসের। ২০১৬ সালে নটিংহামে পাকিস্তানের বিপক্ষে ১২২ বলে ১৭১ রান করেন এই ওপেনার।

রয় ফেরার পর বাকি কাজটা সেরেছেন রুট। ইউয়ন মরগান (১) আর জস বাটলার (৪) দ্রুত ফিরে গেলেও দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দিয়েই থেমেছেন তিনি। ইংলিশ ব্যাটিংয়ের এই স্তম্ভ শেষ পর্যন্ত অপরাজিত ছিলেন ৯১ রানে।

এর আগে, অ্যারন ফিঞ্চের সেঞ্চুরিতে ভর করে ৮ উইকেটে ৩০৪ রানের লড়াকু পুঁজি গড়েছিল অস্ট্রেলিয়া। ফিঞ্চ করেন ১০৭ রান। এছাড়া মিচেল মার্শ ৫০ আর মার্কাস স্টোয়নিস করেন ৬০ রান।

ইংল্যান্ডের পক্ষে ৩টি উইকেট নেন লিয়াম প্লাংকেট, ২টি উইকেট আদিল রশিদের।

এমএমআর/জেআইএম